বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসায় ভাসছেন সঞ্জয়

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসায় ভাসছেন সঞ্জয়
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে আয়োজনকারী তিন দেশেই। কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্র– আলাদাভাবে ঝমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর মধ্যে কানাডায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।
শুক্রবার (১২ জুন) টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে পারফর্ম করেন আমেরিকান সংগীত প্রযোজক ও ডিজে সঞ্জয় দেব। অনুষ্ঠানে বলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা নোরা ফাতেহি ও ফরাসি শিল্পী ভেজিড্রিমের সঙ্গে দেখা গেছে সঞ্জয় দেবকে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা পরিবেশন করেন ফিফার অফিসিয়াল গান ‘সির সির’। এই পরিবেশনায় নিজের পোশাকে বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় দেব। নোরা ফাতেহি ও ভেভেড্রিমের সঙ্গে সঞ্জয় দেবকে বিশেষভাবে তৈরি একটি জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। জ্যাকেটের ডান হাতের স্লিভে এম্ব্রয়ডারির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা ও সবুজের মাঝে লাল বৃত্তে অঙ্কিত জাতীয় পতাকার নকশা।
শুধু তাই নয়, পারফরম্যান্সের সময় বারবার নিজের স্লিভের দিকে আঙুল নির্দেশ করে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্বকারী নকশাগুলো প্রদর্শন করতেও দেখা যায় সঞ্জয়কে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে তার এমন প্রদর্শনী ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। দেশের প্রতি তার এমন ভালবাসা নেটিজেনদের কাছে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে।
এর আগে, গত ৮ জুন ফিফার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় ফিফার অফিসিয়াল গান ‘সির সির’। শনিবার (১৩ জুন) রাত পর্যন্ত ইউটিউবে ভিডিওটির ভিউ হয়েছে ৪ কোটি ৩৮ লাখ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সঞ্জয় দেব ১৯৯১ সালের ১৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাছননগর এলাকার বিশিষ্ট চিকিৎসক প্রয়াত ডা. ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরীর নাতি। তার মা মিতা দেব একটি সাংস্কৃতিক পরিবারে বেড়ে উঠেছেন এবং সংগীতচর্চার সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। ফলে ছোটোবেলা থেকেই সঞ্জয়ের জীবন ও শিল্পচর্চায় সংগীতের গভীর প্রভাব ছিল।
শৈশবের পর পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান সঞ্জয়। ক্যালিফোর্নিয়ার সান জোসেতে বেড়ে ওঠা সঞ্জয় এভারগ্রিন ভ্যালি হাই স্কুল, ডি আনজা কলেজ এবং San Jose State University-এ পড়াশোনা করেন। ব্যবসায় শিক্ষায় স্নাতক হলেও তার মূল আগ্রহ ছিল সংগীত ও সাউন্ড প্রোডাকশন। বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক এই শিল্পী বাংলা সংগীতের উপাদানকে ইলেকট্রনিক সাউন্ডের সঙ্গে মিশিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করেছেন। এমনকি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫ এর থিম সং-এও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি।

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে আয়োজনকারী তিন দেশেই। কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্র– আলাদাভাবে ঝমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর মধ্যে কানাডায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।
শুক্রবার (১২ জুন) টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে পারফর্ম করেন আমেরিকান সংগীত প্রযোজক ও ডিজে সঞ্জয় দেব। অনুষ্ঠানে বলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা নোরা ফাতেহি ও ফরাসি শিল্পী ভেজিড্রিমের সঙ্গে দেখা গেছে সঞ্জয় দেবকে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা পরিবেশন করেন ফিফার অফিসিয়াল গান ‘সির সির’। এই পরিবেশনায় নিজের পোশাকে বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় দেব। নোরা ফাতেহি ও ভেভেড্রিমের সঙ্গে সঞ্জয় দেবকে বিশেষভাবে তৈরি একটি জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। জ্যাকেটের ডান হাতের স্লিভে এম্ব্রয়ডারির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা ও সবুজের মাঝে লাল বৃত্তে অঙ্কিত জাতীয় পতাকার নকশা।
শুধু তাই নয়, পারফরম্যান্সের সময় বারবার নিজের স্লিভের দিকে আঙুল নির্দেশ করে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্বকারী নকশাগুলো প্রদর্শন করতেও দেখা যায় সঞ্জয়কে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে তার এমন প্রদর্শনী ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। দেশের প্রতি তার এমন ভালবাসা নেটিজেনদের কাছে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে।
এর আগে, গত ৮ জুন ফিফার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় ফিফার অফিসিয়াল গান ‘সির সির’। শনিবার (১৩ জুন) রাত পর্যন্ত ইউটিউবে ভিডিওটির ভিউ হয়েছে ৪ কোটি ৩৮ লাখ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সঞ্জয় দেব ১৯৯১ সালের ১৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাছননগর এলাকার বিশিষ্ট চিকিৎসক প্রয়াত ডা. ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরীর নাতি। তার মা মিতা দেব একটি সাংস্কৃতিক পরিবারে বেড়ে উঠেছেন এবং সংগীতচর্চার সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। ফলে ছোটোবেলা থেকেই সঞ্জয়ের জীবন ও শিল্পচর্চায় সংগীতের গভীর প্রভাব ছিল।
শৈশবের পর পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান সঞ্জয়। ক্যালিফোর্নিয়ার সান জোসেতে বেড়ে ওঠা সঞ্জয় এভারগ্রিন ভ্যালি হাই স্কুল, ডি আনজা কলেজ এবং San Jose State University-এ পড়াশোনা করেন। ব্যবসায় শিক্ষায় স্নাতক হলেও তার মূল আগ্রহ ছিল সংগীত ও সাউন্ড প্রোডাকশন। বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক এই শিল্পী বাংলা সংগীতের উপাদানকে ইলেকট্রনিক সাউন্ডের সঙ্গে মিশিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করেছেন। এমনকি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫ এর থিম সং-এও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি।

