হাসপাতালে রোগী নেই, আছেন চিকিৎসকসহ ১৭ জন কর্মচারী

হাসপাতালে রোগী নেই, আছেন চিকিৎসকসহ ১৭ জন কর্মচারী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্সসহ ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। তবে হাসপাতালে নেই কোনো বর্হিবিভাগ ও জরুরি বিভাগ। এছাড়া, চিকিৎসাধীন কোনো রোগীও ভর্তি নেই। স্থানীয়রা জানায়, বক্ষব্যাধি হাসপাতালটিতে সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করা হলে ফরিদপুরবাসী ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরতলীর ভাজনডাঙ্গা এলাকায় প্রায় ৫ একর জমির ওপর ১৯৬১ সালে ২০ শয্যার এই বক্ষব্যাধি হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যুগের আবর্তে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হওয়ায় হাসপাতালে কোনো রোগী ভর্তি হয় না। ফলে অলস সময় পার করছেন এখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা।
ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আলাওল হোসেন তনু বলেন, কাউন্সিলর থাকাকালে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কয়েকবার বসে এই হাসপাতালের দুর্দশার কথা আলোচনা করেছি। কোনো সুরাহা হয়নি। বর্তমানে হাসপাতালে ডাক্তার ও নার্সদের কোনো কাজ নেই। নিয়মিত হাজিরা দিয়ে দিন পার করেন। এখানে সাধারণ চিকিৎসা সেবা চালু হলে ফরিদপুরবাসী উপকৃত হতো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বারান্দায় আসবাবপত্র ও বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী অযত্নে পড়ে রয়েছে। পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডের বেডগুলো ধুলোবালিতে নষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালের মূল ফটক দিয়ে অবাধে যাতায়াত করছে স্থানীয়রা। মাঠে প্রতিদিন ডেকোরেটরের সামিয়ানা শুকানো হচ্ছে। রাতে নিয়মিত বসে মাদকের আড্ডা। এমনকী জাতীয় পতাকা তোলার লোহার স্ট্যান্ডটিও নষ্ট হয়ে গেছে। সংস্কার না করায় বাঁশের খুঁটিতে পতাকা টানানো হয়।
সমাজকর্মী প্রবীর কান্তি বালা বলেন, ফরিদপুর বক্ষব্যাধি হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থা। সেখানে ডাক্তারসহ ১৭ জন কর্মচারী কাজ করেন অথচ কোনো রোগী নেই। অনেক হাসপাতালেই স্টাফ ঘাটতি রয়েছে। বক্ষব্যাধি থেকে প্রত্যাহার করে সেখানে তাদের দায়িত্ব দেওয়া যায়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে চিকিৎসকসহ ১৭ জন কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে দুইজন স্টাফ নার্স, একজন ওয়ার্ডবয় এবং একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে ডেপুটেশনে কর্মরত।

বক্ষব্যাধি হাসপাতালের কর্মরত ডা. মেরিনা পারভীন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, এখন এই হাসপাতালে যক্ষা রোগের চিকিৎসা নিতে আসেন না রোগীরা। তারা বাড়ি থেকেই চিকিৎসা সেবা নেন। এজন্য হাসপাতালে খুব কম রোগী ভর্তি হন।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহামুদুল হাসান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, বক্ষব্যাধি হাসপাতালটি শহরের একটু বাইরে। ফরিদপুর শহরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতাল থাকাতে ওই হাসপাতালটিতে রোগী যেতে চায় না। সরকারি সিস্টেম অনুযায়ী হাসপাতালে স্টাফ পোস্টিং আছে। রোগী না থাকায় তাদের অনেক সময় বসে থাকতে হয়। এজন্য আমরা তাদের জেনারেল হাসপাতালসহ অন্য জায়গায় কাজে লাগাচ্ছি। হাসপাতালটি সচল করার জন্য আমরা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।

ফরিদপুর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্সসহ ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। তবে হাসপাতালে নেই কোনো বর্হিবিভাগ ও জরুরি বিভাগ। এছাড়া, চিকিৎসাধীন কোনো রোগীও ভর্তি নেই। স্থানীয়রা জানায়, বক্ষব্যাধি হাসপাতালটিতে সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করা হলে ফরিদপুরবাসী ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরতলীর ভাজনডাঙ্গা এলাকায় প্রায় ৫ একর জমির ওপর ১৯৬১ সালে ২০ শয্যার এই বক্ষব্যাধি হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যুগের আবর্তে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হওয়ায় হাসপাতালে কোনো রোগী ভর্তি হয় না। ফলে অলস সময় পার করছেন এখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা।
ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আলাওল হোসেন তনু বলেন, কাউন্সিলর থাকাকালে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কয়েকবার বসে এই হাসপাতালের দুর্দশার কথা আলোচনা করেছি। কোনো সুরাহা হয়নি। বর্তমানে হাসপাতালে ডাক্তার ও নার্সদের কোনো কাজ নেই। নিয়মিত হাজিরা দিয়ে দিন পার করেন। এখানে সাধারণ চিকিৎসা সেবা চালু হলে ফরিদপুরবাসী উপকৃত হতো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বারান্দায় আসবাবপত্র ও বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী অযত্নে পড়ে রয়েছে। পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডের বেডগুলো ধুলোবালিতে নষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালের মূল ফটক দিয়ে অবাধে যাতায়াত করছে স্থানীয়রা। মাঠে প্রতিদিন ডেকোরেটরের সামিয়ানা শুকানো হচ্ছে। রাতে নিয়মিত বসে মাদকের আড্ডা। এমনকী জাতীয় পতাকা তোলার লোহার স্ট্যান্ডটিও নষ্ট হয়ে গেছে। সংস্কার না করায় বাঁশের খুঁটিতে পতাকা টানানো হয়।
সমাজকর্মী প্রবীর কান্তি বালা বলেন, ফরিদপুর বক্ষব্যাধি হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থা। সেখানে ডাক্তারসহ ১৭ জন কর্মচারী কাজ করেন অথচ কোনো রোগী নেই। অনেক হাসপাতালেই স্টাফ ঘাটতি রয়েছে। বক্ষব্যাধি থেকে প্রত্যাহার করে সেখানে তাদের দায়িত্ব দেওয়া যায়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে চিকিৎসকসহ ১৭ জন কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে দুইজন স্টাফ নার্স, একজন ওয়ার্ডবয় এবং একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে ডেপুটেশনে কর্মরত।

