অধিকৃত পশ্চিম তীরের দুই মসজিদে ইসরায়েলিদের আগুন

অধিকৃত পশ্চিম তীরের দুই মসজিদে ইসরায়েলিদের আগুন
সিজেডএন ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীর জুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যেই পৃথক হামলায় দুটি মসজিদ এবং একটি বসতবাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তুলকারেমের দক্ষিণের কুর গ্রাম এবং নাবলুসের কুসরা শহরের নির্মাণাধীন আল-রাহমা মসজিদকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা আগুন দেওয়ার পাশাপাশি মসজিদ ও বাড়ির দেয়ালে বর্ণবাদী ও আরববিদ্বেষী গ্রাফিতি এঁকে রেখে যায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ফিলিস্তিনের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করছে। মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর ছত্রছায়ায় গত বছর জুড়ে পশ্চিম তীরের ৪৫টি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া নাবলুসের নিকটবর্তী বেইত ফুরিক এলাকায় ফিলিস্তিনি এক বাসিন্দার বাড়িতেও একই কায়দায় আগুন দেওয়া হয়। কয়েক দিন আগে তেলে এক সংঘর্ষে চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরায়েলি নিহত হওয়ার পর থেকে গোটা পশ্চিম তীরে সামরিক তৎপরতা ও অবরুদ্ধ অবস্থা আরও জোরালো করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ১,১৮২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২৪ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। কেবল চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ফিলিস্তিনিদের ওপর সাড়ে তিন হাজারের বেশি হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, এসব ধারাবাহিক হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো পশ্চিম তীরকে জোরপূর্বক নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দেওয়া।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

অধিকৃত পশ্চিম তীর জুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যেই পৃথক হামলায় দুটি মসজিদ এবং একটি বসতবাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তুলকারেমের দক্ষিণের কুর গ্রাম এবং নাবলুসের কুসরা শহরের নির্মাণাধীন আল-রাহমা মসজিদকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা আগুন দেওয়ার পাশাপাশি মসজিদ ও বাড়ির দেয়ালে বর্ণবাদী ও আরববিদ্বেষী গ্রাফিতি এঁকে রেখে যায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ফিলিস্তিনের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করছে। মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর ছত্রছায়ায় গত বছর জুড়ে পশ্চিম তীরের ৪৫টি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া নাবলুসের নিকটবর্তী বেইত ফুরিক এলাকায় ফিলিস্তিনি এক বাসিন্দার বাড়িতেও একই কায়দায় আগুন দেওয়া হয়। কয়েক দিন আগে তেলে এক সংঘর্ষে চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরায়েলি নিহত হওয়ার পর থেকে গোটা পশ্চিম তীরে সামরিক তৎপরতা ও অবরুদ্ধ অবস্থা আরও জোরালো করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ১,১৮২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২৪ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। কেবল চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ফিলিস্তিনিদের ওপর সাড়ে তিন হাজারের বেশি হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, এসব ধারাবাহিক হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো পশ্চিম তীরকে জোরপূর্বক নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দেওয়া।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

অধিকৃত পশ্চিম তীরের দুই মসজিদে ইসরায়েলিদের আগুন
সিজেডএন ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীর জুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যেই পৃথক হামলায় দুটি মসজিদ এবং একটি বসতবাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তুলকারেমের দক্ষিণের কুর গ্রাম এবং নাবলুসের কুসরা শহরের নির্মাণাধীন আল-রাহমা মসজিদকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা আগুন দেওয়ার পাশাপাশি মসজিদ ও বাড়ির দেয়ালে বর্ণবাদী ও আরববিদ্বেষী গ্রাফিতি এঁকে রেখে যায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন বড় আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ফিলিস্তিনের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করছে। মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর ছত্রছায়ায় গত বছর জুড়ে পশ্চিম তীরের ৪৫টি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া নাবলুসের নিকটবর্তী বেইত ফুরিক এলাকায় ফিলিস্তিনি এক বাসিন্দার বাড়িতেও একই কায়দায় আগুন দেওয়া হয়। কয়েক দিন আগে তেলে এক সংঘর্ষে চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরায়েলি নিহত হওয়ার পর থেকে গোটা পশ্চিম তীরে সামরিক তৎপরতা ও অবরুদ্ধ অবস্থা আরও জোরালো করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ১,১৮২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২৪ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। কেবল চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ফিলিস্তিনিদের ওপর সাড়ে তিন হাজারের বেশি হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, এসব ধারাবাহিক হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো পশ্চিম তীরকে জোরপূর্বক নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দেওয়া।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরান যুদ্ধে ১৫ দিনে ২০০ মার্কিন সেনা নিহত: আইআরজিসি







