হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ: ইরান

হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, সম্প্রতি আঞ্চলিক উত্তেজনার পরও আন্তর্জাতিক এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, সম্প্রতি তেহরানে দুই দেশের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজকে তিনি বলেন, প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল বজায় রাখতে ইরান ও ওমান একটি অভিন্ন নীতি ও কার্যপ্রণালী নিয়ে আলোচনা করেছে। বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ উল্লেখ করে বাঘাই জানান, আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ওমানের প্রতিনিধিদল তেহরান ত্যাগ করলেও দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক পর্যায় আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত এ জলপথটি নিরাপত্তাহীন হয় পড়ে। জুনে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এক সমঝোতার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি হলেও জুলাইয়ের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা দেন। ওয়াশিংটন শুরু থেকেই বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ এবং অবাধ নৌচলাচলের স্বাধীনতা দাবি করে আসছে। তবে তেহরান জানিয়েছে, তাদের উপকূলীয় অঞ্চলটির ব্যবস্থাপনা তারা নিজেরাই পরিচালনা করবে। অবশ্য নতুন করে উত্তেজনা বাড়লেও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন হামলা না চালানোর নির্দেশ দেওয়ায় দুই সপ্তাহের ধারাবাহিক সামরিক সংঘাত আপাতত থমকে গেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, সম্প্রতি আঞ্চলিক উত্তেজনার পরও আন্তর্জাতিক এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, সম্প্রতি তেহরানে দুই দেশের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজকে তিনি বলেন, প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল বজায় রাখতে ইরান ও ওমান একটি অভিন্ন নীতি ও কার্যপ্রণালী নিয়ে আলোচনা করেছে। বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ উল্লেখ করে বাঘাই জানান, আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ওমানের প্রতিনিধিদল তেহরান ত্যাগ করলেও দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক পর্যায় আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত এ জলপথটি নিরাপত্তাহীন হয় পড়ে। জুনে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এক সমঝোতার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি হলেও জুলাইয়ের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা দেন। ওয়াশিংটন শুরু থেকেই বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ এবং অবাধ নৌচলাচলের স্বাধীনতা দাবি করে আসছে। তবে তেহরান জানিয়েছে, তাদের উপকূলীয় অঞ্চলটির ব্যবস্থাপনা তারা নিজেরাই পরিচালনা করবে। অবশ্য নতুন করে উত্তেজনা বাড়লেও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন হামলা না চালানোর নির্দেশ দেওয়ায় দুই সপ্তাহের ধারাবাহিক সামরিক সংঘাত আপাতত থমকে গেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, সম্প্রতি আঞ্চলিক উত্তেজনার পরও আন্তর্জাতিক এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, সম্প্রতি তেহরানে দুই দেশের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজকে তিনি বলেন, প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল বজায় রাখতে ইরান ও ওমান একটি অভিন্ন নীতি ও কার্যপ্রণালী নিয়ে আলোচনা করেছে। বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ উল্লেখ করে বাঘাই জানান, আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ওমানের প্রতিনিধিদল তেহরান ত্যাগ করলেও দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক পর্যায় আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত এ জলপথটি নিরাপত্তাহীন হয় পড়ে। জুনে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এক সমঝোতার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি হলেও জুলাইয়ের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা দেন। ওয়াশিংটন শুরু থেকেই বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ এবং অবাধ নৌচলাচলের স্বাধীনতা দাবি করে আসছে। তবে তেহরান জানিয়েছে, তাদের উপকূলীয় অঞ্চলটির ব্যবস্থাপনা তারা নিজেরাই পরিচালনা করবে। অবশ্য নতুন করে উত্তেজনা বাড়লেও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন হামলা না চালানোর নির্দেশ দেওয়ায় দুই সপ্তাহের ধারাবাহিক সামরিক সংঘাত আপাতত থমকে গেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যে কারণে কেনিয়ায় সামরিক মহড়া বাতিল করলো যুক্তরাজ্য







