হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ, টহলে ২০ মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ, টহলে ২০ মার্কিন যুদ্ধজাহাজ
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে তেহরানের সঙ্গে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলার ইঙ্গিত দিলেও নিজেদের সামরিক অবস্থান আরও শক্ত করেছে ওয়াশিংটন। এই অঞ্চলে অন্তত ২০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রেখে ইরানের বিরুদ্ধে একপ্রকার শ্বাসরুদ্ধকর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের এই কড়া নজরদারির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ বদলে দেওয়া হয়েছে, দুটিকে অকার্যকর করা হয়েছে এবং দুটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়ে নির্দেশ মানতে বাধ্য করা হয়েছে।
বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া হরমুজ প্রণালি এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ যুদ্ধ নীতির মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠক না হলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি উল্লেখ করেন, জুনের অন্তর্বর্তী চুক্তি ওয়াশিংটন ভঙ্গ করায় সরাসরি আলোচনা বন্ধ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণের পর ওমানের মধ্যস্থতায় নতুন নৌ পথ নির্ধারণের একটি চুক্তি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরানের তীব্র মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটের দিকে তারা নজর রাখছেন এবং পুরো পরিস্থিতি বেশ ধীরে-সুস্থে ও কৌশলগতভাবে পরিচালনা করছেন। অন্যদিকে, নিজেদের দাবি থেকে পিছু হটতে নারাজ তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ বাঘের যুলঘাদর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান, হামলা ও হুমকির অবসান, মার্কিন সেনা ও নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত না করা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথ খুলবে না ইরান।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে তেহরানের সঙ্গে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলার ইঙ্গিত দিলেও নিজেদের সামরিক অবস্থান আরও শক্ত করেছে ওয়াশিংটন। এই অঞ্চলে অন্তত ২০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রেখে ইরানের বিরুদ্ধে একপ্রকার শ্বাসরুদ্ধকর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের এই কড়া নজরদারির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ বদলে দেওয়া হয়েছে, দুটিকে অকার্যকর করা হয়েছে এবং দুটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়ে নির্দেশ মানতে বাধ্য করা হয়েছে।
বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া হরমুজ প্রণালি এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ যুদ্ধ নীতির মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠক না হলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি উল্লেখ করেন, জুনের অন্তর্বর্তী চুক্তি ওয়াশিংটন ভঙ্গ করায় সরাসরি আলোচনা বন্ধ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণের পর ওমানের মধ্যস্থতায় নতুন নৌ পথ নির্ধারণের একটি চুক্তি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরানের তীব্র মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটের দিকে তারা নজর রাখছেন এবং পুরো পরিস্থিতি বেশ ধীরে-সুস্থে ও কৌশলগতভাবে পরিচালনা করছেন। অন্যদিকে, নিজেদের দাবি থেকে পিছু হটতে নারাজ তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ বাঘের যুলঘাদর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান, হামলা ও হুমকির অবসান, মার্কিন সেনা ও নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত না করা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথ খুলবে না ইরান।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ, টহলে ২০ মার্কিন যুদ্ধজাহাজ
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে তেহরানের সঙ্গে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলার ইঙ্গিত দিলেও নিজেদের সামরিক অবস্থান আরও শক্ত করেছে ওয়াশিংটন। এই অঞ্চলে অন্তত ২০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রেখে ইরানের বিরুদ্ধে একপ্রকার শ্বাসরুদ্ধকর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের এই কড়া নজরদারির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ বদলে দেওয়া হয়েছে, দুটিকে অকার্যকর করা হয়েছে এবং দুটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়ে নির্দেশ মানতে বাধ্য করা হয়েছে।
বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া হরমুজ প্রণালি এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ যুদ্ধ নীতির মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠক না হলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি উল্লেখ করেন, জুনের অন্তর্বর্তী চুক্তি ওয়াশিংটন ভঙ্গ করায় সরাসরি আলোচনা বন্ধ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণের পর ওমানের মধ্যস্থতায় নতুন নৌ পথ নির্ধারণের একটি চুক্তি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরানের তীব্র মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটের দিকে তারা নজর রাখছেন এবং পুরো পরিস্থিতি বেশ ধীরে-সুস্থে ও কৌশলগতভাবে পরিচালনা করছেন। অন্যদিকে, নিজেদের দাবি থেকে পিছু হটতে নারাজ তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ বাঘের যুলঘাদর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান, হামলা ও হুমকির অবসান, মার্কিন সেনা ও নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত না করা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথ খুলবে না ইরান।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুক্তরাষ্ট্র শর্ত মানার পরই খুলবে হরমুজ প্রণালি: আইআরজিসি







