হরমুজ প্রণালিতে আমিরাতের ট্যাংকারে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে আমিরাতের ট্যাংকারে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৯: ৪২

হরমুজ প্রণালিতে মহড়া দিচ্ছে ইরানের ছোট সামরিক যান। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি তেল ট্যাংকারে ক্ষেপনাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ২৮১৭-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ওই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু না করা ও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ অবরুদ্ধ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং হরমুজ প্রণালিকে অর্থনৈতিক চাপ বা ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা মূলত ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জলদস্যুতার শামিল। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্যও সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করে।
এ পরিস্থিতিতে ইরানকে অবিলম্বে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে আমিরাত। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনর্বহাল এবং কোনো শর্ত ছাড়াই পথটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ স্থানীয় সূত্রের বরাতে দাবি করে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সতর্কবার্তা অমান্য করার পর জাস্ক দ্বীপের নিকটে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
তবে এ দাবিকে সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে মার্কিন বাহিনী ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর আওতায় ইরানের বিভিন্ন বন্দর এলাকায় নৌ-অবরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক পথ। এ অঞ্চলে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা।

হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি তেল ট্যাংকারে ক্ষেপনাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ২৮১৭-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ওই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু না করা ও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ অবরুদ্ধ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং হরমুজ প্রণালিকে অর্থনৈতিক চাপ বা ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা মূলত ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জলদস্যুতার শামিল। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্যও সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করে।
এ পরিস্থিতিতে ইরানকে অবিলম্বে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে আমিরাত। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনর্বহাল এবং কোনো শর্ত ছাড়াই পথটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ স্থানীয় সূত্রের বরাতে দাবি করে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সতর্কবার্তা অমান্য করার পর জাস্ক দ্বীপের নিকটে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
তবে এ দাবিকে সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে মার্কিন বাহিনী ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর আওতায় ইরানের বিভিন্ন বন্দর এলাকায় নৌ-অবরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক পথ। এ অঞ্চলে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা।

হরমুজ প্রণালিতে আমিরাতের ট্যাংকারে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৯: ৪২

হরমুজ প্রণালিতে মহড়া দিচ্ছে ইরানের ছোট সামরিক যান। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি তেল ট্যাংকারে ক্ষেপনাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ২৮১৭-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ওই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু না করা ও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ অবরুদ্ধ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং হরমুজ প্রণালিকে অর্থনৈতিক চাপ বা ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা মূলত ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জলদস্যুতার শামিল। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্যও সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করে।
এ পরিস্থিতিতে ইরানকে অবিলম্বে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে আমিরাত। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনর্বহাল এবং কোনো শর্ত ছাড়াই পথটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ স্থানীয় সূত্রের বরাতে দাবি করে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সতর্কবার্তা অমান্য করার পর জাস্ক দ্বীপের নিকটে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
তবে এ দাবিকে সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে মার্কিন বাহিনী ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর আওতায় ইরানের বিভিন্ন বন্দর এলাকায় নৌ-অবরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক পথ। এ অঞ্চলে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা।
/এমআর/




