ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় ‘একটি তালাক’, আবেদনে এগিয়ে নারীরা

ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় ‘একটি তালাক’, আবেদনে এগিয়ে নারীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ- সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে তালাকের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিনই ভেঙে যাচ্ছে দুটি পরিবারের স্বপ্ন, অসংখ্য প্রতিশ্রুতি আর সারাজীবন একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনভুক্ত এলাকায় প্রতি ঘণ্টায় একটিরও বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক হচ্ছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি থেকে মে ২০২৬) মোট ৪ হাজার ৯৮৯টি তালাক কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ২ হাজার ২৯৭টি এবং উত্তর সিটিতে ২ হাজার ৬৯২টি তালাক কার্যকর হয়েছে।
তালাকের আবেদনে এগিয়ে আছেন নারীরা। গড়ে প্রায় ৭১ শতাংশ তালাকের আবেদন পড়ছে নারীদের কাছ থেকে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির তুলনায় উত্তর সিটিতে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি তালাকের আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে কারওয়ান বাজার, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, আদাবর, সেখেরটেক, চন্দ্রিমা মডেল টাউন, বছিলা ও রায়েরবাজার নিয়ে গঠিত উত্তরের অঞ্চল-৫ এ সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকায় ৬৬৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৫৭২টি আবেদনই করেছেন নারী। অর্থাৎ এখানে ৮৫ শতাংশ বিচ্ছেদ চেয়েছেন নারীরা। দুই সিটির করপোরেশনের ২০টি অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ।
তালাকের বেশিরভাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে মনের অমিল, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, পরকীয়া, ভরণপোষণ না দেওয়া, স্বামী বা স্ত্রীর মাদকাসক্তি, পারস্পরিক অসম্মান এবং সহনশীলতার অভাব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে নারীদের মধ্যে শিক্ষার হার বেড়ে যাওয়ায় তারা অন্যায়ভাবে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হলে এখন তারা সহজে মেনে নেয় না। এছাড়া অনেক নারীই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী। এগুলো তালাকের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে তালাকের পর বহু নারী সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্বও নিচ্ছেন। অন্যদিকে, পুরুষের ক্ষেত্রে পরকীয়া, ডোমিনেট করার মানসিকতা ও পারিবারিক নানা জটিলতা তালাকের অন্যতম কারণ।

দেশে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ- সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে তালাকের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিনই ভেঙে যাচ্ছে দুটি পরিবারের স্বপ্ন, অসংখ্য প্রতিশ্রুতি আর সারাজীবন একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনভুক্ত এলাকায় প্রতি ঘণ্টায় একটিরও বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক হচ্ছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি থেকে মে ২০২৬) মোট ৪ হাজার ৯৮৯টি তালাক কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ২ হাজার ২৯৭টি এবং উত্তর সিটিতে ২ হাজার ৬৯২টি তালাক কার্যকর হয়েছে।
তালাকের আবেদনে এগিয়ে আছেন নারীরা। গড়ে প্রায় ৭১ শতাংশ তালাকের আবেদন পড়ছে নারীদের কাছ থেকে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির তুলনায় উত্তর সিটিতে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি তালাকের আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে কারওয়ান বাজার, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, আদাবর, সেখেরটেক, চন্দ্রিমা মডেল টাউন, বছিলা ও রায়েরবাজার নিয়ে গঠিত উত্তরের অঞ্চল-৫ এ সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকায় ৬৬৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৫৭২টি আবেদনই করেছেন নারী। অর্থাৎ এখানে ৮৫ শতাংশ বিচ্ছেদ চেয়েছেন নারীরা। দুই সিটির করপোরেশনের ২০টি অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ।
তালাকের বেশিরভাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে মনের অমিল, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, পরকীয়া, ভরণপোষণ না দেওয়া, স্বামী বা স্ত্রীর মাদকাসক্তি, পারস্পরিক অসম্মান এবং সহনশীলতার অভাব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে নারীদের মধ্যে শিক্ষার হার বেড়ে যাওয়ায় তারা অন্যায়ভাবে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হলে এখন তারা সহজে মেনে নেয় না। এছাড়া অনেক নারীই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী। এগুলো তালাকের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে তালাকের পর বহু নারী সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্বও নিচ্ছেন। অন্যদিকে, পুরুষের ক্ষেত্রে পরকীয়া, ডোমিনেট করার মানসিকতা ও পারিবারিক নানা জটিলতা তালাকের অন্যতম কারণ।

ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় ‘একটি তালাক’, আবেদনে এগিয়ে নারীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ- সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে তালাকের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিনই ভেঙে যাচ্ছে দুটি পরিবারের স্বপ্ন, অসংখ্য প্রতিশ্রুতি আর সারাজীবন একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনভুক্ত এলাকায় প্রতি ঘণ্টায় একটিরও বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক হচ্ছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি থেকে মে ২০২৬) মোট ৪ হাজার ৯৮৯টি তালাক কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ২ হাজার ২৯৭টি এবং উত্তর সিটিতে ২ হাজার ৬৯২টি তালাক কার্যকর হয়েছে।
তালাকের আবেদনে এগিয়ে আছেন নারীরা। গড়ে প্রায় ৭১ শতাংশ তালাকের আবেদন পড়ছে নারীদের কাছ থেকে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির তুলনায় উত্তর সিটিতে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি তালাকের আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে কারওয়ান বাজার, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, আদাবর, সেখেরটেক, চন্দ্রিমা মডেল টাউন, বছিলা ও রায়েরবাজার নিয়ে গঠিত উত্তরের অঞ্চল-৫ এ সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকায় ৬৬৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৫৭২টি আবেদনই করেছেন নারী। অর্থাৎ এখানে ৮৫ শতাংশ বিচ্ছেদ চেয়েছেন নারীরা। দুই সিটির করপোরেশনের ২০টি অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ।
তালাকের বেশিরভাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে মনের অমিল, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, পরকীয়া, ভরণপোষণ না দেওয়া, স্বামী বা স্ত্রীর মাদকাসক্তি, পারস্পরিক অসম্মান এবং সহনশীলতার অভাব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে নারীদের মধ্যে শিক্ষার হার বেড়ে যাওয়ায় তারা অন্যায়ভাবে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হলে এখন তারা সহজে মেনে নেয় না। এছাড়া অনেক নারীই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী। এগুলো তালাকের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে তালাকের পর বহু নারী সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্বও নিচ্ছেন। অন্যদিকে, পুরুষের ক্ষেত্রে পরকীয়া, ডোমিনেট করার মানসিকতা ও পারিবারিক নানা জটিলতা তালাকের অন্যতম কারণ।

শহরের চেয়ে গ্রামে বিয়ে-তালাকের হার বেড়েছে






