বাংলাদেশের ডারউইন জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ, পার্শ্বনায়ক কারা?

বাংলাদেশের ডারউইন জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ, পার্শ্বনায়ক কারা?
রুবেল আবিদ

ডারউইন, অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরির রাজধানী এবং অঞ্চলটির সবচেয়ে বড় শহর। আজ রোববার ১৬ আগস্টের আগে বাংলাদেশের মানুষের কাছে এ শহরটির আলাদা কোনো মাহাত্ম্য ছিল না। তবে অস্ট্রেলিয়ার এ শহর এখন থেকে বাংলাদেশের মানুষের মনে স্থায়ীভাবে গেঁথে থাকবে। বিশেষ করে এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।
এই যে ডারউইন এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নেবে, সেই বীজ রোপণ করেছেন কে বা কারা? প্রথমত ডারউইন শহরটির সঙ্গে মিশে থাকবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রথম টেস্টটি। যেটি শুরু হয়েছে ১৩ আগস্ট, বাংলাদেশের ৯ উইকেটের জয়ে শেষ হয়েছে ১৬ আগস্ট।
ম্যাচটির স্কোরবোর্ডে তাকালে ডারউইনে বাংলাদেশের বীজ রোপণ করার কারিগর মনে হবে পেসার হাসান মাহমুদকে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন যে তিনিই। মানে বলতে পারেন, বাংলাদেশের ডারউইন জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ।
কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কবে কোথায় শুধুই কারও একক নৈপূন্যে জিতেছে! বাংলাদেশ দল তো সব সময়ই ‘দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ’ নীতিতে পথ চলেছে। এভাবেই তো এসেছে দেশের মানুষকে তুমুল আনন্দে ভাসানো বাংলাদেশের বেশির ভাগ জয়। মানে বাংলাদেশের জয়ে সব সময়ই থাকে একাধিক নায়ক, এর সঙ্গে কয়েকজন পার্শ্বনায়কও।
ডারউইন টেস্ট জয়ের কথাই ধরুন, এখানে কাগজে-কলমে নায়ক হাসান মাহমুদ। বলা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে নেওয়া তার ৬ উইকেটই ঠিক করে দিয়েছে ম্যাচের গতিপথ। এ ছাড়া ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তিনি ১৪ রান নিতে যে ৯২টি বল খেলেছেন, সেটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আবার অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই তিনি ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বাকি বোলারদের কাজটা সহজ করে দেন।

কিন্তু একবার ভেবে দেখুন, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম যদি সেঞ্চুরি না করতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডের চিত্রটা কেমন হতো! প্রথম ইনিংসেই বাংলাদেশ যখন ৩০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে, তখন মেহেদী হাসান মিরাজ যদি দৃশ্যপটে হাজির না হতেন, কোন পথে যেত বাংলাদেশের ব্যাটিং? লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সঙ্গী করে ১৫৪ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে মিরাজই তো ইনিংসটা ৪২৬-এ নিয়ে গেছেন। তার আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত খেলেছেন ১২৬ বলে ৮৪ রানের ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে যখন থিতু হয়ে আসে, আসল কাজটি তো আবার মিরাজই করে দেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ‘বল ঘোরে না’ বদনাম সঙ্গী করে এগিয়ে যাওয়া মিরাজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট। স্বাগতিকদের ২৮৪ রানে গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছে এটাই।

সবার সব পারফরম্যান্স ছাপিয়ে ডারউইনে কখনো কখনো বড় হয়ে উঠেছে নাজমুলের নেতৃত্ব। বোলিং পরিবর্তন, ফিল্ডিং সাজানো–সবকিছুতেই দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটারা তো সরাসরিই নাজমুলের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
সব মিলিয়ে হাসান মাহমুদকে ডারউইন টেস্ট জয়ের নায়ক বললে পার্শ্বনায়ক বলতে হবে শান্ত, মিরাজ, তানজিদকে। আর শান্তর অসাধারণ নেতৃত্ব? এটাকে বলতে পারেন এক্স–ফ্যাক্টর!

