ফিন অ্যালেনের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ভেঙে গেল বহু রেকর্ড

ফিন অ্যালেনের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ভেঙে গেল বহু রেকর্ড
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও স্বপ্নভঙ্গ হলো দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০২৪ আসরে ফাইনালে উঠে শিরোপা হারানোর পর চলমান আসরেও দুর্দান্ত ছন্দে ছিল প্রোটিয়ারা। টানা সাত ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল এইডেন মার্করামের দল। কিন্তু শেষ চারে এসে নিউজিল্যান্ডের কাছে একপেশে হারে বিদায় নিতে হলো তাদের।
বুধবার (৪ মার্চ) সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য নিউজিল্যান্ড ছুঁয়ে ফেলে মাত্র ১২.৫ ওভারে, তাও ৯ উইকেট হাতে রেখেই। এই বিধ্বংসী জয়ের নায়ক ওপেনার ফিন অ্যালেন। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তিনি গড়ে দিয়েছেন একের পর এক রেকর্ড।
দ্রুততম সেঞ্চুরির নতুন ইতিহাস
মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম শতকের মালিক হয়েছেন অ্যালেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ক্রিস গেইলের দখলে; তিনি ২০১৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
পুরুষ ও নারী দুই বিভাগ মিলিয়েও বিশ্বকাপের দ্রুততম শতক এখন অ্যালেনের। আগে নারী বিশ্বকাপে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার দিয়েন্দ্রা ডটিন ৩৮ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়েও এটিই দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৬ বলে শতক করেছিলেন গ্লেন ফিলিপস।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও শীর্ষ তালিকায়
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় অ্যালেন এখন তৃতীয়। এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান ২৭ বলে এবং তুরস্কের মুহাম্মদ ফাহাদ ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেছেন, যদিও তারা আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে খেলেননি।

পূর্ণ সদস্য দেশের বিবেচনায় অ্যালেনের ৩৩ বলের সেঞ্চুরি যৌথভাবে দ্রুততম। সমান সময়ে শতক রয়েছে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজারও।
এদিকে পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে এতদিন দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার ও ভারতের রোহিত শর্মার। দুজনই ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেলেন অ্যালেন।
নকআউটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে আগে কখনও সেঞ্চুরি হয়নি। সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ২০০৯ সালে তিলেকারত্নে দিলশানের অপরাজিত ৯৬। এবার অপরাজিত ১০০ রান করে সেই তালিকায় নতুন ইতিহাস লিখলেন অ্যালেন।
দ্রুততম ফিফটি
সেঞ্চুরির পথে অ্যালেন মাত্র ১৯ বলেই তুলে নেন ফিফটি, যা বিশ্বকাপের নকআউটে দ্রুততম। এর আগে ২০০৭ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০ বলে অর্ধশতক করেছিলেন যুবরাজ সিং।
একই সঙ্গে এটি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডেরও দ্রুততম ফিফটি। এর আগে চলমান আসরেই কানাডার বিপক্ষে ২২ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন গ্লেন ফিলিপস।
বাউন্ডারিতেও নতুন কীর্তি
অ্যালেনের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা– মোট ১৮টি বাউন্ডারি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক ইনিংসে এটিই যৌথভাবে সর্বোচ্চ বাউন্ডারি। ২০১২ বিশ্বকাপে একই সংখ্যক বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।
এই বাউন্ডারিগুলো থেকেই এসেছে ৮৮ রান, যা বিশ্বকাপে বাউন্ডারিতে করা যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান। ২০০৭ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্রিস গেইলও সমান ৮৮ রান তুলেছিলেন বাউন্ডারিতে।
ছক্কার রেকর্ডও অ্যালেনের
চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি (২০টি) ছক্কা মেরেছেন অ্যালেন। এর আগে এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড ছিল ১৭টি। সেমিফাইনালের আগে ১৯ ছক্কা নিয়ে সেই রেকর্ডে ছিলেন শিমরন হেটমায়ার।
ওপেনিং জুটির বড় অর্জন
এই বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট মিলে করেছেন ৪৬৩ রান। টি-টোয়েন্টি সিরিজ বা বিশ্বকাপের এক আসরে নির্দিষ্ট দুই ব্যাটারের জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রান।

