লেবাননে আবারও হামলা ইসরায়েলের, ২০ এলাকা ছাড়তে নির্দেশ

লেবাননে আবারও হামলা ইসরায়েলের, ২০ এলাকা ছাড়তে নির্দেশ
সিজেডএন ডেস্ক

যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে খুব শীঘ্রই একটি চুক্তি স্বক্ষরিত হতে যাচ্ছে, এমন খবরের মধ্যেই লেবাননে সামরিক অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েল।
শুক্রবার মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার (১৩ জুন) সকার ৭ টা পর্যন্তও পরিস্থিতি শান্ত ছিল। তবে এরপর দক্ষিণ লেবাননের টায়ার ও নাবাতিয়েহ শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মারাকেহ পৌরসভায় একজনকে হত্যা করেছে।
এছাড়াও ভোরবেলায় ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের বিন্ট জেবেইলে বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে।
এদিকে লেবাননের আরও ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
এর মধ্যে রয়েছে, দেইর আল-জাহরানি, আল-নামিরিয়েহ, আল-শারকিহ, আল-দেওয়ার, হারউফ, হাব্বুশ, কাফরজোজ, জিবদিন (নাবাতিহ), নাবাতিহ আল-তাহতা, নাবাতিহ আল-ফাওকা, কাফর রউমান, আল-মাহমুদিহা, সাহামুদিহ, রেইজাহান, আল-জাহরানিম কাফারচৌবা, মলকি, আল-লাউইজা (জেজিন), জারজুহ এবং আরব সেলিম।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এসব এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ‘জাহরানি নদীর উত্তরে’ চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ যুদ্ধবিরতিতে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত বলে জানিয়ে আসছে তেহরান। তবে ইসরায়েল সেটা অস্বীকার করে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে খুব শীঘ্রই একটি চুক্তি স্বক্ষরিত হতে যাচ্ছে, এমন খবরের মধ্যেই লেবাননে সামরিক অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েল।
শুক্রবার মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার (১৩ জুন) সকার ৭ টা পর্যন্তও পরিস্থিতি শান্ত ছিল। তবে এরপর দক্ষিণ লেবাননের টায়ার ও নাবাতিয়েহ শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মারাকেহ পৌরসভায় একজনকে হত্যা করেছে।
এছাড়াও ভোরবেলায় ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের বিন্ট জেবেইলে বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে।
এদিকে লেবাননের আরও ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
এর মধ্যে রয়েছে, দেইর আল-জাহরানি, আল-নামিরিয়েহ, আল-শারকিহ, আল-দেওয়ার, হারউফ, হাব্বুশ, কাফরজোজ, জিবদিন (নাবাতিহ), নাবাতিহ আল-তাহতা, নাবাতিহ আল-ফাওকা, কাফর রউমান, আল-মাহমুদিহা, সাহামুদিহ, রেইজাহান, আল-জাহরানিম কাফারচৌবা, মলকি, আল-লাউইজা (জেজিন), জারজুহ এবং আরব সেলিম।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এসব এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ‘জাহরানি নদীর উত্তরে’ চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ যুদ্ধবিরতিতে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত বলে জানিয়ে আসছে তেহরান। তবে ইসরায়েল সেটা অস্বীকার করে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননে আবারও হামলা ইসরায়েলের, ২০ এলাকা ছাড়তে নির্দেশ
সিজেডএন ডেস্ক

যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে খুব শীঘ্রই একটি চুক্তি স্বক্ষরিত হতে যাচ্ছে, এমন খবরের মধ্যেই লেবাননে সামরিক অভিযান জোরদার করেছে ইসরায়েল।
শুক্রবার মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার (১৩ জুন) সকার ৭ টা পর্যন্তও পরিস্থিতি শান্ত ছিল। তবে এরপর দক্ষিণ লেবাননের টায়ার ও নাবাতিয়েহ শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মারাকেহ পৌরসভায় একজনকে হত্যা করেছে।
এছাড়াও ভোরবেলায় ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের বিন্ট জেবেইলে বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে।
এদিকে লেবাননের আরও ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
এর মধ্যে রয়েছে, দেইর আল-জাহরানি, আল-নামিরিয়েহ, আল-শারকিহ, আল-দেওয়ার, হারউফ, হাব্বুশ, কাফরজোজ, জিবদিন (নাবাতিহ), নাবাতিহ আল-তাহতা, নাবাতিহ আল-ফাওকা, কাফর রউমান, আল-মাহমুদিহা, সাহামুদিহ, রেইজাহান, আল-জাহরানিম কাফারচৌবা, মলকি, আল-লাউইজা (জেজিন), জারজুহ এবং আরব সেলিম।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এসব এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ‘জাহরানি নদীর উত্তরে’ চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ যুদ্ধবিরতিতে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত বলে জানিয়ে আসছে তেহরান। তবে ইসরায়েল সেটা অস্বীকার করে।
সূত্র: আল জাজিরা

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রক্ষায় অভিনব কৌশল ইরানের
মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের


