শিরোনাম

মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি যে ৮ টুথপেস্টে

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি যে ৮ টুথপেস্টে
টুথপেস্ট

দেশে বিক্রি হওয়া স্বনামধন্য কোম্পানির প্রতি ৪টি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় ৩টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)-এর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এই চিত্র উঠে এসেছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। সেখানে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসডো জানায়, ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টি বা ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। তবে ৮টিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলো বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত। চারটি দেশের উৎপাদিত টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে, ভারতের ৫টির মধ্যে একটিতে, থাইল্যান্ডের দুইটির মধ্যে একটিতে এবং ভিয়েতনামের দুইটির দুইটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি এমন ৮টি নিরাপদ টুথপেস্ট

জেনফ্রেশ– দেশীয় ব্র্যান্ড

প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি-ম্যাঙ্গো– দেশীয় ব্র্যান্ড

ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি– দেশে তৈরি

প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার– ভারতীয় ব্র্যান্ড

সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল– ভারত

কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ– ভারত

কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট– ভারত

কোডোমো-অরেঞ্জ– থাইল্যান্ড

প্রসঙ্গত, মাইক্রোপ্লাস্টিক দীর্ঘমেয়াদে পাকস্থলীর সমস্যা, হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা এবং ক্যানসারের মতো মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই দেশি ও বিদেশি এসব নিবন্ধিত ও পরীক্ষিত নিরাপদ টুথপেস্ট নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি।

/জেএইচ/