বিএমইউতে সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগে অনিয়মের ঘটনায় হাইকোর্টের রুল

বিএমইউতে সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগে অনিয়মের ঘটনায় হাইকোর্টের রুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে করা রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রিটের নিষ্পত্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ওই বিভাগের একটি পদ শূন্য রাখার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৪ মে) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করে। এতে ওই বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে দুই জন নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়। এ পদের বিপরীতে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা আবেদন করে। তবে পরে অভিযোগ ওঠে নির্ধারিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা পূরণ না করা প্রার্থীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ডা. মোহাম্মদ আলী হাইকোর্ট রিট দায়ের করেন। রিটে তিনি দাবি করেন, সকল নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করা সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, বরং কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়, রিট আবেদনকারী মোহাম্মদ আলী বর্তমানে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-ডক্টোরাল সায়েন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সাময়িকীতে নিয়মিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করে আসছেন।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের যোগ্য প্রার্থীকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করা হলে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ না হলে বিদেশে কর্মরত মেধাবী বাংলাদেশি গবেষক ও চিকিৎসকদের দেশে ফিরে আসার ব্যাপারে আগ্রহ কমে যাবে। এতে দেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রিটে বলা হয়, রিট আবেদকারীকে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগ না দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কেন একটি নতুন ও নিরপেক্ষ বোর্ড গঠন করে আইনানুগভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় সম্পন্ন করা হবে না-এই মর্মে রুল জারি করতে হবে।
প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এই বিষয়ে রুল জারি করেন এবং রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের একটি সহযোগী অধ্যাপক পদ শূন্য রাখার নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, হাইকোর্টের এই আদেশের মাধ্যমে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও বৈধতা বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় এসেছে, যা ভবিষ্যতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে করা রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রিটের নিষ্পত্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ওই বিভাগের একটি পদ শূন্য রাখার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৪ মে) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করে। এতে ওই বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে দুই জন নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়। এ পদের বিপরীতে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা আবেদন করে। তবে পরে অভিযোগ ওঠে নির্ধারিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা পূরণ না করা প্রার্থীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ডা. মোহাম্মদ আলী হাইকোর্ট রিট দায়ের করেন। রিটে তিনি দাবি করেন, সকল নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করা সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, বরং কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়, রিট আবেদনকারী মোহাম্মদ আলী বর্তমানে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-ডক্টোরাল সায়েন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সাময়িকীতে নিয়মিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করে আসছেন।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের যোগ্য প্রার্থীকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করা হলে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ না হলে বিদেশে কর্মরত মেধাবী বাংলাদেশি গবেষক ও চিকিৎসকদের দেশে ফিরে আসার ব্যাপারে আগ্রহ কমে যাবে। এতে দেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রিটে বলা হয়, রিট আবেদকারীকে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগ না দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কেন একটি নতুন ও নিরপেক্ষ বোর্ড গঠন করে আইনানুগভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় সম্পন্ন করা হবে না-এই মর্মে রুল জারি করতে হবে।
প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এই বিষয়ে রুল জারি করেন এবং রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের একটি সহযোগী অধ্যাপক পদ শূন্য রাখার নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, হাইকোর্টের এই আদেশের মাধ্যমে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও বৈধতা বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় এসেছে, যা ভবিষ্যতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

বিএমইউতে সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগে অনিয়মের ঘটনায় হাইকোর্টের রুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে করা রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রিটের নিষ্পত্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ওই বিভাগের একটি পদ শূন্য রাখার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৪ মে) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করে। এতে ওই বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে দুই জন নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়। এ পদের বিপরীতে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা আবেদন করে। তবে পরে অভিযোগ ওঠে নির্ধারিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা পূরণ না করা প্রার্থীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ডা. মোহাম্মদ আলী হাইকোর্ট রিট দায়ের করেন। রিটে তিনি দাবি করেন, সকল নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করা সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, বরং কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়, রিট আবেদনকারী মোহাম্মদ আলী বর্তমানে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-ডক্টোরাল সায়েন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সাময়িকীতে নিয়মিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করে আসছেন।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের যোগ্য প্রার্থীকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করা হলে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ না হলে বিদেশে কর্মরত মেধাবী বাংলাদেশি গবেষক ও চিকিৎসকদের দেশে ফিরে আসার ব্যাপারে আগ্রহ কমে যাবে। এতে দেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রিটে বলা হয়, রিট আবেদকারীকে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগ না দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কেন একটি নতুন ও নিরপেক্ষ বোর্ড গঠন করে আইনানুগভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় সম্পন্ন করা হবে না-এই মর্মে রুল জারি করতে হবে।
প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এই বিষয়ে রুল জারি করেন এবং রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের একটি সহযোগী অধ্যাপক পদ শূন্য রাখার নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, হাইকোর্টের এই আদেশের মাধ্যমে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও বৈধতা বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় এসেছে, যা ভবিষ্যতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।




