‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’ নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’ নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ঐক্য ধরে রাখা এবং সাংবাদিকতায় পেশাগত নীতি ও জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’ (জেজেইউ) নামে সাংবাদিকদের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান হয়।
এ সময় সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে সাইফুর সাগর, সদস্য সচিব আহসান কামরুল, যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান বাদল ও তালুকদার রুমী এবং যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুর রহিম কেফায়েত ও শাকিলের নাম ঘোষণা করা হয়। আহ্বায়ক কমিটিতে মোট ৩২ জন সদস্য রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, স্বাধীনভাবে কথা বলার জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগ করেছে। কিন্তু এরপর চারটি গণমাধ্যম ছাড়া সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। একজন অভিভাবকের কাছ থেকে এমন আচরণ কতটা কাম্য সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালে এত কষ্ট করলাম। কিন্তু এখন কীসের জন্য এত বিভাজন হলো? এসব দেখে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে লজ্জিত হই। আমরা আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে পারছি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এত ত্যাগের পর মাত্র কয়েক দিন যেতে না যেতেই আমরা আবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। যে তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারের অভাবের অভিযোগ কেন আসবে? আমরা কেন রক্ত দিয়েছিলাম সেটি বারবার ভুলে যাচ্ছি। আমরা কবে মানুষ হবো?’
জাবির এই অধ্যাপক বলেন, ‘আমাদের বিজয় ঐক্যের ভিত্তিতে এসেছে। যারা শত শত মানুষ মেরে ফেলেছে, তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এত ব্যস্ত হয়ে উঠলাম কেন?’
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ওপর মানুষের প্রত্যাশা অনেক। তাই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে হবে। মানুষ যাতে বাজার থেকে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে বাঁচতে পারে, সে ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, ‘সাংবাদিকতা হতে হবে জনগণের স্বার্থে। দলীয় সাংবাদিক হওয়া যাবে না। সাংবাদিকতা করতে গিয়ে নীতি মানতে হবে। প্রেস কার্ডের জোরে কোনো সুবিধা নেওয়া যাবে না। কাউকে বলতে শুনি আওয়ামী লীগের সাংবাদিক, বিএনপির সাংবাদিক। এটা হওয়া যাবে না।’
মানবাধিকার, আইন ও গুমের ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল, সেসব দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউর আহ্বায়ক সাইফুর রহমান সাগর বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। সময়ের প্রয়োজনেই এই সংগঠন গঠন করা হয়েছে। জুলাইয়ে যেসব সাংবাদিক অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তারা এই সংগঠনে থাকবেন।’

গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ঐক্য ধরে রাখা এবং সাংবাদিকতায় পেশাগত নীতি ও জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’ (জেজেইউ) নামে সাংবাদিকদের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান হয়।
এ সময় সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে সাইফুর সাগর, সদস্য সচিব আহসান কামরুল, যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান বাদল ও তালুকদার রুমী এবং যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুর রহিম কেফায়েত ও শাকিলের নাম ঘোষণা করা হয়। আহ্বায়ক কমিটিতে মোট ৩২ জন সদস্য রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, স্বাধীনভাবে কথা বলার জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগ করেছে। কিন্তু এরপর চারটি গণমাধ্যম ছাড়া সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। একজন অভিভাবকের কাছ থেকে এমন আচরণ কতটা কাম্য সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালে এত কষ্ট করলাম। কিন্তু এখন কীসের জন্য এত বিভাজন হলো? এসব দেখে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে লজ্জিত হই। আমরা আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে পারছি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এত ত্যাগের পর মাত্র কয়েক দিন যেতে না যেতেই আমরা আবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। যে তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারের অভাবের অভিযোগ কেন আসবে? আমরা কেন রক্ত দিয়েছিলাম সেটি বারবার ভুলে যাচ্ছি। আমরা কবে মানুষ হবো?’
জাবির এই অধ্যাপক বলেন, ‘আমাদের বিজয় ঐক্যের ভিত্তিতে এসেছে। যারা শত শত মানুষ মেরে ফেলেছে, তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এত ব্যস্ত হয়ে উঠলাম কেন?’
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ওপর মানুষের প্রত্যাশা অনেক। তাই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে হবে। মানুষ যাতে বাজার থেকে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে বাঁচতে পারে, সে ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, ‘সাংবাদিকতা হতে হবে জনগণের স্বার্থে। দলীয় সাংবাদিক হওয়া যাবে না। সাংবাদিকতা করতে গিয়ে নীতি মানতে হবে। প্রেস কার্ডের জোরে কোনো সুবিধা নেওয়া যাবে না। কাউকে বলতে শুনি আওয়ামী লীগের সাংবাদিক, বিএনপির সাংবাদিক। এটা হওয়া যাবে না।’
মানবাধিকার, আইন ও গুমের ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল, সেসব দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউর আহ্বায়ক সাইফুর রহমান সাগর বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। সময়ের প্রয়োজনেই এই সংগঠন গঠন করা হয়েছে। জুলাইয়ে যেসব সাংবাদিক অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তারা এই সংগঠনে থাকবেন।’

‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’ নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ঐক্য ধরে রাখা এবং সাংবাদিকতায় পেশাগত নীতি ও জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’ (জেজেইউ) নামে সাংবাদিকদের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান হয়।
এ সময় সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে সাইফুর সাগর, সদস্য সচিব আহসান কামরুল, যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান বাদল ও তালুকদার রুমী এবং যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুর রহিম কেফায়েত ও শাকিলের নাম ঘোষণা করা হয়। আহ্বায়ক কমিটিতে মোট ৩২ জন সদস্য রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, স্বাধীনভাবে কথা বলার জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগ করেছে। কিন্তু এরপর চারটি গণমাধ্যম ছাড়া সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। একজন অভিভাবকের কাছ থেকে এমন আচরণ কতটা কাম্য সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালে এত কষ্ট করলাম। কিন্তু এখন কীসের জন্য এত বিভাজন হলো? এসব দেখে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে লজ্জিত হই। আমরা আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে পারছি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এত ত্যাগের পর মাত্র কয়েক দিন যেতে না যেতেই আমরা আবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। যে তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারের অভাবের অভিযোগ কেন আসবে? আমরা কেন রক্ত দিয়েছিলাম সেটি বারবার ভুলে যাচ্ছি। আমরা কবে মানুষ হবো?’
জাবির এই অধ্যাপক বলেন, ‘আমাদের বিজয় ঐক্যের ভিত্তিতে এসেছে। যারা শত শত মানুষ মেরে ফেলেছে, তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এত ব্যস্ত হয়ে উঠলাম কেন?’
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ওপর মানুষের প্রত্যাশা অনেক। তাই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে হবে। মানুষ যাতে বাজার থেকে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে বাঁচতে পারে, সে ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, ‘সাংবাদিকতা হতে হবে জনগণের স্বার্থে। দলীয় সাংবাদিক হওয়া যাবে না। সাংবাদিকতা করতে গিয়ে নীতি মানতে হবে। প্রেস কার্ডের জোরে কোনো সুবিধা নেওয়া যাবে না। কাউকে বলতে শুনি আওয়ামী লীগের সাংবাদিক, বিএনপির সাংবাদিক। এটা হওয়া যাবে না।’
মানবাধিকার, আইন ও গুমের ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল, সেসব দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউর আহ্বায়ক সাইফুর রহমান সাগর বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। সময়ের প্রয়োজনেই এই সংগঠন গঠন করা হয়েছে। জুলাইয়ে যেসব সাংবাদিক অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তারা এই সংগঠনে থাকবেন।’

‘শয়তান সংগঠনের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে’







