এক্সপ্লেইনার
ইরানের প্রস্তাবে আস্থা কম যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের প্রস্তাবে আস্থা কম যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭: ০০

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে ছবি: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব নিয়ে সতর্ক ও সংশয়ী অবস্থানে রয়েছে হোয়াইট হাউস।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) সেখানে জাতীয় নিরাপত্তা দলের বৈঠকে প্রস্তাবটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে চলমান সংঘাতের সম্ভাব্য পরবর্তী ধাপ নিয়েও বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখা হয়েছে, যেমন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো কিংবা ইরানে পুনরায় সামরিক হামলা।
মার্কিন প্রশাসনের দৃষ্টিতে, অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব নিয়ে স্পষ্টভাবেই সন্দিহান।
তিনি তার অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না; এখন নয়, ভবিষ্যতেও নয়। এই শর্তকে তিনি চূড়ান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। ফলে এমন কোনো সমঝোতায় যাওয়ার সম্ভাবনা কম, যা ইরানকে আপাতত পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত রাখার সুযোগ দেবে।
এছাড়া, ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে, এ বিষয়েও অবগত রয়েছেন ট্রাম্প। তার মতে, এই চাপ তেহরানের ওপর কার্যকর প্রভাব ফেলছে এবং দেশটির নেতৃত্বকে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে।
তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, আলোচনার জন্য দূত পাঠিয়ে দীর্ঘসূত্রতায় যাওয়ার চেয়ে দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব নিয়ে সতর্ক ও সংশয়ী অবস্থানে রয়েছে হোয়াইট হাউস।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) সেখানে জাতীয় নিরাপত্তা দলের বৈঠকে প্রস্তাবটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে চলমান সংঘাতের সম্ভাব্য পরবর্তী ধাপ নিয়েও বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখা হয়েছে, যেমন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো কিংবা ইরানে পুনরায় সামরিক হামলা।
মার্কিন প্রশাসনের দৃষ্টিতে, অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব নিয়ে স্পষ্টভাবেই সন্দিহান।
তিনি তার অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না; এখন নয়, ভবিষ্যতেও নয়। এই শর্তকে তিনি চূড়ান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। ফলে এমন কোনো সমঝোতায় যাওয়ার সম্ভাবনা কম, যা ইরানকে আপাতত পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত রাখার সুযোগ দেবে।
এছাড়া, ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে, এ বিষয়েও অবগত রয়েছেন ট্রাম্প। তার মতে, এই চাপ তেহরানের ওপর কার্যকর প্রভাব ফেলছে এবং দেশটির নেতৃত্বকে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে।
তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, আলোচনার জন্য দূত পাঠিয়ে দীর্ঘসূত্রতায় যাওয়ার চেয়ে দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের প্রস্তাবে আস্থা কম যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭: ০০

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে ছবি: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব নিয়ে সতর্ক ও সংশয়ী অবস্থানে রয়েছে হোয়াইট হাউস।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) সেখানে জাতীয় নিরাপত্তা দলের বৈঠকে প্রস্তাবটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে চলমান সংঘাতের সম্ভাব্য পরবর্তী ধাপ নিয়েও বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখা হয়েছে, যেমন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো কিংবা ইরানে পুনরায় সামরিক হামলা।
মার্কিন প্রশাসনের দৃষ্টিতে, অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব নিয়ে স্পষ্টভাবেই সন্দিহান।
তিনি তার অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না; এখন নয়, ভবিষ্যতেও নয়। এই শর্তকে তিনি চূড়ান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। ফলে এমন কোনো সমঝোতায় যাওয়ার সম্ভাবনা কম, যা ইরানকে আপাতত পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত রাখার সুযোগ দেবে।
এছাড়া, ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে, এ বিষয়েও অবগত রয়েছেন ট্রাম্প। তার মতে, এই চাপ তেহরানের ওপর কার্যকর প্রভাব ফেলছে এবং দেশটির নেতৃত্বকে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে।
তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, আলোচনার জন্য দূত পাঠিয়ে দীর্ঘসূত্রতায় যাওয়ার চেয়ে দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




