অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওরের ধান

অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওরের ধান
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জে অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওর অঞ্চলের বোরো ধান। দুইদিনের ভারী বৃষ্টিতে অনেক হাওরের জমির ধান তলিয়ে যায়। ফসল ঘরে তুলতে না পারায় কৃষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। বৈরী আবহাওয়া ও বজ্রপাত আতঙ্কের মধ্যে ধান কাটা শ্রমিকেরও সংকট তৈরি হয়েছে।
কৃষকেরা জানান, গত দুইদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতে অনেক এলাকায় আগাম বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে হাওরের পাশাপাশি জেলার নিম্নাঞ্চল এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের নিকলী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আক্তার ফারুক জানান, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন সোমবার ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে কিশোরগঞ্জ জেলার বেশকিছু হাওরের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক জায়গায় পানি নামেনি, বরং কোথাও কোথাও আরও বাড়ছে। অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ইটনা, মিঠামইন, নিকলী, তাড়াইল, করিমগঞ্জ ও বাজিতপুরের হাওর এলাকাতেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জমিতে পানি বেড়ে যাওয়ায় মেশিন দিয়ে ধান কাটা ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮১ হেক্টর জমিতে। এ বছর জেলায় চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৬ টন। এখন পর্যন্ত কৃষকরা হাওরাঞ্চলের ৫০ শতাংশ বোরো ধান কাটতে পেরেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, অষ্টগ্রামের খয়েরপুর-আব্দুল্লাহপুর এলাকায় খোয়াই নদীর পানি ঢুকে পাকা ধানখেত তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত হাওরাঞ্চলে প্রায় ৫০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এখনো হাওরের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে টানা বৃষ্টিতে পানি বাড়ছে। ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই কেটে ঘরে তুলতে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে কৃষকদের।
নিকলী উপজেলার হাওরের কৃষক আব্দুল হেলিম বলেন, বেশকিছু হাওরের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক ঋণ করে ধান চাষ করছেন। এসব কৃষক কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন। হঠাৎ বৃষ্টিতে আমাদের এতো ক্ষতি হবে বুঝতে পারিনি।
কৃষক জুয়েল মিয়া বলেন, ঋণ করে বোরো ধান চাষ করেছিলাম। ধানখেত পানিতে ডুবে গেছে। আমাদের ভাগ্যটাই খারাপ।
কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, হাওর এলাকায় ধান কাটা সম্পম্ন হয়েছে ৫০ শতাংশ। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে আমরা গত কয়েকদিন ধরে কৃষকদেরকে বলেছি দ্রুত ধান কাটার জন্য। আমাদের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জের নিকলী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, আগামী তিন দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

কিশোরগঞ্জে অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওর অঞ্চলের বোরো ধান। দুইদিনের ভারী বৃষ্টিতে অনেক হাওরের জমির ধান তলিয়ে যায়। ফসল ঘরে তুলতে না পারায় কৃষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। বৈরী আবহাওয়া ও বজ্রপাত আতঙ্কের মধ্যে ধান কাটা শ্রমিকেরও সংকট তৈরি হয়েছে।
কৃষকেরা জানান, গত দুইদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতে অনেক এলাকায় আগাম বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে হাওরের পাশাপাশি জেলার নিম্নাঞ্চল এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের নিকলী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আক্তার ফারুক জানান, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন সোমবার ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে কিশোরগঞ্জ জেলার বেশকিছু হাওরের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক জায়গায় পানি নামেনি, বরং কোথাও কোথাও আরও বাড়ছে। অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ইটনা, মিঠামইন, নিকলী, তাড়াইল, করিমগঞ্জ ও বাজিতপুরের হাওর এলাকাতেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জমিতে পানি বেড়ে যাওয়ায় মেশিন দিয়ে ধান কাটা ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮১ হেক্টর জমিতে। এ বছর জেলায় চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৬ টন। এখন পর্যন্ত কৃষকরা হাওরাঞ্চলের ৫০ শতাংশ বোরো ধান কাটতে পেরেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, অষ্টগ্রামের খয়েরপুর-আব্দুল্লাহপুর এলাকায় খোয়াই নদীর পানি ঢুকে পাকা ধানখেত তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত হাওরাঞ্চলে প্রায় ৫০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এখনো হাওরের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে টানা বৃষ্টিতে পানি বাড়ছে। ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই কেটে ঘরে তুলতে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে কৃষকদের।
