কারখানা পরিদর্শনের নামে বিদেশ ভ্রমণ, লাগাম টানছে সরকার

কারখানা পরিদর্শনের নামে বিদেশ ভ্রমণ, লাগাম টানছে সরকার
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে জাহাজিকরণ-পূর্ব নিরীক্ষণ / ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপট্যান্স টেস্টসহ চারটি ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে নানা অজুহাতে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে মনে করনে সংশ্লিষ্টরা।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব জাকির হোসেনের সই করা‘২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের কতিপয় ব্যয় স্থগিত/হ্রাসকরণ’ শীর্ষক এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সকল সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ, পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে কতিপয় খাতে বরাদ্দ দেওয়া অর্থ ব্যয়ে সরকার নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে;
১. বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা/বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠান/দেশ কর্তৃক প্রদত্ত স্কলারশিপ/ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি কোর্সে অধ্যয়নের জন্য বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে।
২. বিদেশি সরকার/প্রতিষ্ঠান/উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে আয়োজিত বৈদেশিক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে।
৩. প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কর্তৃক প্রদত্ত মৌলিক ও আবশ্যিক প্রশিক্ষণের বৈদেশিক অংশ উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠানে আয়োজনের জন্য ভ্রমণ করা যাবে।
৪. জাহাজিকরণ-পূর্ব নিরীক্ষণ (প্রি শিপমেন্ট ইনস্পেকশন)/ ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপট্যান্স টেস্টের ক্ষেত্রে কেবল জটিল প্রকৃতির পণ্য এবং পিএসআই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক রয়েছে এমন পণ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বা কারিগরিভাবে সার্টিফাইড কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণ বিবেচনা করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তবে সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ/সেমিনার/সিম্পোজিয়াম/ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, অন্যান্য প্রতিটি ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে জাহাজিকরণ-পূর্ব নিরীক্ষণ / ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপট্যান্স টেস্টসহ চারটি ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে নানা অজুহাতে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে মনে করনে সংশ্লিষ্টরা।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব জাকির হোসেনের সই করা‘২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের কতিপয় ব্যয় স্থগিত/হ্রাসকরণ’ শীর্ষক এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সকল সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ, পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে কতিপয় খাতে বরাদ্দ দেওয়া অর্থ ব্যয়ে সরকার নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে;
১. বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা/বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠান/দেশ কর্তৃক প্রদত্ত স্কলারশিপ/ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি কোর্সে অধ্যয়নের জন্য বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে।
২. বিদেশি সরকার/প্রতিষ্ঠান/উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে আয়োজিত বৈদেশিক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে।
৩. প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কর্তৃক প্রদত্ত মৌলিক ও আবশ্যিক প্রশিক্ষণের বৈদেশিক অংশ উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠানে আয়োজনের জন্য ভ্রমণ করা যাবে।
৪. জাহাজিকরণ-পূর্ব নিরীক্ষণ (প্রি শিপমেন্ট ইনস্পেকশন)/ ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপট্যান্স টেস্টের ক্ষেত্রে কেবল জটিল প্রকৃতির পণ্য এবং পিএসআই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক রয়েছে এমন পণ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বা কারিগরিভাবে সার্টিফাইড কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণ বিবেচনা করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তবে সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ/সেমিনার/সিম্পোজিয়াম/ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, অন্যান্য প্রতিটি ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

কারখানা পরিদর্শনের নামে বিদেশ ভ্রমণ, লাগাম টানছে সরকার
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে জাহাজিকরণ-পূর্ব নিরীক্ষণ / ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপট্যান্স টেস্টসহ চারটি ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে নানা অজুহাতে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে মনে করনে সংশ্লিষ্টরা।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব জাকির হোসেনের সই করা‘২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের কতিপয় ব্যয় স্থগিত/হ্রাসকরণ’ শীর্ষক এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সকল সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ, পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে কতিপয় খাতে বরাদ্দ দেওয়া অর্থ ব্যয়ে সরকার নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে;
১. বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা/বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠান/দেশ কর্তৃক প্রদত্ত স্কলারশিপ/ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি কোর্সে অধ্যয়নের জন্য বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে।
২. বিদেশি সরকার/প্রতিষ্ঠান/উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে আয়োজিত বৈদেশিক প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে।
৩. প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কর্তৃক প্রদত্ত মৌলিক ও আবশ্যিক প্রশিক্ষণের বৈদেশিক অংশ উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠানে আয়োজনের জন্য ভ্রমণ করা যাবে।
৪. জাহাজিকরণ-পূর্ব নিরীক্ষণ (প্রি শিপমেন্ট ইনস্পেকশন)/ ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপট্যান্স টেস্টের ক্ষেত্রে কেবল জটিল প্রকৃতির পণ্য এবং পিএসআই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক রয়েছে এমন পণ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বা কারিগরিভাবে সার্টিফাইড কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণ বিবেচনা করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তবে সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ/সেমিনার/সিম্পোজিয়াম/ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, অন্যান্য প্রতিটি ব্যয়ের ক্ষেত্রে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।




