সরকারি কর্মচারীদের জন্য আসছে সুখবর
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্মচারীদের জন্য আসছে সুখবর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৭: ৪২

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাদের জন্য যে নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ করা হয়েছিল তা আংশিক বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে বিষয়টি কার্যকর হতে পারে।
নতুন সুপারিশ অনুযায়ী, প্রথম অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ও পরের ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশসম্বলিত প্রতিবেদন জমা দেয়। তখন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছিল, ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ অবসর ভাতা ভোগীদের জন্য সরকারের বর্তমান ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে প্রয়োজন হতে পারে আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।
বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও বেতন কমিটির প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে। তিনটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরির জন্য বিএনপি সরকার গত মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে। এই কমিটিই তিন ধাপে বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে।
সূত্র জানায়, বাড়তি অর্থ তিন ধাপে ব্যয় করা হবে। প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাস্তবায়নে বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হতে পারে।
প্রস্তাবিত কাঠামোয় ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ রয়েছে। তবে গ্রেড রাখা হয়েছে আগের মতো ২০টি। সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও এক দফা সময় বাড়ানো হয়। নির্ধারিত শেষ সময় ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি, তবে তার তিন সপ্তাহ আগেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
জানা গেছে, প্রতিবেদন তৈরিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য, পুঞ্জীভূত মূল্যস্ফীতি, প্রতিবেশী দেশের বেতন-ভাতা, বেসরকারি খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং জীবনমানের বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
মূল বেতন বাড়লে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে। বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। যাতায়াত ভাতা ১১তম থেকে ২০তম ধাপের পরিবর্তে ১০ম থেকে ২০তম ধাপ পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
উচ্চ বেতনের প্রথম থেকে দশম ধাপের চাকরিজীবীদের বাড়িভাড়া তুলনামূলক কম এবং ১১তম থেকে ২০তম ধাপে বেশি হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাদের জন্য যে নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ করা হয়েছিল তা আংশিক বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে বিষয়টি কার্যকর হতে পারে।
নতুন সুপারিশ অনুযায়ী, প্রথম অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ও পরের ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশসম্বলিত প্রতিবেদন জমা দেয়। তখন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছিল, ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ অবসর ভাতা ভোগীদের জন্য সরকারের বর্তমান ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে প্রয়োজন হতে পারে আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।
বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও বেতন কমিটির প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে। তিনটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরির জন্য বিএনপি সরকার গত মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে। এই কমিটিই তিন ধাপে বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে।
সূত্র জানায়, বাড়তি অর্থ তিন ধাপে ব্যয় করা হবে। প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাস্তবায়নে বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হতে পারে।
প্রস্তাবিত কাঠামোয় ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ রয়েছে। তবে গ্রেড রাখা হয়েছে আগের মতো ২০টি। সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও এক দফা সময় বাড়ানো হয়। নির্ধারিত শেষ সময় ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি, তবে তার তিন সপ্তাহ আগেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
জানা গেছে, প্রতিবেদন তৈরিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য, পুঞ্জীভূত মূল্যস্ফীতি, প্রতিবেশী দেশের বেতন-ভাতা, বেসরকারি খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং জীবনমানের বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
মূল বেতন বাড়লে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে। বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। যাতায়াত ভাতা ১১তম থেকে ২০তম ধাপের পরিবর্তে ১০ম থেকে ২০তম ধাপ পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
উচ্চ বেতনের প্রথম থেকে দশম ধাপের চাকরিজীবীদের বাড়িভাড়া তুলনামূলক কম এবং ১১তম থেকে ২০তম ধাপে বেশি হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য আসছে সুখবর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৭: ৪২

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাদের জন্য যে নতুন বেতনকাঠামোর সুপারিশ করা হয়েছিল তা আংশিক বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে বিষয়টি কার্যকর হতে পারে।
নতুন সুপারিশ অনুযায়ী, প্রথম অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ও পরের ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশসম্বলিত প্রতিবেদন জমা দেয়। তখন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছিল, ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ অবসর ভাতা ভোগীদের জন্য সরকারের বর্তমান ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে প্রয়োজন হতে পারে আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।
বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও বেতন কমিটির প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে। তিনটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরির জন্য বিএনপি সরকার গত মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে। এই কমিটিই তিন ধাপে বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে।
সূত্র জানায়, বাড়তি অর্থ তিন ধাপে ব্যয় করা হবে। প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাস্তবায়নে বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হতে পারে।
প্রস্তাবিত কাঠামোয় ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ রয়েছে। তবে গ্রেড রাখা হয়েছে আগের মতো ২০টি। সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও এক দফা সময় বাড়ানো হয়। নির্ধারিত শেষ সময় ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি, তবে তার তিন সপ্তাহ আগেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
জানা গেছে, প্রতিবেদন তৈরিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য, পুঞ্জীভূত মূল্যস্ফীতি, প্রতিবেশী দেশের বেতন-ভাতা, বেসরকারি খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং জীবনমানের বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
মূল বেতন বাড়লে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে। বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। যাতায়াত ভাতা ১১তম থেকে ২০তম ধাপের পরিবর্তে ১০ম থেকে ২০তম ধাপ পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
উচ্চ বেতনের প্রথম থেকে দশম ধাপের চাকরিজীবীদের বাড়িভাড়া তুলনামূলক কম এবং ১১তম থেকে ২০তম ধাপে বেশি হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
/বিবি/



