মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের

মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

সাম্প্রতিক হামলা বা মার্কিন সামরিক চাপের কারণে চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, কয়েক সপ্তাহ আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই চুক্তির খসড়া আলোচনার টেবিলে ছিল এবং ইরান তাতে সম্মতি দিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র আরও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়। সংশোধিত সেই প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনায় সময় লেগেছে, ফলে চুক্তি চূড়ান্ত করতে দেরি হয়েছে।
ইরানিরা মনে করছে, এই আলোচনা ও চুক্তি থেকে তারা বড় ধরনের সুবিধা পাবে। যার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দকৃত সম্পদ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা।
এছাড়াও এই প্রক্রিয়ায় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে না। বর্তমান নেতৃত্বের মতে এটা ইরানের জন্য একটি বড় বিজয়।
ইরানি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, যুদ্ধ ও পরবর্তী সমঝোতা শেষে দেশটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং সুবিধাজনক অবস্থানে উঠে আসবে।
সূত্র: আল জাজিরা

সাম্প্রতিক হামলা বা মার্কিন সামরিক চাপের কারণে চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, কয়েক সপ্তাহ আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই চুক্তির খসড়া আলোচনার টেবিলে ছিল এবং ইরান তাতে সম্মতি দিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র আরও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়। সংশোধিত সেই প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনায় সময় লেগেছে, ফলে চুক্তি চূড়ান্ত করতে দেরি হয়েছে।
ইরানিরা মনে করছে, এই আলোচনা ও চুক্তি থেকে তারা বড় ধরনের সুবিধা পাবে। যার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দকৃত সম্পদ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা।
এছাড়াও এই প্রক্রিয়ায় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে না। বর্তমান নেতৃত্বের মতে এটা ইরানের জন্য একটি বড় বিজয়।
ইরানি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, যুদ্ধ ও পরবর্তী সমঝোতা শেষে দেশটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং সুবিধাজনক অবস্থানে উঠে আসবে।
সূত্র: আল জাজিরা

মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

সাম্প্রতিক হামলা বা মার্কিন সামরিক চাপের কারণে চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, কয়েক সপ্তাহ আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই চুক্তির খসড়া আলোচনার টেবিলে ছিল এবং ইরান তাতে সম্মতি দিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র আরও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়। সংশোধিত সেই প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনায় সময় লেগেছে, ফলে চুক্তি চূড়ান্ত করতে দেরি হয়েছে।
ইরানিরা মনে করছে, এই আলোচনা ও চুক্তি থেকে তারা বড় ধরনের সুবিধা পাবে। যার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালির ওপর এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দকৃত সম্পদ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা।
এছাড়াও এই প্রক্রিয়ায় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে না। বর্তমান নেতৃত্বের মতে এটা ইরানের জন্য একটি বড় বিজয়।
ইরানি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, যুদ্ধ ও পরবর্তী সমঝোতা শেষে দেশটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং সুবিধাজনক অবস্থানে উঠে আসবে।
সূত্র: আল জাজিরা

সাম্প্রতিক হামলা ইরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেছে: যুক্তরাষ্ট্র