একই সঙ্গে তাদের জুটির রান টি-টোয়েন্টিতে ১০০০ ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটে ৪২টি জুটি হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছে, তবে রানরেটের দিক থেকে অ্যালেন-সেইফার্ট জুটি এগিয়ে।
ইতিহাস ভাঙল নিউজিল্যান্ড
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর আগে পাঁচবার দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়ে কখনও জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ষষ্ঠ দেখায় এসে প্রথম জয় পেল কিউইরা।
তবে আইসিসি ইভেন্টের নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের আধিপত্য আগেও ছিল। চারবার নকআউটে মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জিতেছে কিউইরা।
পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ প্রায় শেষ
সেমিফাইনালে পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারেই নিউজিল্যান্ড তোলে ৮৪ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউটে এটিই সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে সংগ্রহ। আগের রেকর্ড ছিল ইংল্যান্ডের ৬৭ রান।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও স্বপ্নভঙ্গ হলো দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০২৪ আসরে ফাইনালে উঠে শিরোপা হারানোর পর চলমান আসরেও দুর্দান্ত ছন্দে ছিল প্রোটিয়ারা। টানা সাত ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল এইডেন মার্করামের দল। কিন্তু শেষ চারে এসে নিউজিল্যান্ডের কাছে একপেশে হারে বিদায় নিতে হলো তাদের।
বুধবার (৪ মার্চ) সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য নিউজিল্যান্ড ছুঁয়ে ফেলে মাত্র ১২.৫ ওভারে, তাও ৯ উইকেট হাতে রেখেই। এই বিধ্বংসী জয়ের নায়ক ওপেনার ফিন অ্যালেন। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তিনি গড়ে দিয়েছেন একের পর এক রেকর্ড।
দ্রুততম সেঞ্চুরির নতুন ইতিহাস
মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম শতকের মালিক হয়েছেন অ্যালেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ক্রিস গেইলের দখলে; তিনি ২০১৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
পুরুষ ও নারী দুই বিভাগ মিলিয়েও বিশ্বকাপের দ্রুততম শতক এখন অ্যালেনের। আগে নারী বিশ্বকাপে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার দিয়েন্দ্রা ডটিন ৩৮ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়েও এটিই দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৬ বলে শতক করেছিলেন গ্লেন ফিলিপস।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও শীর্ষ তালিকায়
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় অ্যালেন এখন তৃতীয়। এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান ২৭ বলে এবং তুরস্কের মুহাম্মদ ফাহাদ ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেছেন, যদিও তারা আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে খেলেননি।

পূর্ণ সদস্য দেশের বিবেচনায় অ্যালেনের ৩৩ বলের সেঞ্চুরি যৌথভাবে দ্রুততম। সমান সময়ে শতক রয়েছে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজারও।
এদিকে পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে এতদিন দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার ও ভারতের রোহিত শর্মার। দুজনই ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেলেন অ্যালেন।
নকআউটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে আগে কখনও সেঞ্চুরি হয়নি। সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ২০০৯ সালে তিলেকারত্নে দিলশানের অপরাজিত ৯৬। এবার অপরাজিত ১০০ রান করে সেই তালিকায় নতুন ইতিহাস লিখলেন অ্যালেন।
দ্রুততম ফিফটি
সেঞ্চুরির পথে অ্যালেন মাত্র ১৯ বলেই তুলে নেন ফিফটি, যা বিশ্বকাপের নকআউটে দ্রুততম। এর আগে ২০০৭ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০ বলে অর্ধশতক করেছিলেন যুবরাজ সিং।
একই সঙ্গে এটি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডেরও দ্রুততম ফিফটি। এর আগে চলমান আসরেই কানাডার বিপক্ষে ২২ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন গ্লেন ফিলিপস।
বাউন্ডারিতেও নতুন কীর্তি
অ্যালেনের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা– মোট ১৮টি বাউন্ডারি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক ইনিংসে এটিই যৌথভাবে সর্বোচ্চ বাউন্ডারি। ২০১২ বিশ্বকাপে একই সংখ্যক বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।
এই বাউন্ডারিগুলো থেকেই এসেছে ৮৮ রান, যা বিশ্বকাপে বাউন্ডারিতে করা যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান। ২০০৭ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্রিস গেইলও সমান ৮৮ রান তুলেছিলেন বাউন্ডারিতে।
ছক্কার রেকর্ডও অ্যালেনের
চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি (২০টি) ছক্কা মেরেছেন অ্যালেন। এর আগে এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড ছিল ১৭টি। সেমিফাইনালের আগে ১৯ ছক্কা নিয়ে সেই রেকর্ডে ছিলেন শিমরন হেটমায়ার।
ওপেনিং জুটির বড় অর্জন
এই বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট মিলে করেছেন ৪৬৩ রান। টি-টোয়েন্টি সিরিজ বা বিশ্বকাপের এক আসরে নির্দিষ্ট দুই ব্যাটারের জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রান।

একই সঙ্গে তাদের জুটির রান টি-টোয়েন্টিতে ১০০০ ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটে ৪২টি জুটি হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছে, তবে রানরেটের দিক থেকে অ্যালেন-সেইফার্ট জুটি এগিয়ে।
ইতিহাস ভাঙল নিউজিল্যান্ড
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর আগে পাঁচবার দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়ে কখনও জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ষষ্ঠ দেখায় এসে প্রথম জয় পেল কিউইরা।
তবে আইসিসি ইভেন্টের নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের আধিপত্য আগেও ছিল। চারবার নকআউটে মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জিতেছে কিউইরা।
পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ প্রায় শেষ
সেমিফাইনালে পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারেই নিউজিল্যান্ড তোলে ৮৪ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউটে এটিই সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে সংগ্রহ। আগের রেকর্ড ছিল ইংল্যান্ডের ৬৭ রান।

