‘ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাড় নয়’

‘ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাড় নয়’
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর করে থানায় নেওয়ার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটের ফরিদারপাড়া এলাকায় নাঈম হাসানের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন সিএমপি কমিশনার। এ সময় তিনি নাঈম ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শওকত আলী বলেন, ঘটনার বিষয়ে নাঈম হাসানের কাছ থেকে বিস্তারিত শুনেছি। ঘটনার খবর পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের একজন এসআই শফিকুল ইসলাম, অন্যজন কনস্টেবল রাসেল। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর নগরীর লালখান বাজার মোড় এলাকায় নাঈম হাসানকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামায় পুলিশ। নাঈমের অভিযোগ, এ সময় তাকে গলা চেপে ধরে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা জড়ো হয়ে নাঈমের পরিচয় দিলেও পুলিশ সদস্যরা থামেনি। তখন লাঠি ও পাইপ দিয়ে পেটানো হয়। পরে তাকে নগরীর খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
নাঈমের পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে তার বাবা, স্বজন ও স্থানীয় লোকজন থানায় যাওয়ার পরও পুলিশের আচরণে পরিবর্তন আসেনি। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা যোগাযোগ করার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়।
ঘটনার সময় পুলিশের এক সোর্স নিজেকে ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে নাঈমকে মারধর করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ওই ব্যক্তিকে এরইমধ্যে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।তদন্ত শেষে জড়িত সবার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাঈম নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও কেন এমন ঘটনা ঘটল– এ প্রশ্নের জবাবে শওকত আলী বলেন, অবৈধ কিছু বহন করা হচ্ছে– এমন একটি তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল। তবে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের আচরণ আরও পেশাদার হওয়া উচিত ছিল।
ঘটনার পর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাসায় আছেন নাঈম হাসান। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ঘটনার কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর করে থানায় নেওয়ার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটের ফরিদারপাড়া এলাকায় নাঈম হাসানের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন সিএমপি কমিশনার। এ সময় তিনি নাঈম ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শওকত আলী বলেন, ঘটনার বিষয়ে নাঈম হাসানের কাছ থেকে বিস্তারিত শুনেছি। ঘটনার খবর পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের একজন এসআই শফিকুল ইসলাম, অন্যজন কনস্টেবল রাসেল। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর নগরীর লালখান বাজার মোড় এলাকায় নাঈম হাসানকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামায় পুলিশ। নাঈমের অভিযোগ, এ সময় তাকে গলা চেপে ধরে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা জড়ো হয়ে নাঈমের পরিচয় দিলেও পুলিশ সদস্যরা থামেনি। তখন লাঠি ও পাইপ দিয়ে পেটানো হয়। পরে তাকে নগরীর খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
নাঈমের পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে তার বাবা, স্বজন ও স্থানীয় লোকজন থানায় যাওয়ার পরও পুলিশের আচরণে পরিবর্তন আসেনি। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা যোগাযোগ করার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়।
ঘটনার সময় পুলিশের এক সোর্স নিজেকে ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে নাঈমকে মারধর করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ওই ব্যক্তিকে এরইমধ্যে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।তদন্ত শেষে জড়িত সবার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাঈম নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও কেন এমন ঘটনা ঘটল– এ প্রশ্নের জবাবে শওকত আলী বলেন, অবৈধ কিছু বহন করা হচ্ছে– এমন একটি তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল। তবে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের আচরণ আরও পেশাদার হওয়া উচিত ছিল।
ঘটনার পর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাসায় আছেন নাঈম হাসান। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ঘটনার কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

‘ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাড় নয়’
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর করে থানায় নেওয়ার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটের ফরিদারপাড়া এলাকায় নাঈম হাসানের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন সিএমপি কমিশনার। এ সময় তিনি নাঈম ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শওকত আলী বলেন, ঘটনার বিষয়ে নাঈম হাসানের কাছ থেকে বিস্তারিত শুনেছি। ঘটনার খবর পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের একজন এসআই শফিকুল ইসলাম, অন্যজন কনস্টেবল রাসেল। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর নগরীর লালখান বাজার মোড় এলাকায় নাঈম হাসানকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামায় পুলিশ। নাঈমের অভিযোগ, এ সময় তাকে গলা চেপে ধরে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা জড়ো হয়ে নাঈমের পরিচয় দিলেও পুলিশ সদস্যরা থামেনি। তখন লাঠি ও পাইপ দিয়ে পেটানো হয়। পরে তাকে নগরীর খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
নাঈমের পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে তার বাবা, স্বজন ও স্থানীয় লোকজন থানায় যাওয়ার পরও পুলিশের আচরণে পরিবর্তন আসেনি। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা যোগাযোগ করার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়।
ঘটনার সময় পুলিশের এক সোর্স নিজেকে ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে নাঈমকে মারধর করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ওই ব্যক্তিকে এরইমধ্যে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।তদন্ত শেষে জড়িত সবার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাঈম নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও কেন এমন ঘটনা ঘটল– এ প্রশ্নের জবাবে শওকত আলী বলেন, অবৈধ কিছু বহন করা হচ্ছে– এমন একটি তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল। তবে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের আচরণ আরও পেশাদার হওয়া উচিত ছিল।
ঘটনার পর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাসায় আছেন নাঈম হাসান। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ঘটনার কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তার ঘটনায় ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার 


