যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা তেহরানের

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা তেহরানের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিক এলাকা ও কেশম দ্বীপের রাডার এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। শনিবার (৬ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ আক্রমণকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন এবং ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে।
আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুসারে, আক্রান্ত স্থাপনাগুলো মূলত ইরানের সীমান্ত রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন এবং ধারাবাহিক উস্কানিমূলক আচরণের অংশ বলে উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন এ হামলার উদ্দেশ্য সফল হতে দেয়নি ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তারা এর উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।
তেহরান জানিয়েছে, বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাস ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নিজেদের আন্তরিকতার অভাবই প্রমাণ করেছে। একই সঙ্গে, উদ্ভূত পরিস্থিতির যেকোনো অবনতি এবং এর পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার ওয়াশিংটনকে বহন করতে হবে। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজেদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরান সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো বৈরী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা না যায়। পাশাপাশি, জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের এ বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি তৈরি হওয়া হুমকি প্রতিরোধ করার অনুরোধ জানিয়েছে তেহরান।
এর আগে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছিল, হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার জবাবে তারা ইরানের উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে আঘাত হেনেছে। তবে মার্কিন আগ্রাসনের পরপরই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিক এলাকা ও কেশম দ্বীপের রাডার এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। শনিবার (৬ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ আক্রমণকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন এবং ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে।
আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুসারে, আক্রান্ত স্থাপনাগুলো মূলত ইরানের সীমান্ত রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন এবং ধারাবাহিক উস্কানিমূলক আচরণের অংশ বলে উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন এ হামলার উদ্দেশ্য সফল হতে দেয়নি ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তারা এর উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।
তেহরান জানিয়েছে, বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাস ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নিজেদের আন্তরিকতার অভাবই প্রমাণ করেছে। একই সঙ্গে, উদ্ভূত পরিস্থিতির যেকোনো অবনতি এবং এর পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার ওয়াশিংটনকে বহন করতে হবে। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজেদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরান সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো বৈরী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা না যায়। পাশাপাশি, জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের এ বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি তৈরি হওয়া হুমকি প্রতিরোধ করার অনুরোধ জানিয়েছে তেহরান।
এর আগে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছিল, হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার জবাবে তারা ইরানের উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে আঘাত হেনেছে। তবে মার্কিন আগ্রাসনের পরপরই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা তেহরানের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিক এলাকা ও কেশম দ্বীপের রাডার এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। শনিবার (৬ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ আক্রমণকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন এবং ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে।
আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুসারে, আক্রান্ত স্থাপনাগুলো মূলত ইরানের সীমান্ত রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন এবং ধারাবাহিক উস্কানিমূলক আচরণের অংশ বলে উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন এ হামলার উদ্দেশ্য সফল হতে দেয়নি ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তারা এর উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।
তেহরান জানিয়েছে, বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাস ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নিজেদের আন্তরিকতার অভাবই প্রমাণ করেছে। একই সঙ্গে, উদ্ভূত পরিস্থিতির যেকোনো অবনতি এবং এর পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার ওয়াশিংটনকে বহন করতে হবে। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজেদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরান সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো বৈরী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা না যায়। পাশাপাশি, জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের এ বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি তৈরি হওয়া হুমকি প্রতিরোধ করার অনুরোধ জানিয়েছে তেহরান।
এর আগে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছিল, হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার জবাবে তারা ইরানের উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে আঘাত হেনেছে। তবে মার্কিন আগ্রাসনের পরপরই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ইরান সংঘাত নিয়ে নতুন মন্তব্য পোপ লিও’র


