যুদ্ধবিরতিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

উত্তেজনাপূর্ণ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর অবশেষে এলো স্বস্তির খবর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প, আব্বাস আরাগচি এবং শাহবাজ শরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, ইসলামাবাদের মাটিতে এই আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ অবিশ্বাস নিয়েই শুরু হবে। এ জন্য প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।
তারা আরও জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা এবং বিজয়ের উদযাপন অব্যাহত রাখা জরুরি। তাদের মতে, চলমান আলোচনা কেবল কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, বরং রণক্ষেত্রেরই একটি ধারাবাহিক অংশ। তাই সাধারণ জনগণ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে এই প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রেখে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, আলোচনাটি বিপ্লবী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বক্তব্য থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যদি রণক্ষেত্রে শত্রুর আত্মসমর্পণ আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত রাজনৈতিক সাফল্যে পরিণত হয়। তবে তা হবে একটি ঐতিহাসিক বিজয়, যা সম্মিলিতভাবে উদযাপন করা হবে। অন্যদিকে, ইরানি জাতির সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
শেষে সতর্ক করে বলা হয়, পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল। শত্রুপক্ষের সামান্য ভুলেরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

উত্তেজনাপূর্ণ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর অবশেষে এলো স্বস্তির খবর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প, আব্বাস আরাগচি এবং শাহবাজ শরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, ইসলামাবাদের মাটিতে এই আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ অবিশ্বাস নিয়েই শুরু হবে। এ জন্য প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।
তারা আরও জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা এবং বিজয়ের উদযাপন অব্যাহত রাখা জরুরি। তাদের মতে, চলমান আলোচনা কেবল কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, বরং রণক্ষেত্রেরই একটি ধারাবাহিক অংশ। তাই সাধারণ জনগণ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে এই প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রেখে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, আলোচনাটি বিপ্লবী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বক্তব্য থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যদি রণক্ষেত্রে শত্রুর আত্মসমর্পণ আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত রাজনৈতিক সাফল্যে পরিণত হয়। তবে তা হবে একটি ঐতিহাসিক বিজয়, যা সম্মিলিতভাবে উদযাপন করা হবে। অন্যদিকে, ইরানি জাতির সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
শেষে সতর্ক করে বলা হয়, পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল। শত্রুপক্ষের সামান্য ভুলেরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

উত্তেজনাপূর্ণ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর অবশেষে এলো স্বস্তির খবর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প, আব্বাস আরাগচি এবং শাহবাজ শরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, ইসলামাবাদের মাটিতে এই আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ অবিশ্বাস নিয়েই শুরু হবে। এ জন্য প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।
তারা আরও জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা এবং বিজয়ের উদযাপন অব্যাহত রাখা জরুরি। তাদের মতে, চলমান আলোচনা কেবল কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, বরং রণক্ষেত্রেরই একটি ধারাবাহিক অংশ। তাই সাধারণ জনগণ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে এই প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রেখে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, আলোচনাটি বিপ্লবী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বক্তব্য থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যদি রণক্ষেত্রে শত্রুর আত্মসমর্পণ আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত রাজনৈতিক সাফল্যে পরিণত হয়। তবে তা হবে একটি ঐতিহাসিক বিজয়, যা সম্মিলিতভাবে উদযাপন করা হবে। অন্যদিকে, ইরানি জাতির সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
শেষে সতর্ক করে বলা হয়, পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল। শত্রুপক্ষের সামান্য ভুলেরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হবে।
সূত্র: আল জাজিরা