বক্ষব্যাধি হাসপাতালের কর্মরত ডা. মেরিনা পারভীন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, এখন এই হাসপাতালে যক্ষা রোগের চিকিৎসা নিতে আসেন না রোগীরা। তারা বাড়ি থেকেই চিকিৎসা সেবা নেন। এজন্য হাসপাতালে খুব কম রোগী ভর্তি হন।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহামুদুল হাসান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, বক্ষব্যাধি হাসপাতালটি শহরের একটু বাইরে। ফরিদপুর শহরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতাল থাকাতে ওই হাসপাতালটিতে রোগী যেতে চায় না। সরকারি সিস্টেম অনুযায়ী হাসপাতালে স্টাফ পোস্টিং আছে। রোগী না থাকায় তাদের অনেক সময় বসে থাকতে হয়। এজন্য আমরা তাদের জেনারেল হাসপাতালসহ অন্য জায়গায় কাজে লাগাচ্ছি। হাসপাতালটি সচল করার জন্য আমরা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।

হাসপাতালে রোগী নেই, আছেন চিকিৎসকসহ ১৭ জন কর্মচারী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্সসহ ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। তবে হাসপাতালে নেই কোনো বর্হিবিভাগ ও জরুরি বিভাগ। এছাড়া, চিকিৎসাধীন কোনো রোগীও ভর্তি নেই। স্থানীয়রা জানায়, বক্ষব্যাধি হাসপাতালটিতে সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করা হলে ফরিদপুরবাসী ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরতলীর ভাজনডাঙ্গা এলাকায় প্রায় ৫ একর জমির ওপর ১৯৬১ সালে ২০ শয্যার এই বক্ষব্যাধি হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যুগের আবর্তে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হওয়ায় হাসপাতালে কোনো রোগী ভর্তি হয় না। ফলে অলস সময় পার করছেন এখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা।
ফরিদপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ আলাওল হোসেন তনু বলেন, কাউন্সিলর থাকাকালে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কয়েকবার বসে এই হাসপাতালের দুর্দশার কথা আলোচনা করেছি। কোনো সুরাহা হয়নি। বর্তমানে হাসপাতালে ডাক্তার ও নার্সদের কোনো কাজ নেই। নিয়মিত হাজিরা দিয়ে দিন পার করেন। এখানে সাধারণ চিকিৎসা সেবা চালু হলে ফরিদপুরবাসী উপকৃত হতো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বারান্দায় আসবাবপত্র ও বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী অযত্নে পড়ে রয়েছে। পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডের বেডগুলো ধুলোবালিতে নষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালের মূল ফটক দিয়ে অবাধে যাতায়াত করছে স্থানীয়রা। মাঠে প্রতিদিন ডেকোরেটরের সামিয়ানা শুকানো হচ্ছে। রাতে নিয়মিত বসে মাদকের আড্ডা। এমনকী জাতীয় পতাকা তোলার লোহার স্ট্যান্ডটিও নষ্ট হয়ে গেছে। সংস্কার না করায় বাঁশের খুঁটিতে পতাকা টানানো হয়।
সমাজকর্মী প্রবীর কান্তি বালা বলেন, ফরিদপুর বক্ষব্যাধি হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থা। সেখানে ডাক্তারসহ ১৭ জন কর্মচারী কাজ করেন অথচ কোনো রোগী নেই। অনেক হাসপাতালেই স্টাফ ঘাটতি রয়েছে। বক্ষব্যাধি থেকে প্রত্যাহার করে সেখানে তাদের দায়িত্ব দেওয়া যায়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে চিকিৎসকসহ ১৭ জন কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে দুইজন স্টাফ নার্স, একজন ওয়ার্ডবয় এবং একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে ডেপুটেশনে কর্মরত।

বক্ষব্যাধি হাসপাতালের কর্মরত ডা. মেরিনা পারভীন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, এখন এই হাসপাতালে যক্ষা রোগের চিকিৎসা নিতে আসেন না রোগীরা। তারা বাড়ি থেকেই চিকিৎসা সেবা নেন। এজন্য হাসপাতালে খুব কম রোগী ভর্তি হন।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহামুদুল হাসান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, বক্ষব্যাধি হাসপাতালটি শহরের একটু বাইরে। ফরিদপুর শহরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতাল থাকাতে ওই হাসপাতালটিতে রোগী যেতে চায় না। সরকারি সিস্টেম অনুযায়ী হাসপাতালে স্টাফ পোস্টিং আছে। রোগী না থাকায় তাদের অনেক সময় বসে থাকতে হয়। এজন্য আমরা তাদের জেনারেল হাসপাতালসহ অন্য জায়গায় কাজে লাগাচ্ছি। হাসপাতালটি সচল করার জন্য আমরা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।









