নেতাকর্মীদের ওপর হামলা: ১১ দলের কর্মসূচি ঘোষণা

নেতাকর্মীদের ওপর হামলা: ১১ দলের কর্মসূচি ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণহত্যার বিচারে ধীরগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে এই সমাবেশ হবে।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় মগবাজারে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখনো চলমান। ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চলছে। জুলাই গণহত্যার বিচার এখনো হয়নি, এই বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতি করে রাখা হয়েছে।
হামিদুর রহমান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচি রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। ফ্যাসিবাদের উত্থান সরকার না ঠেকাতে পারলে ১১ দল দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা রুখে দেবে।
তিনি বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় শিথিলতার কারণে ফ্যাসিবাদের উত্থানের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে, হামলার ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ১১ দল দাঁড়ালে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরের সমাবেশ থেকে হামলা, খুনের বিচার দাবি জানাবে ১১ দল।
নৃশংসতা, সরকারের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ১১ দলের সমন্বয়ক।
তিনি বলেন, ৪ জুলাই জেলার কর্মসূচিতেও গুম, খুনের বিচার দাবি থাকবে। পাশাপাশি নিত্যপণের মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও দাবি ও প্রতিবাদ জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

গণহত্যার বিচারে ধীরগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে এই সমাবেশ হবে।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় মগবাজারে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখনো চলমান। ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চলছে। জুলাই গণহত্যার বিচার এখনো হয়নি, এই বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতি করে রাখা হয়েছে।
হামিদুর রহমান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচি রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। ফ্যাসিবাদের উত্থান সরকার না ঠেকাতে পারলে ১১ দল দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা রুখে দেবে।
তিনি বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় শিথিলতার কারণে ফ্যাসিবাদের উত্থানের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে, হামলার ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ১১ দল দাঁড়ালে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরের সমাবেশ থেকে হামলা, খুনের বিচার দাবি জানাবে ১১ দল।
নৃশংসতা, সরকারের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ১১ দলের সমন্বয়ক।
তিনি বলেন, ৪ জুলাই জেলার কর্মসূচিতেও গুম, খুনের বিচার দাবি থাকবে। পাশাপাশি নিত্যপণের মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও দাবি ও প্রতিবাদ জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

নেতাকর্মীদের ওপর হামলা: ১১ দলের কর্মসূচি ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণহত্যার বিচারে ধীরগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে এই সমাবেশ হবে।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় মগবাজারে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখনো চলমান। ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চলছে। জুলাই গণহত্যার বিচার এখনো হয়নি, এই বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতি করে রাখা হয়েছে।
হামিদুর রহমান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচি রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। ফ্যাসিবাদের উত্থান সরকার না ঠেকাতে পারলে ১১ দল দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা রুখে দেবে।
তিনি বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় শিথিলতার কারণে ফ্যাসিবাদের উত্থানের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে, হামলার ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ১১ দল দাঁড়ালে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরের সমাবেশ থেকে হামলা, খুনের বিচার দাবি জানাবে ১১ দল।
নৃশংসতা, সরকারের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ১১ দলের সমন্বয়ক।
তিনি বলেন, ৪ জুলাই জেলার কর্মসূচিতেও গুম, খুনের বিচার দাবি থাকবে। পাশাপাশি নিত্যপণের মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও দাবি ও প্রতিবাদ জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

শত যন্ত্রণা বুকে নিয়ে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি: জামায়াত আমির