ডারউইন, অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরির রাজধানী এবং অঞ্চলটির সবচেয়ে বড় শহর। আজ রোববার ১৬ আগস্টের আগে বাংলাদেশের মানুষের কাছে এ শহরটির আলাদা কোনো মাহাত্ম্য ছিল না। তবে অস্ট্রেলিয়ার এ শহর এখন থেকে বাংলাদেশের মানুষের মনে স্থায়ীভাবে গেঁথে থাকবে। বিশেষ করে এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।
এই যে ডারউইন এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নেবে, সেই বীজ রোপণ করেছেন কে বা কারা? প্রথমত ডারউইন শহরটির সঙ্গে মিশে থাকবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রথম টেস্টটি। যেটি শুরু হয়েছে ১৩ আগস্ট, বাংলাদেশের ৯ উইকেটের জয়ে শেষ হয়েছে ১৬ আগস্ট।
ম্যাচটির স্কোরবোর্ডে তাকালে ডারউইনে বাংলাদেশের বীজ রোপণ করার কারিগর মনে হবে পেসার হাসান মাহমুদকে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন যে তিনিই। মানে বলতে পারেন, বাংলাদেশের ডারউইন জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ।
কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কবে কোথায় শুধুই কারও একক নৈপূন্যে জিতেছে! বাংলাদেশ দল তো সব সময়ই ‘দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ’ নীতিতে পথ চলেছে। এভাবেই তো এসেছে দেশের মানুষকে তুমুল আনন্দে ভাসানো বাংলাদেশের বেশির ভাগ জয়। মানে বাংলাদেশের জয়ে সব সময়ই থাকে একাধিক নায়ক, এর সঙ্গে কয়েকজন পার্শ্বনায়কও।
ডারউইন টেস্ট জয়ের কথাই ধরুন, এখানে কাগজে-কলমে নায়ক হাসান মাহমুদ। বলা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে নেওয়া তার ৬ উইকেটই ঠিক করে দিয়েছে ম্যাচের গতিপথ। এ ছাড়া ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তিনি ১৪ রান নিতে যে ৯২টি বল খেলেছেন, সেটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আবার অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই তিনি ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বাকি বোলারদের কাজটা সহজ করে দেন।

কিন্তু একবার ভেবে দেখুন, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম যদি সেঞ্চুরি না করতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডের চিত্রটা কেমন হতো! প্রথম ইনিংসেই বাংলাদেশ যখন ৩০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে, তখন মেহেদী হাসান মিরাজ যদি দৃশ্যপটে হাজির না হতেন, কোন পথে যেত বাংলাদেশের ব্যাটিং? লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সঙ্গী করে ১৫৪ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে মিরাজই তো ইনিংসটা ৪২৬-এ নিয়ে গেছেন। তার আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত খেলেছেন ১২৬ বলে ৮৪ রানের ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে যখন থিতু হয়ে আসে, আসল কাজটি তো আবার মিরাজই করে দেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ‘বল ঘোরে না’ বদনাম সঙ্গী করে এগিয়ে যাওয়া মিরাজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট। স্বাগতিকদের ২৮৪ রানে গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছে এটাই।

সবার সব পারফরম্যান্স ছাপিয়ে ডারউইনে কখনো কখনো বড় হয়ে উঠেছে নাজমুলের নেতৃত্ব। বোলিং পরিবর্তন, ফিল্ডিং সাজানো–সবকিছুতেই দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটারা তো সরাসরিই নাজমুলের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
সব মিলিয়ে হাসান মাহমুদকে ডারউইন টেস্ট জয়ের নায়ক বললে পার্শ্বনায়ক বলতে হবে শান্ত, মিরাজ, তানজিদকে। আর শান্তর অসাধারণ নেতৃত্ব? এটাকে বলতে পারেন এক্স–ফ্যাক্টর!