ফিন অ্যালেনের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ভেঙে গেল বহু রেকর্ড
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও স্বপ্নভঙ্গ হলো দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০২৪ আসরে ফাইনালে উঠে শিরোপা হারানোর পর চলমান আসরেও দুর্দান্ত ছন্দে ছিল প্রোটিয়ারা। টানা সাত ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল এইডেন মার্করামের দল। কিন্তু শেষ চারে এসে নিউজিল্যান্ডের কাছে একপেশে হারে বিদায় নিতে হলো তাদের।
বুধবার (৪ মার্চ) সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য নিউজিল্যান্ড ছুঁয়ে ফেলে মাত্র ১২.৫ ওভারে, তাও ৯ উইকেট হাতে রেখেই। এই বিধ্বংসী জয়ের নায়ক ওপেনার ফিন অ্যালেন। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তিনি গড়ে দিয়েছেন একের পর এক রেকর্ড।
দ্রুততম সেঞ্চুরির নতুন ইতিহাস
মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম শতকের মালিক হয়েছেন অ্যালেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ক্রিস গেইলের দখলে; তিনি ২০১৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
পুরুষ ও নারী দুই বিভাগ মিলিয়েও বিশ্বকাপের দ্রুততম শতক এখন অ্যালেনের। আগে নারী বিশ্বকাপে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার দিয়েন্দ্রা ডটিন ৩৮ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়েও এটিই দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৬ বলে শতক করেছিলেন গ্লেন ফিলিপস।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও শীর্ষ তালিকায়
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় অ্যালেন এখন তৃতীয়। এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান ২৭ বলে এবং তুরস্কের মুহাম্মদ ফাহাদ ২৯ বলে সেঞ্চুরি করেছেন, যদিও তারা আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে খেলেননি।

পূর্ণ সদস্য দেশের বিবেচনায় অ্যালেনের ৩৩ বলের সেঞ্চুরি যৌথভাবে দ্রুততম। সমান সময়ে শতক রয়েছে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজারও।
এদিকে পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে এতদিন দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার ও ভারতের রোহিত শর্মার। দুজনই ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেলেন অ্যালেন।
নকআউটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে আগে কখনও সেঞ্চুরি হয়নি। সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ২০০৯ সালে তিলেকারত্নে দিলশানের অপরাজিত ৯৬। এবার অপরাজিত ১০০ রান করে সেই তালিকায় নতুন ইতিহাস লিখলেন অ্যালেন।
দ্রুততম ফিফটি
সেঞ্চুরির পথে অ্যালেন মাত্র ১৯ বলেই তুলে নেন ফিফটি, যা বিশ্বকাপের নকআউটে দ্রুততম। এর আগে ২০০৭ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০ বলে অর্ধশতক করেছিলেন যুবরাজ সিং।
একই সঙ্গে এটি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডেরও দ্রুততম ফিফটি। এর আগে চলমান আসরেই কানাডার বিপক্ষে ২২ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন গ্লেন ফিলিপস।
বাউন্ডারিতেও নতুন কীর্তি
অ্যালেনের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা– মোট ১৮টি বাউন্ডারি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক ইনিংসে এটিই যৌথভাবে সর্বোচ্চ বাউন্ডারি। ২০১২ বিশ্বকাপে একই সংখ্যক বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।
এই বাউন্ডারিগুলো থেকেই এসেছে ৮৮ রান, যা বিশ্বকাপে বাউন্ডারিতে করা যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান। ২০০৭ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্রিস গেইলও সমান ৮৮ রান তুলেছিলেন বাউন্ডারিতে।
ছক্কার রেকর্ডও অ্যালেনের
চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি (২০টি) ছক্কা মেরেছেন অ্যালেন। এর আগে এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড ছিল ১৭টি। সেমিফাইনালের আগে ১৯ ছক্কা নিয়ে সেই রেকর্ডে ছিলেন শিমরন হেটমায়ার।
ওপেনিং জুটির বড় অর্জন
এই বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট মিলে করেছেন ৪৬৩ রান। টি-টোয়েন্টি সিরিজ বা বিশ্বকাপের এক আসরে নির্দিষ্ট দুই ব্যাটারের জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রান।

একই সঙ্গে তাদের জুটির রান টি-টোয়েন্টিতে ১০০০ ছাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটে ৪২টি জুটি হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছে, তবে রানরেটের দিক থেকে অ্যালেন-সেইফার্ট জুটি এগিয়ে।
ইতিহাস ভাঙল নিউজিল্যান্ড
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর আগে পাঁচবার দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়ে কখনও জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ষষ্ঠ দেখায় এসে প্রথম জয় পেল কিউইরা।
তবে আইসিসি ইভেন্টের নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের আধিপত্য আগেও ছিল। চারবার নকআউটে মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জিতেছে কিউইরা।
পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ প্রায় শেষ
সেমিফাইনালে পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারেই নিউজিল্যান্ড তোলে ৮৪ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউটে এটিই সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে সংগ্রহ। আগের রেকর্ড ছিল ইংল্যান্ডের ৬৭ রান।




