টি-টোয়েন্টিতে ৭ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারালো পাকিস্তান

টি-টোয়েন্টিতে ৭ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারালো পাকিস্তান
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

লাহোরে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাকিস্তানের ১৬৮ রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়া ২.২ ওভারেই করে ফেলে ২৭ রান। তবে হেডদের এই শুরুর ঝড় দীর্ঘায়িত হয়নি। পাকিস্তানের স্পিন জালে ফেঁসে অস্ট্রেলিয়া দলীয় ১০০ রান তোলার আগেই হারায় ৬ উইকেট। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৬ রানে আটকে দিয়ে পাকিস্তান ম্যাচ জিতেছে ২২ রানে।
এই জয়ের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭ বছর পর টি-টোয়েন্টিতে জিতলো পাকিস্তান। এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবরে দুবাইয়ে জিতেছিল পাকিস্তান, এরপর হেরেছে টানা ৭ ম্যাচ।
দুই ওপেনার ম্যাথু শর্ট (৫) ও হেডকে (২৩) ফিরিয়েছেন সাইম আইয়ুব। সাইম ২ উইকেট নিয়েছেন ৩ ওভারে ২৯ রান দিয়ে। তবে আবরার আহমেদের ২ উইকেট এসেছে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে। আবরার ফেরান কুপার কনোলি (০) ও জস ফিলিপকে (১২)।
এ ছাড়া শাদাব খান ও মোহাম্মদ নেওয়াজ ১টি করে উইকেট নেন। চার স্পিনারের বাইরে পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে নিয়েছেন দুই পেসার শাহিন আফ্রিদি ও সালমান মির্জা। দুজনে মোট ৬ ওভার করলেও কোনো উইকেট পাননি তারা।
অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১৪৬-এ পৌঁছায় নয়ে নামা হাভিয়ের বার্টলেটের ২৫ বলে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে।
তার আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান প্রথম বলে বার্টলেটের বলে সাহিবজাদা ফারহানকে (০) হারালেও দ্রুতই ধাক্কা সামলে ওঠে। দ্বিতীয় উইকেটে সাইম ও সালমান ৭৪ আর চতুর্থ উইকেটে বাবর আজম ও ফখর জামান ৩৭ রান যোগ করলে দলটির রান দেড়শ ছাড়ায়। সাইম ২২ বলে ২ ছক্কা ৩ চারে করেন ৪০ রান, অধিনায়ক সালমান ২৭ বলে ৪ ছক্কা ১ চারে ৩৯ রান। চারে নামা বাবরের ব্যাট থেকে আসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান।

লাহোরে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাকিস্তানের ১৬৮ রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়া ২.২ ওভারেই করে ফেলে ২৭ রান। তবে হেডদের এই শুরুর ঝড় দীর্ঘায়িত হয়নি। পাকিস্তানের স্পিন জালে ফেঁসে অস্ট্রেলিয়া দলীয় ১০০ রান তোলার আগেই হারায় ৬ উইকেট। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৬ রানে আটকে দিয়ে পাকিস্তান ম্যাচ জিতেছে ২২ রানে।
এই জয়ের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭ বছর পর টি-টোয়েন্টিতে জিতলো পাকিস্তান। এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবরে দুবাইয়ে জিতেছিল পাকিস্তান, এরপর হেরেছে টানা ৭ ম্যাচ।
দুই ওপেনার ম্যাথু শর্ট (৫) ও হেডকে (২৩) ফিরিয়েছেন সাইম আইয়ুব। সাইম ২ উইকেট নিয়েছেন ৩ ওভারে ২৯ রান দিয়ে। তবে আবরার আহমেদের ২ উইকেট এসেছে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে। আবরার ফেরান কুপার কনোলি (০) ও জস ফিলিপকে (১২)।
এ ছাড়া শাদাব খান ও মোহাম্মদ নেওয়াজ ১টি করে উইকেট নেন। চার স্পিনারের বাইরে পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে নিয়েছেন দুই পেসার শাহিন আফ্রিদি ও সালমান মির্জা। দুজনে মোট ৬ ওভার করলেও কোনো উইকেট পাননি তারা।
অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১৪৬-এ পৌঁছায় নয়ে নামা হাভিয়ের বার্টলেটের ২৫ বলে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে।
তার আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান প্রথম বলে বার্টলেটের বলে সাহিবজাদা ফারহানকে (০) হারালেও দ্রুতই ধাক্কা সামলে ওঠে। দ্বিতীয় উইকেটে সাইম ও সালমান ৭৪ আর চতুর্থ উইকেটে বাবর আজম ও ফখর জামান ৩৭ রান যোগ করলে দলটির রান দেড়শ ছাড়ায়। সাইম ২২ বলে ২ ছক্কা ৩ চারে করেন ৪০ রান, অধিনায়ক সালমান ২৭ বলে ৪ ছক্কা ১ চারে ৩৯ রান। চারে নামা বাবরের ব্যাট থেকে আসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান।

টি-টোয়েন্টিতে ৭ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারালো পাকিস্তান
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

লাহোরে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাকিস্তানের ১৬৮ রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়া ২.২ ওভারেই করে ফেলে ২৭ রান। তবে হেডদের এই শুরুর ঝড় দীর্ঘায়িত হয়নি। পাকিস্তানের স্পিন জালে ফেঁসে অস্ট্রেলিয়া দলীয় ১০০ রান তোলার আগেই হারায় ৬ উইকেট। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৬ রানে আটকে দিয়ে পাকিস্তান ম্যাচ জিতেছে ২২ রানে।
এই জয়ের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭ বছর পর টি-টোয়েন্টিতে জিতলো পাকিস্তান। এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবরে দুবাইয়ে জিতেছিল পাকিস্তান, এরপর হেরেছে টানা ৭ ম্যাচ।
দুই ওপেনার ম্যাথু শর্ট (৫) ও হেডকে (২৩) ফিরিয়েছেন সাইম আইয়ুব। সাইম ২ উইকেট নিয়েছেন ৩ ওভারে ২৯ রান দিয়ে। তবে আবরার আহমেদের ২ উইকেট এসেছে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে। আবরার ফেরান কুপার কনোলি (০) ও জস ফিলিপকে (১২)।
এ ছাড়া শাদাব খান ও মোহাম্মদ নেওয়াজ ১টি করে উইকেট নেন। চার স্পিনারের বাইরে পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে নিয়েছেন দুই পেসার শাহিন আফ্রিদি ও সালমান মির্জা। দুজনে মোট ৬ ওভার করলেও কোনো উইকেট পাননি তারা।
অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১৪৬-এ পৌঁছায় নয়ে নামা হাভিয়ের বার্টলেটের ২৫ বলে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে।
তার আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান প্রথম বলে বার্টলেটের বলে সাহিবজাদা ফারহানকে (০) হারালেও দ্রুতই ধাক্কা সামলে ওঠে। দ্বিতীয় উইকেটে সাইম ও সালমান ৭৪ আর চতুর্থ উইকেটে বাবর আজম ও ফখর জামান ৩৭ রান যোগ করলে দলটির রান দেড়শ ছাড়ায়। সাইম ২২ বলে ২ ছক্কা ৩ চারে করেন ৪০ রান, অধিনায়ক সালমান ২৭ বলে ৪ ছক্কা ১ চারে ৩৯ রান। চারে নামা বাবরের ব্যাট থেকে আসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান।




