যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, দিশেহারা সাধারণ মানুষ

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, দিশেহারা সাধারণ মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ইরানের অর্থনীতিতে। যুদ্ধ পরিস্থিতি আর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে বিপর্যস্ত দেশটির সাধারণ মানুষ। আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির কারণে প্রতিদিনের চাল-ডাল আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেই নাভিশ্বাস উঠছে ইরানিদের।
রাজধানী তেহরানের ২৬ বছর বয়সী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সাইদের গল্পটাও আলাদা কিছু নয়। মাস শেষে যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমানের বাজারদর সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভালো আয়ের আশায় চাকরি বদলানোর চেষ্টা করলেও চাকরির বাজারের অবস্থা হতাশাজনক। তিনি জানান, বর্তমানে শিক্ষাকতা, ক্যাশিয়ার বা বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করে মাসে আয় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইরানি রিয়াল, যা ডলারের হিসাবে ১০৭ ডলারের মতো। আর বাংলাদেশি টাকায় হিসাব করলে তা ১৫ হাজার টাকারও কম। কিছু ক্ষেত্রে বেতন ৮৮ ডলারে নেমে আসে। ফলে নতুন কাজের খোঁজে বের হওয়াটাকেও এখন ইরানের তরুণদের কাছে অর্থহীন মনে হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য বলছে, দেশটির একজন সাধারণ কর্মীর মাসের পুরো আয় ও সরকারি সহায়তার যৌথ হিসাব করলেও ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে। উদাহরণ হিসেবে, বাজার থেকে মাত্র ১ কেজি ভেড়ার মাংস কিনতেই একজন কর্মীর মাসের আয়ের ১০ শতাংশ চলে যায়। আর ১০ কেজি ইরানি চাল কিনতেই শেষ হয়ে যায় আয়ের এক-পঞ্চমাংশ।
খাবারের দামের পাশাপাশি চাপ বাড়াচ্ছে বাসা ভাড়া। প্রতিনিয়ত বাসা ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ, গ্যাস, যাতায়াত এবং চিকিৎসার বাড়তি খরচ মেটাতে গিয়ে ইরানের বাসিন্দাদের চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ইরানের অর্থনীতিতে। যুদ্ধ পরিস্থিতি আর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে বিপর্যস্ত দেশটির সাধারণ মানুষ। আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির কারণে প্রতিদিনের চাল-ডাল আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেই নাভিশ্বাস উঠছে ইরানিদের।
রাজধানী তেহরানের ২৬ বছর বয়সী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সাইদের গল্পটাও আলাদা কিছু নয়। মাস শেষে যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমানের বাজারদর সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভালো আয়ের আশায় চাকরি বদলানোর চেষ্টা করলেও চাকরির বাজারের অবস্থা হতাশাজনক। তিনি জানান, বর্তমানে শিক্ষাকতা, ক্যাশিয়ার বা বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করে মাসে আয় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইরানি রিয়াল, যা ডলারের হিসাবে ১০৭ ডলারের মতো। আর বাংলাদেশি টাকায় হিসাব করলে তা ১৫ হাজার টাকারও কম। কিছু ক্ষেত্রে বেতন ৮৮ ডলারে নেমে আসে। ফলে নতুন কাজের খোঁজে বের হওয়াটাকেও এখন ইরানের তরুণদের কাছে অর্থহীন মনে হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য বলছে, দেশটির একজন সাধারণ কর্মীর মাসের পুরো আয় ও সরকারি সহায়তার যৌথ হিসাব করলেও ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে। উদাহরণ হিসেবে, বাজার থেকে মাত্র ১ কেজি ভেড়ার মাংস কিনতেই একজন কর্মীর মাসের আয়ের ১০ শতাংশ চলে যায়। আর ১০ কেজি ইরানি চাল কিনতেই শেষ হয়ে যায় আয়ের এক-পঞ্চমাংশ।
খাবারের দামের পাশাপাশি চাপ বাড়াচ্ছে বাসা ভাড়া। প্রতিনিয়ত বাসা ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ, গ্যাস, যাতায়াত এবং চিকিৎসার বাড়তি খরচ মেটাতে গিয়ে ইরানের বাসিন্দাদের চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, দিশেহারা সাধারণ মানুষ
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ইরানের অর্থনীতিতে। যুদ্ধ পরিস্থিতি আর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে বিপর্যস্ত দেশটির সাধারণ মানুষ। আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির কারণে প্রতিদিনের চাল-ডাল আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেই নাভিশ্বাস উঠছে ইরানিদের।
রাজধানী তেহরানের ২৬ বছর বয়সী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সাইদের গল্পটাও আলাদা কিছু নয়। মাস শেষে যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমানের বাজারদর সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভালো আয়ের আশায় চাকরি বদলানোর চেষ্টা করলেও চাকরির বাজারের অবস্থা হতাশাজনক। তিনি জানান, বর্তমানে শিক্ষাকতা, ক্যাশিয়ার বা বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করে মাসে আয় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইরানি রিয়াল, যা ডলারের হিসাবে ১০৭ ডলারের মতো। আর বাংলাদেশি টাকায় হিসাব করলে তা ১৫ হাজার টাকারও কম। কিছু ক্ষেত্রে বেতন ৮৮ ডলারে নেমে আসে। ফলে নতুন কাজের খোঁজে বের হওয়াটাকেও এখন ইরানের তরুণদের কাছে অর্থহীন মনে হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য বলছে, দেশটির একজন সাধারণ কর্মীর মাসের পুরো আয় ও সরকারি সহায়তার যৌথ হিসাব করলেও ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে। উদাহরণ হিসেবে, বাজার থেকে মাত্র ১ কেজি ভেড়ার মাংস কিনতেই একজন কর্মীর মাসের আয়ের ১০ শতাংশ চলে যায়। আর ১০ কেজি ইরানি চাল কিনতেই শেষ হয়ে যায় আয়ের এক-পঞ্চমাংশ।
খাবারের দামের পাশাপাশি চাপ বাড়াচ্ছে বাসা ভাড়া। প্রতিনিয়ত বাসা ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ, গ্যাস, যাতায়াত এবং চিকিৎসার বাড়তি খরচ মেটাতে গিয়ে ইরানের বাসিন্দাদের চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পের পা ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাপ্রধানের




