নেপালকে হারাতে ঘাম ছুটেছে ইংল্যান্ডের

নেপালকে হারাতে ঘাম ছুটেছে ইংল্যান্ডের
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ওয়াংখেড়েতে রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইতিহাস গড়তে নেপালের প্রয়োজন শেষ বলে ৬ রান। ঝড় তুলে দলকে ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখানো লোকেশ বাম ছিলেন স্ট্রাইকে। তবে স্যাম কারানের করা লো ফুলটস বলে ১ রানের বেশি নিতে পারলেন না তিনি। আগে ব্যাট করে ১৮৪ রান করা ইংল্যান্ড ম্যাচটা জিতেছে ৪ রানে।
কয়েক মাস আগে টি-টোয়েন্টির দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এই সংস্করণের সিরিজে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল নেপাল। এবার দুইবারের শিরোপা জয়ী ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও জয়ের আশা জাগায় তারা। এশিয়ার দেশটি যে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সঠিক পথেই আছে তা আবারও প্রমাণ হলো।
শেষ ১৫ বলে নেপালের যখন প্রয়োজন ৩৭ রান, পরপর দুই বলে আর্চারকে ছক্কায় ওড়ান লোকেশ। তাতে সমীকরণ দাঁড়ায় ১২ বলে ২৪ রানের। ১৯তম ওভারে লুক উডকে দুটি চার মেরে লক্ষ্যের কাছে দলকে নিয়ে যান তিনি। শেষের সমীকরণ মেলাতে না পারা লোকেশ, দুই ছক্কা ও চারটি চারে ২০ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
তার আগে ওপেনিং জুটিতে ৩৭ রান তোলে নেপাল। আসিফ শেখ ৭ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। আরেক ওপেনার কুশাল ৪ চার, ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৯ রান করেন। অধিনায়ক রোহিত পাডেল করেছেন ৩৯ রান। দিপেন্দ্র সিং আইরি ৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ বলে ৪৪ রান করেন।
ইংল্যান্ডের হয়ে চারটি করে ছক্কা-চারে বেথেল ৫৫ রান এবং তিনটি ছক্কা ও চারটি চারে হ্যারি ব্রুক ৫৩ রান করেন। শেষ দিকে উইল জ্যাকসের ক্যামিও ইনিংসটিই গড়ে দেয় পার্থক্য। চারটি ছক্কা ও একটি চারে ১৮ বলে ৩৯ রানের অপরাজিত থাকেন জ্যাকস। পরে অফ স্পিনে ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে তার হাতেই।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ওয়াংখেড়েতে রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইতিহাস গড়তে নেপালের প্রয়োজন শেষ বলে ৬ রান। ঝড় তুলে দলকে ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখানো লোকেশ বাম ছিলেন স্ট্রাইকে। তবে স্যাম কারানের করা লো ফুলটস বলে ১ রানের বেশি নিতে পারলেন না তিনি। আগে ব্যাট করে ১৮৪ রান করা ইংল্যান্ড ম্যাচটা জিতেছে ৪ রানে।
কয়েক মাস আগে টি-টোয়েন্টির দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এই সংস্করণের সিরিজে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল নেপাল। এবার দুইবারের শিরোপা জয়ী ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও জয়ের আশা জাগায় তারা। এশিয়ার দেশটি যে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সঠিক পথেই আছে তা আবারও প্রমাণ হলো।
শেষ ১৫ বলে নেপালের যখন প্রয়োজন ৩৭ রান, পরপর দুই বলে আর্চারকে ছক্কায় ওড়ান লোকেশ। তাতে সমীকরণ দাঁড়ায় ১২ বলে ২৪ রানের। ১৯তম ওভারে লুক উডকে দুটি চার মেরে লক্ষ্যের কাছে দলকে নিয়ে যান তিনি। শেষের সমীকরণ মেলাতে না পারা লোকেশ, দুই ছক্কা ও চারটি চারে ২০ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
তার আগে ওপেনিং জুটিতে ৩৭ রান তোলে নেপাল। আসিফ শেখ ৭ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। আরেক ওপেনার কুশাল ৪ চার, ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৯ রান করেন। অধিনায়ক রোহিত পাডেল করেছেন ৩৯ রান। দিপেন্দ্র সিং আইরি ৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ বলে ৪৪ রান করেন।
ইংল্যান্ডের হয়ে চারটি করে ছক্কা-চারে বেথেল ৫৫ রান এবং তিনটি ছক্কা ও চারটি চারে হ্যারি ব্রুক ৫৩ রান করেন। শেষ দিকে উইল জ্যাকসের ক্যামিও ইনিংসটিই গড়ে দেয় পার্থক্য। চারটি ছক্কা ও একটি চারে ১৮ বলে ৩৯ রানের অপরাজিত থাকেন জ্যাকস। পরে অফ স্পিনে ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে তার হাতেই।

নেপালকে হারাতে ঘাম ছুটেছে ইংল্যান্ডের
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ওয়াংখেড়েতে রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইতিহাস গড়তে নেপালের প্রয়োজন শেষ বলে ৬ রান। ঝড় তুলে দলকে ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখানো লোকেশ বাম ছিলেন স্ট্রাইকে। তবে স্যাম কারানের করা লো ফুলটস বলে ১ রানের বেশি নিতে পারলেন না তিনি। আগে ব্যাট করে ১৮৪ রান করা ইংল্যান্ড ম্যাচটা জিতেছে ৪ রানে।
কয়েক মাস আগে টি-টোয়েন্টির দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এই সংস্করণের সিরিজে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল নেপাল। এবার দুইবারের শিরোপা জয়ী ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও জয়ের আশা জাগায় তারা। এশিয়ার দেশটি যে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সঠিক পথেই আছে তা আবারও প্রমাণ হলো।
শেষ ১৫ বলে নেপালের যখন প্রয়োজন ৩৭ রান, পরপর দুই বলে আর্চারকে ছক্কায় ওড়ান লোকেশ। তাতে সমীকরণ দাঁড়ায় ১২ বলে ২৪ রানের। ১৯তম ওভারে লুক উডকে দুটি চার মেরে লক্ষ্যের কাছে দলকে নিয়ে যান তিনি। শেষের সমীকরণ মেলাতে না পারা লোকেশ, দুই ছক্কা ও চারটি চারে ২০ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
তার আগে ওপেনিং জুটিতে ৩৭ রান তোলে নেপাল। আসিফ শেখ ৭ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। আরেক ওপেনার কুশাল ৪ চার, ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৯ রান করেন। অধিনায়ক রোহিত পাডেল করেছেন ৩৯ রান। দিপেন্দ্র সিং আইরি ৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ বলে ৪৪ রান করেন।
ইংল্যান্ডের হয়ে চারটি করে ছক্কা-চারে বেথেল ৫৫ রান এবং তিনটি ছক্কা ও চারটি চারে হ্যারি ব্রুক ৫৩ রান করেন। শেষ দিকে উইল জ্যাকসের ক্যামিও ইনিংসটিই গড়ে দেয় পার্থক্য। চারটি ছক্কা ও একটি চারে ১৮ বলে ৩৯ রানের অপরাজিত থাকেন জ্যাকস। পরে অফ স্পিনে ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে তার হাতেই।




