ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নির্মাণ তৎপরতা, হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নির্মাণ তৎপরতা, হামলার হুমকি ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন কেন্দ্রে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। গত ছয় বছরের উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রটিতে সম্প্রতি নির্মাণ কার্যক্রম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। তেহরান থেকে প্রায় ১৪০ মাইল দক্ষিণে নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত পাহাড়টি সামরিক গোয়েন্দাদের গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ড্রোন ও স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা সংস্থা সিএসআইএস জানিয়েছে, চলতি বছরে এ স্থাপনার সুরক্ষায় ও অভ্যন্তরীণ কাঠামো তৈরিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
ট্রাম্পের হুমকি ও গ্রানাইটের দেয়াল
ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যে ইঙ্গিত মিলছে, ইরান তাদের উন্নত সেন্ট্রিফিউজগুলো এ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পরই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা খুব শীঘ্রই পিকঅ্যাক্সে অভিযান চালাতে পারি।’ একই সঙ্গে ট্রাম্প যোগ করেন, ‘ওই স্থানে যারা কাজ করছে, তাদের সবাইকে আমরা চিনি।’
তবে পেন্টাগনের সামরিক বিশেষজ্ঞদের কাছে এ মাউন্টেন ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। সুবিশাল গ্রানাইট পাথরের নিচে অবস্থিত কেন্দ্রটি মার্কিন অস্ত্রাগারের সবচেয়ে শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বাঙ্কার-ভেদী বোমা ‘ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর’ (এমওপি)-র আঘাতেও অক্ষত থেকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন সেনাদের গোপন মহড়া
ইরানের এ দুর্গ ধ্বংস করতে নতুন কৌশল সাজাচ্ছে ওয়াশিংটন। অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর ঠিক চার দিন আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা হুমকি হ্রাস সংস্থা (ডিটিআরএ) নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস মিসাইল রেঞ্জে ১.২ মিলিয়ন ডলারের একটি জরুরি চুক্তি অনুমোদন করে।
র্যাপিড টেস্ট প্রিপ নামের এ প্রকল্পে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সরাসরি গোলার আঘাত পরীক্ষার উপযোগী বিশেষ ভূগর্ভস্থ গবেষণাগার মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে জানা গেছে, ইরানের সবচেয়ে গভীরে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে নিখুঁত হামলা চালানোর মহড়া হিসেবেই মূলত ওয়াশিংটন এ আয়োজন করেছিল।
‘মিডনাইট হ্যামার’ থেকে নতুন প্রজন্মের বোমা
ভূগর্ভস্থ দুর্গে মার্কিন বাহিনীর আঘাত হানার চেষ্টা এবারই প্রথম নয়। ২০২৫ সালের জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানের মাধ্যমে বেশ কিছু ইরানি পারমাণবিক কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানো হয়। কিন্তু মাটির গভীরে অবস্থিত ইসফাহানের সুড়ঙ্গগুলোর কেবল প্রবেশপথই বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল, ভেতরের অবকাঠামো ধ্বংস করা যায়নি। বর্তমান বাঙ্কার-বাস্টার বোমার সীমাবদ্ধতা অনুধাবন করে মার্কিন বিমান বাহিনী ইতোমধ্যেই পরবর্তী প্রজন্মের পেনিট্রেটর নামের আরও বিধ্বংসী ও গভীরগামী বোমার প্রোটোটাইপ তৈরির কাজ শুরু করেছে।
পিকঅ্যাক্সে মাউন্টেনে এখন কী ঘটছে
উপগ্রহ চিত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পিক্যাক্স মাউন্টেনে ব্যাপক সড়ক নির্মাণ ও সুড়ঙ্গ মজবুত করার কাজ চলেছে। প্রাথমিক পাথর খনন শেষ করে এখন তারা সুড়ঙ্গের ভেতরের পরিকাঠামো তৈরি, প্রবেশপথ উঁচু ও মজবুত করা এবং ভেতরের রাস্তা পাকা করার কাজ করছে। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ মহলে এ স্থাপনায় চূড়ান্ত হামলার কৌশল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সিএসআইএস বিশ্লেষকদের মতে, স্থানটি এখনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত না হলেও, খুব দ্রুতই এটিকে সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন বা ইউরেনিয়াম রূপান্তরের সুরক্ষিত ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা চলছে।