হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন ড্রোন জব্দের দাবি ইরানের

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন ড্রোন জব্দের দাবি ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন জব্দ করার দাবি করেছে ইরান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দেশটির অভিজাত বাহিনী ইসলামী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, একটি জটিল গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ভোরে ড্রোনটি আটক করা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জব্দ করা ড্রোনটি ডাইভ-এলডি, যা ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিরক্ষা সংস্থা অ্যান্ডুরিল দ্বারা নির্মিত একটি বৃহৎ চালকবিহীন ডুবোযান। ৫.৮-মিটারের (১৯-ফুট) এই ডুবোযানটি মাইন প্রতিরোধ, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তার ও পাইপলাইনের মতো পানির নিচের অবকাঠামো পরিদর্শনের মতো অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এটি ২০২৫ সালে মার্কিন বহরে যুক্ত করা হয়েছিল।
অ্যান্ডুরিলের ওয়েবসাইট অনুসারে, ডাইভ-এলডি একটানা ১০ দিন পর্যন্ত পানিতে কাজ করতে এবং ৬,০০০ মিটার (১৯,৭০০ ফুট) পর্যন্ত গভীরে ডুব দিতে পারে। প্রতিটি ডাইভ-এলডি ইউনিটের দাম প্রায় ২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘আমরা হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনীর অন্যতম আধুনিক চালকবিহীন একটি সাবমেরিন জব্দ করেছি। এই ডুবোযানটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত।’
তবে ইরানের এই দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ইরানের হাতে যাওয়া ড্রোনটি পুরোনো একটি মডেল। এটি জব্দ হওয়ার এক দিনেরও বেশি সময় আগে ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়েছিল। ড্রোনটিতে কোনও সংবেদনশীল তথ্য, গোপন সোনার বা রাডার সরঞ্জাম ছিল না দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ বিষয়টি সামনে এলো।
সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি

হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন জব্দ করার দাবি করেছে ইরান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দেশটির অভিজাত বাহিনী ইসলামী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, একটি জটিল গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ভোরে ড্রোনটি আটক করা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জব্দ করা ড্রোনটি ডাইভ-এলডি, যা ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিরক্ষা সংস্থা অ্যান্ডুরিল দ্বারা নির্মিত একটি বৃহৎ চালকবিহীন ডুবোযান। ৫.৮-মিটারের (১৯-ফুট) এই ডুবোযানটি মাইন প্রতিরোধ, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তার ও পাইপলাইনের মতো পানির নিচের অবকাঠামো পরিদর্শনের মতো অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এটি ২০২৫ সালে মার্কিন বহরে যুক্ত করা হয়েছিল।
অ্যান্ডুরিলের ওয়েবসাইট অনুসারে, ডাইভ-এলডি একটানা ১০ দিন পর্যন্ত পানিতে কাজ করতে এবং ৬,০০০ মিটার (১৯,৭০০ ফুট) পর্যন্ত গভীরে ডুব দিতে পারে। প্রতিটি ডাইভ-এলডি ইউনিটের দাম প্রায় ২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘আমরা হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনীর অন্যতম আধুনিক চালকবিহীন একটি সাবমেরিন জব্দ করেছি। এই ডুবোযানটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত।’
তবে ইরানের এই দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ইরানের হাতে যাওয়া ড্রোনটি পুরোনো একটি মডেল। এটি জব্দ হওয়ার এক দিনেরও বেশি সময় আগে ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়েছিল। ড্রোনটিতে কোনও সংবেদনশীল তথ্য, গোপন সোনার বা রাডার সরঞ্জাম ছিল না দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ বিষয়টি সামনে এলো।
সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন ড্রোন জব্দের দাবি ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন জব্দ করার দাবি করেছে ইরান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দেশটির অভিজাত বাহিনী ইসলামী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, একটি জটিল গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ভোরে ড্রোনটি আটক করা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জব্দ করা ড্রোনটি ডাইভ-এলডি, যা ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিরক্ষা সংস্থা অ্যান্ডুরিল দ্বারা নির্মিত একটি বৃহৎ চালকবিহীন ডুবোযান। ৫.৮-মিটারের (১৯-ফুট) এই ডুবোযানটি মাইন প্রতিরোধ, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তার ও পাইপলাইনের মতো পানির নিচের অবকাঠামো পরিদর্শনের মতো অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এটি ২০২৫ সালে মার্কিন বহরে যুক্ত করা হয়েছিল।
অ্যান্ডুরিলের ওয়েবসাইট অনুসারে, ডাইভ-এলডি একটানা ১০ দিন পর্যন্ত পানিতে কাজ করতে এবং ৬,০০০ মিটার (১৯,৭০০ ফুট) পর্যন্ত গভীরে ডুব দিতে পারে। প্রতিটি ডাইভ-এলডি ইউনিটের দাম প্রায় ২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘আমরা হরমুজ প্রণালির প্রবেশপথে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনীর অন্যতম আধুনিক চালকবিহীন একটি সাবমেরিন জব্দ করেছি। এই ডুবোযানটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত।’
তবে ইরানের এই দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ইরানের হাতে যাওয়া ড্রোনটি পুরোনো একটি মডেল। এটি জব্দ হওয়ার এক দিনেরও বেশি সময় আগে ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়েছিল। ড্রোনটিতে কোনও সংবেদনশীল তথ্য, গোপন সোনার বা রাডার সরঞ্জাম ছিল না দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ বিষয়টি সামনে এলো।
সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি

প্রথম বারের মতো ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ইরানের







