কাতার ও সৌদির জাহাজে ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা মিসরের

কাতার ও সৌদির জাহাজে ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা মিসরের
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালীতে কাতার ও সৌদি আরবের বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিসর। কায়রো এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক চলাচলের জন্য বড় হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। মিসরীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি বিবৃতিতে রিয়াদের আক্রান্ত তেল ট্যাংকার ও দোহার জাহাজে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেশটি।
বিবৃতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিপন্নকারী কিংবা আন্তর্জাতিক জলপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহতকারী যেকোনো কর্মকাণ্ডের প্রতি কায়রোর নীতিগত প্রত্যাখ্যানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাতার ও সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে এমন উসকানিমূলক তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিসর।
এর আগে, হরমুজ প্রণালির কাছে নিজেদের একটি জাহাজে হামলার ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানাতে দোহায় নিযুক্ত ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কাতার। দেশটি তেহরানকে অবিলম্বে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য হুমকিস্বরূপ কর্মকাণ্ড বন্ধের তাগিদ দেয়। পাশাপাশি, সৌদি আরবও কৌশলগত এ জলপথে তাদের তেল ট্যাংকারে হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে অভিযুক্ত করে বলেছে, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক নৌচলাচলকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলেছে।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি ভিন্ন দাবি করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, মার্কিন নৌবাহিনীর সহায়তায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ইরানি বাহিনীর বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় কাতারি ট্যাংকারটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজ প্রণালীতে কাতার ও সৌদি আরবের বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিসর। কায়রো এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক চলাচলের জন্য বড় হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। মিসরীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি বিবৃতিতে রিয়াদের আক্রান্ত তেল ট্যাংকার ও দোহার জাহাজে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেশটি।
বিবৃতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিপন্নকারী কিংবা আন্তর্জাতিক জলপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহতকারী যেকোনো কর্মকাণ্ডের প্রতি কায়রোর নীতিগত প্রত্যাখ্যানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাতার ও সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে এমন উসকানিমূলক তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিসর।
এর আগে, হরমুজ প্রণালির কাছে নিজেদের একটি জাহাজে হামলার ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানাতে দোহায় নিযুক্ত ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কাতার। দেশটি তেহরানকে অবিলম্বে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য হুমকিস্বরূপ কর্মকাণ্ড বন্ধের তাগিদ দেয়। পাশাপাশি, সৌদি আরবও কৌশলগত এ জলপথে তাদের তেল ট্যাংকারে হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে অভিযুক্ত করে বলেছে, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক নৌচলাচলকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলেছে।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি ভিন্ন দাবি করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, মার্কিন নৌবাহিনীর সহায়তায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ইরানি বাহিনীর বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় কাতারি ট্যাংকারটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কাতার ও সৌদির জাহাজে ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা মিসরের
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালীতে কাতার ও সৌদি আরবের বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিসর। কায়রো এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক চলাচলের জন্য বড় হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। মিসরীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি বিবৃতিতে রিয়াদের আক্রান্ত তেল ট্যাংকার ও দোহার জাহাজে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেশটি।
বিবৃতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিপন্নকারী কিংবা আন্তর্জাতিক জলপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহতকারী যেকোনো কর্মকাণ্ডের প্রতি কায়রোর নীতিগত প্রত্যাখ্যানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাতার ও সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে এমন উসকানিমূলক তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিসর।
এর আগে, হরমুজ প্রণালির কাছে নিজেদের একটি জাহাজে হামলার ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানাতে দোহায় নিযুক্ত ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কাতার। দেশটি তেহরানকে অবিলম্বে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য হুমকিস্বরূপ কর্মকাণ্ড বন্ধের তাগিদ দেয়। পাশাপাশি, সৌদি আরবও কৌশলগত এ জলপথে তাদের তেল ট্যাংকারে হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে অভিযুক্ত করে বলেছে, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক নৌচলাচলকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলেছে।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি ভিন্ন দাবি করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, মার্কিন নৌবাহিনীর সহায়তায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ইরানি বাহিনীর বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় কাতারি ট্যাংকারটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরানের ৯০টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের