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন কেন্দ্রে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। গত ছয় বছরের উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রটিতে সম্প্রতি নির্মাণ কার্যক্রম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। তেহরান থেকে প্রায় ১৪০ মাইল দক্ষিণে নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত পাহাড়টি সামরিক গোয়েন্দাদের গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ড্রোন ও স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা সংস্থা সিএসআইএস জানিয়েছে, চলতি বছরে এ স্থাপনার সুরক্ষায় ও অভ্যন্তরীণ কাঠামো তৈরিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
ট্রাম্পের হুমকি ও গ্রানাইটের দেয়াল
ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যে ইঙ্গিত মিলছে, ইরান তাদের উন্নত সেন্ট্রিফিউজগুলো এ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পরই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা খুব শীঘ্রই পিকঅ্যাক্সে অভিযান চালাতে পারি।’ একই সঙ্গে ট্রাম্প যোগ করেন, ‘ওই স্থানে যারা কাজ করছে, তাদের সবাইকে আমরা চিনি।’
তবে পেন্টাগনের সামরিক বিশেষজ্ঞদের কাছে এ মাউন্টেন ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। সুবিশাল গ্রানাইট পাথরের নিচে অবস্থিত কেন্দ্রটি মার্কিন অস্ত্রাগারের সবচেয়ে শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বাঙ্কার-ভেদী বোমা ‘ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর’ (এমওপি)-র আঘাতেও অক্ষত থেকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন সেনাদের গোপন মহড়া
ইরানের এ দুর্গ ধ্বংস করতে নতুন কৌশল সাজাচ্ছে ওয়াশিংটন। অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর ঠিক চার দিন আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা হুমকি হ্রাস সংস্থা (ডিটিআরএ) নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস মিসাইল রেঞ্জে ১.২ মিলিয়ন ডলারের একটি জরুরি চুক্তি অনুমোদন করে।
র্যাপিড টেস্ট প্রিপ নামের এ প্রকল্পে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সরাসরি গোলার আঘাত পরীক্ষার উপযোগী বিশেষ ভূগর্ভস্থ গবেষণাগার মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে জানা গেছে, ইরানের সবচেয়ে গভীরে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে নিখুঁত হামলা চালানোর মহড়া হিসেবেই মূলত ওয়াশিংটন এ আয়োজন করেছিল।
‘মিডনাইট হ্যামার’ থেকে নতুন প্রজন্মের বোমা
ভূগর্ভস্থ দুর্গে মার্কিন বাহিনীর আঘাত হানার চেষ্টা এবারই প্রথম নয়। ২০২৫ সালের জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানের মাধ্যমে বেশ কিছু ইরানি পারমাণবিক কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানো হয়। কিন্তু মাটির গভীরে অবস্থিত ইসফাহানের সুড়ঙ্গগুলোর কেবল প্রবেশপথই বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল, ভেতরের অবকাঠামো ধ্বংস করা যায়নি। বর্তমান বাঙ্কার-বাস্টার বোমার সীমাবদ্ধতা অনুধাবন করে মার্কিন বিমান বাহিনী ইতোমধ্যেই পরবর্তী প্রজন্মের পেনিট্রেটর নামের আরও বিধ্বংসী ও গভীরগামী বোমার প্রোটোটাইপ তৈরির কাজ শুরু করেছে।
পিকঅ্যাক্সে মাউন্টেনে এখন কী ঘটছে
উপগ্রহ চিত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পিক্যাক্স মাউন্টেনে ব্যাপক সড়ক নির্মাণ ও সুড়ঙ্গ মজবুত করার কাজ চলেছে। প্রাথমিক পাথর খনন শেষ করে এখন তারা সুড়ঙ্গের ভেতরের পরিকাঠামো তৈরি, প্রবেশপথ উঁচু ও মজবুত করা এবং ভেতরের রাস্তা পাকা করার কাজ করছে। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ মহলে এ স্থাপনায় চূড়ান্ত হামলার কৌশল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সিএসআইএস বিশ্লেষকদের মতে, স্থানটি এখনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত না হলেও, খুব দ্রুতই এটিকে সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন বা ইউরেনিয়াম রূপান্তরের সুরক্ষিত ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা চলছে।
সূত্র: সিএনএন

ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নির্মাণ তৎপরতা, হামলার হুমকি ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন কেন্দ্রে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। গত ছয় বছরের উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রটিতে সম্প্রতি নির্মাণ কার্যক্রম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। তেহরান থেকে প্রায় ১৪০ মাইল দক্ষিণে নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত পাহাড়টি সামরিক গোয়েন্দাদের গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ড্রোন ও স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে আন্তর্জাতিক কৌশলগত গবেষণা সংস্থা সিএসআইএস জানিয়েছে, চলতি বছরে এ স্থাপনার সুরক্ষায় ও অভ্যন্তরীণ কাঠামো তৈরিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
ট্রাম্পের হুমকি ও গ্রানাইটের দেয়াল
ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যে ইঙ্গিত মিলছে, ইরান তাদের উন্নত সেন্ট্রিফিউজগুলো এ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পরই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা খুব শীঘ্রই পিকঅ্যাক্সে অভিযান চালাতে পারি।’ একই সঙ্গে ট্রাম্প যোগ করেন, ‘ওই স্থানে যারা কাজ করছে, তাদের সবাইকে আমরা চিনি।’
তবে পেন্টাগনের সামরিক বিশেষজ্ঞদের কাছে এ মাউন্টেন ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। সুবিশাল গ্রানাইট পাথরের নিচে অবস্থিত কেন্দ্রটি মার্কিন অস্ত্রাগারের সবচেয়ে শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বাঙ্কার-ভেদী বোমা ‘ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর’ (এমওপি)-র আঘাতেও অক্ষত থেকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন সেনাদের গোপন মহড়া
ইরানের এ দুর্গ ধ্বংস করতে নতুন কৌশল সাজাচ্ছে ওয়াশিংটন। অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর ঠিক চার দিন আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা হুমকি হ্রাস সংস্থা (ডিটিআরএ) নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস মিসাইল রেঞ্জে ১.২ মিলিয়ন ডলারের একটি জরুরি চুক্তি অনুমোদন করে।
র্যাপিড টেস্ট প্রিপ নামের এ প্রকল্পে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সরাসরি গোলার আঘাত পরীক্ষার উপযোগী বিশেষ ভূগর্ভস্থ গবেষণাগার মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে জানা গেছে, ইরানের সবচেয়ে গভীরে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে নিখুঁত হামলা চালানোর মহড়া হিসেবেই মূলত ওয়াশিংটন এ আয়োজন করেছিল।
‘মিডনাইট হ্যামার’ থেকে নতুন প্রজন্মের বোমা
ভূগর্ভস্থ দুর্গে মার্কিন বাহিনীর আঘাত হানার চেষ্টা এবারই প্রথম নয়। ২০২৫ সালের জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানের মাধ্যমে বেশ কিছু ইরানি পারমাণবিক কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানো হয়। কিন্তু মাটির গভীরে অবস্থিত ইসফাহানের সুড়ঙ্গগুলোর কেবল প্রবেশপথই বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল, ভেতরের অবকাঠামো ধ্বংস করা যায়নি। বর্তমান বাঙ্কার-বাস্টার বোমার সীমাবদ্ধতা অনুধাবন করে মার্কিন বিমান বাহিনী ইতোমধ্যেই পরবর্তী প্রজন্মের পেনিট্রেটর নামের আরও বিধ্বংসী ও গভীরগামী বোমার প্রোটোটাইপ তৈরির কাজ শুরু করেছে।
পিকঅ্যাক্সে মাউন্টেনে এখন কী ঘটছে
উপগ্রহ চিত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পিক্যাক্স মাউন্টেনে ব্যাপক সড়ক নির্মাণ ও সুড়ঙ্গ মজবুত করার কাজ চলেছে। প্রাথমিক পাথর খনন শেষ করে এখন তারা সুড়ঙ্গের ভেতরের পরিকাঠামো তৈরি, প্রবেশপথ উঁচু ও মজবুত করা এবং ভেতরের রাস্তা পাকা করার কাজ করছে। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ মহলে এ স্থাপনায় চূড়ান্ত হামলার কৌশল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সিএসআইএস বিশ্লেষকদের মতে, স্থানটি এখনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত না হলেও, খুব দ্রুতই এটিকে সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন বা ইউরেনিয়াম রূপান্তরের সুরক্ষিত ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা চলছে।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, ইরানের হুঁশিয়ারি– কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে দক্ষিণ কোরিয়া