বাংলাদেশের ডারউইন জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ, পার্শ্বনায়ক কারা?
রুবেল আবিদ

ডারউইন, অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরির রাজধানী এবং অঞ্চলটির সবচেয়ে বড় শহর। আজ রোববার ১৬ আগস্টের আগে বাংলাদেশের মানুষের কাছে এ শহরটির আলাদা কোনো মাহাত্ম্য ছিল না। তবে অস্ট্রেলিয়ার এ শহর এখন থেকে বাংলাদেশের মানুষের মনে স্থায়ীভাবে গেঁথে থাকবে। বিশেষ করে এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।
এই যে ডারউইন এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নেবে, সেই বীজ রোপণ করেছেন কে বা কারা? প্রথমত ডারউইন শহরটির সঙ্গে মিশে থাকবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রথম টেস্টটি। যেটি শুরু হয়েছে ১৩ আগস্ট, বাংলাদেশের ৯ উইকেটের জয়ে শেষ হয়েছে ১৬ আগস্ট।
ম্যাচটির স্কোরবোর্ডে তাকালে ডারউইনে বাংলাদেশের বীজ রোপণ করার কারিগর মনে হবে পেসার হাসান মাহমুদকে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন যে তিনিই। মানে বলতে পারেন, বাংলাদেশের ডারউইন জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ।
কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কবে কোথায় শুধুই কারও একক নৈপূন্যে জিতেছে! বাংলাদেশ দল তো সব সময়ই ‘দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ’ নীতিতে পথ চলেছে। এভাবেই তো এসেছে দেশের মানুষকে তুমুল আনন্দে ভাসানো বাংলাদেশের বেশির ভাগ জয়। মানে বাংলাদেশের জয়ে সব সময়ই থাকে একাধিক নায়ক, এর সঙ্গে কয়েকজন পার্শ্বনায়কও।
ডারউইন টেস্ট জয়ের কথাই ধরুন, এখানে কাগজে-কলমে নায়ক হাসান মাহমুদ। বলা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে নেওয়া তার ৬ উইকেটই ঠিক করে দিয়েছে ম্যাচের গতিপথ। এ ছাড়া ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তিনি ১৪ রান নিতে যে ৯২টি বল খেলেছেন, সেটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আবার অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই তিনি ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বাকি বোলারদের কাজটা সহজ করে দেন।

কিন্তু একবার ভেবে দেখুন, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম যদি সেঞ্চুরি না করতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডের চিত্রটা কেমন হতো! প্রথম ইনিংসেই বাংলাদেশ যখন ৩০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে, তখন মেহেদী হাসান মিরাজ যদি দৃশ্যপটে হাজির না হতেন, কোন পথে যেত বাংলাদেশের ব্যাটিং? লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সঙ্গী করে ১৫৪ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে মিরাজই তো ইনিংসটা ৪২৬-এ নিয়ে গেছেন। তার আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত খেলেছেন ১২৬ বলে ৮৪ রানের ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে যখন থিতু হয়ে আসে, আসল কাজটি তো আবার মিরাজই করে দেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ‘বল ঘোরে না’ বদনাম সঙ্গী করে এগিয়ে যাওয়া মিরাজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট। স্বাগতিকদের ২৮৪ রানে গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছে এটাই।

সবার সব পারফরম্যান্স ছাপিয়ে ডারউইনে কখনো কখনো বড় হয়ে উঠেছে নাজমুলের নেতৃত্ব। বোলিং পরিবর্তন, ফিল্ডিং সাজানো–সবকিছুতেই দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটারা তো সরাসরিই নাজমুলের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
সব মিলিয়ে হাসান মাহমুদকে ডারউইন টেস্ট জয়ের নায়ক বললে পার্শ্বনায়ক বলতে হবে শান্ত, মিরাজ, তানজিদকে। আর শান্তর অসাধারণ নেতৃত্ব? এটাকে বলতে পারেন এক্স–ফ্যাক্টর!

‘বাহ্, বাংলাদেশ’, ক্রিকেটবিশ্বে শান্ত-মিরাজদের জয়জয়কার