নিকলী উপজেলার হাওরের কৃষক আব্দুল হেলিম বলেন, বেশকিছু হাওরের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক ঋণ করে ধান চাষ করছেন। এসব কৃষক কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন। হঠাৎ বৃষ্টিতে আমাদের এতো ক্ষতি হবে বুঝতে পারিনি।
কৃষক জুয়েল মিয়া বলেন, ঋণ করে বোরো ধান চাষ করেছিলাম। ধানখেত পানিতে ডুবে গেছে। আমাদের ভাগ্যটাই খারাপ।
কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, হাওর এলাকায় ধান কাটা সম্পম্ন হয়েছে ৫০ শতাংশ। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে আমরা গত কয়েকদিন ধরে কৃষকদেরকে বলেছি দ্রুত ধান কাটার জন্য। আমাদের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জের নিকলী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, আগামী তিন দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওরের ধান
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জে অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওর অঞ্চলের বোরো ধান। দুইদিনের ভারী বৃষ্টিতে অনেক হাওরের জমির ধান তলিয়ে যায়। ফসল ঘরে তুলতে না পারায় কৃষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। বৈরী আবহাওয়া ও বজ্রপাত আতঙ্কের মধ্যে ধান কাটা শ্রমিকেরও সংকট তৈরি হয়েছে।
কৃষকেরা জানান, গত দুইদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতে অনেক এলাকায় আগাম বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে হাওরের পাশাপাশি জেলার নিম্নাঞ্চল এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের নিকলী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আক্তার ফারুক জানান, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন সোমবার ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে কিশোরগঞ্জ জেলার বেশকিছু হাওরের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক জায়গায় পানি নামেনি, বরং কোথাও কোথাও আরও বাড়ছে। অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ইটনা, মিঠামইন, নিকলী, তাড়াইল, করিমগঞ্জ ও বাজিতপুরের হাওর এলাকাতেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জমিতে পানি বেড়ে যাওয়ায় মেশিন দিয়ে ধান কাটা ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮১ হেক্টর জমিতে। এ বছর জেলায় চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৬ টন। এখন পর্যন্ত কৃষকরা হাওরাঞ্চলের ৫০ শতাংশ বোরো ধান কাটতে পেরেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, অষ্টগ্রামের খয়েরপুর-আব্দুল্লাহপুর এলাকায় খোয়াই নদীর পানি ঢুকে পাকা ধানখেত তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত হাওরাঞ্চলে প্রায় ৫০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এখনো হাওরের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে টানা বৃষ্টিতে পানি বাড়ছে। ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই কেটে ঘরে তুলতে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে কৃষকদের।
নিকলী উপজেলার হাওরের কৃষক আব্দুল হেলিম বলেন, বেশকিছু হাওরের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক ঋণ করে ধান চাষ করছেন। এসব কৃষক কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন। হঠাৎ বৃষ্টিতে আমাদের এতো ক্ষতি হবে বুঝতে পারিনি।
কৃষক জুয়েল মিয়া বলেন, ঋণ করে বোরো ধান চাষ করেছিলাম। ধানখেত পানিতে ডুবে গেছে। আমাদের ভাগ্যটাই খারাপ।
কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, হাওর এলাকায় ধান কাটা সম্পম্ন হয়েছে ৫০ শতাংশ। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে আমরা গত কয়েকদিন ধরে কৃষকদেরকে বলেছি দ্রুত ধান কাটার জন্য। আমাদের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জের নিকলী আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, আগামী তিন দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।