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসায় ভাসছেন সঞ্জয়
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে আয়োজনকারী তিন দেশেই। কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্র– আলাদাভাবে ঝমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর মধ্যে কানাডায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।
শুক্রবার (১২ জুন) টরন্টো স্টেডিয়ামে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে পারফর্ম করেন আমেরিকান সংগীত প্রযোজক ও ডিজে সঞ্জয় দেব। অনুষ্ঠানে বলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা নোরা ফাতেহি ও ফরাসি শিল্পী ভেজিড্রিমের সঙ্গে দেখা গেছে সঞ্জয় দেবকে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা পরিবেশন করেন ফিফার অফিসিয়াল গান ‘সির সির’। এই পরিবেশনায় নিজের পোশাকে বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় দেব। নোরা ফাতেহি ও ভেভেড্রিমের সঙ্গে সঞ্জয় দেবকে বিশেষভাবে তৈরি একটি জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। জ্যাকেটের ডান হাতের স্লিভে এম্ব্রয়ডারির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা ও সবুজের মাঝে লাল বৃত্তে অঙ্কিত জাতীয় পতাকার নকশা।
শুধু তাই নয়, পারফরম্যান্সের সময় বারবার নিজের স্লিভের দিকে আঙুল নির্দেশ করে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্বকারী নকশাগুলো প্রদর্শন করতেও দেখা যায় সঞ্জয়কে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে তার এমন প্রদর্শনী ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। দেশের প্রতি তার এমন ভালবাসা নেটিজেনদের কাছে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে।
এর আগে, গত ৮ জুন ফিফার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় ফিফার অফিসিয়াল গান ‘সির সির’। শনিবার (১৩ জুন) রাত পর্যন্ত ইউটিউবে ভিডিওটির ভিউ হয়েছে ৪ কোটি ৩৮ লাখ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সঞ্জয় দেব ১৯৯১ সালের ১৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাছননগর এলাকার বিশিষ্ট চিকিৎসক প্রয়াত ডা. ধীরেন্দ্র দেব চৌধুরীর নাতি। তার মা মিতা দেব একটি সাংস্কৃতিক পরিবারে বেড়ে উঠেছেন এবং সংগীতচর্চার সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। ফলে ছোটোবেলা থেকেই সঞ্জয়ের জীবন ও শিল্পচর্চায় সংগীতের গভীর প্রভাব ছিল।
শৈশবের পর পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান সঞ্জয়। ক্যালিফোর্নিয়ার সান জোসেতে বেড়ে ওঠা সঞ্জয় এভারগ্রিন ভ্যালি হাই স্কুল, ডি আনজা কলেজ এবং San Jose State University-এ পড়াশোনা করেন। ব্যবসায় শিক্ষায় স্নাতক হলেও তার মূল আগ্রহ ছিল সংগীত ও সাউন্ড প্রোডাকশন। বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক এই শিল্পী বাংলা সংগীতের উপাদানকে ইলেকট্রনিক সাউন্ডের সঙ্গে মিশিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করেছেন। এমনকি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫ এর থিম সং-এও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি।

বিশ্বকাপের অফিশিয়াল অ্যালবামে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সঞ্জয়


