চাঁদাবাজিতে অভিযুক্ত এমপিপুত্রের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলো পুলিশ

চাঁদাবাজিতে অভিযুক্ত এমপিপুত্রের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলো পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে।
রবিবার (২২ জুন) গভীর রাতে সজীবকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজহারুল ইসলাম মান্নান নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি)। এদিকে আটকের ঘটনায় সজীবকে জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে সজীবের লোকজন। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপের বাইরেও বিভিন্ন কারখানার পণ্যবাহী গাড়ি আটকে দিয়ে টাকা আদায় এবং ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। সেসব বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
শনিবার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানী থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। বিকাল ৫টার দিকে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী তখন বলেছিলেন, সজীবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলামও জানিয়েছিলেন, সজীবের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সেসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
যুবদল থেকে বহিষ্কার
এদিকে আটকের ঘটনার পর জেলা যুবদল থেকে খাইরুল ইসলাম সজীবকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রবিবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীবকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে।
রবিবার (২২ জুন) গভীর রাতে সজীবকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজহারুল ইসলাম মান্নান নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি)। এদিকে আটকের ঘটনায় সজীবকে জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে সজীবের লোকজন। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপের বাইরেও বিভিন্ন কারখানার পণ্যবাহী গাড়ি আটকে দিয়ে টাকা আদায় এবং ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। সেসব বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
শনিবার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানী থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। বিকাল ৫টার দিকে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী তখন বলেছিলেন, সজীবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলামও জানিয়েছিলেন, সজীবের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সেসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
যুবদল থেকে বহিষ্কার
এদিকে আটকের ঘটনার পর জেলা যুবদল থেকে খাইরুল ইসলাম সজীবকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রবিবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীবকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চাঁদাবাজিতে অভিযুক্ত এমপিপুত্রের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিলো পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে।
রবিবার (২২ জুন) গভীর রাতে সজীবকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজহারুল ইসলাম মান্নান নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি)। এদিকে আটকের ঘটনায় সজীবকে জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে সজীবের লোকজন। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপের বাইরেও বিভিন্ন কারখানার পণ্যবাহী গাড়ি আটকে দিয়ে টাকা আদায় এবং ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। সেসব বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
শনিবার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানী থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। বিকাল ৫টার দিকে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী তখন বলেছিলেন, সজীবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলামও জানিয়েছিলেন, সজীবের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সেসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
যুবদল থেকে বহিষ্কার
এদিকে আটকের ঘটনার পর জেলা যুবদল থেকে খাইরুল ইসলাম সজীবকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রবিবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীবকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপিপুত্র যুবদল নেতা আটক

