মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে দফায় দফায় হামলা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে দফায় দফায় হামলা ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অভিযানের জবাবে বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
বাহরাইনে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলায় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি ট্যাঙ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘বিশ্ব মোড়লদের অপরাধের জবাবে তারা শেখ ইসা বিমানঘাঁটির বিমান হ্যাঙ্গার ও পার্কিং লট, জ্বালানি ট্যাঙ্কার এবং বাহরাইনের বেশ কয়েকটি যোগাযোগ সেতুকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
ঘাঁটিটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তু, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা জর্ডানের আল-আজরাকে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমানের আশ্রয়স্থল এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র্যাম্পের ওপর একযোগে একটি বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসি দাবি, এই হামলায় অন্তত দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকটির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভোরে দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী ১০টি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাজ্যের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচলিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা অনুযায়ী এই অভিযানটি চালানো হয়েছে।
এই প্রতিরোধ অভিযানগুলোতে কোনো হতাহত বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। রয়্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিটগুলো ইতোমধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানগুলো থেকে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ ও সুরক্ষিত করার কাজ শুরু করেছে বলেও জানানো হয়েছে।
এছাড়া কুয়েতে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে তেহরান। কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের সর্বশেষ হামলার পর একটি বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রের যন্ত্রাংশে আগুন লেগে যায়।
এর ফলে প্ল্যান্ট ও এর কর্মীদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং বিদ্যুৎ গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েকটি জেনারেটিং ইউনিট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অভিযানের জবাবে বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
বাহরাইনে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলায় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি ট্যাঙ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘বিশ্ব মোড়লদের অপরাধের জবাবে তারা শেখ ইসা বিমানঘাঁটির বিমান হ্যাঙ্গার ও পার্কিং লট, জ্বালানি ট্যাঙ্কার এবং বাহরাইনের বেশ কয়েকটি যোগাযোগ সেতুকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
ঘাঁটিটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তু, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা জর্ডানের আল-আজরাকে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমানের আশ্রয়স্থল এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র্যাম্পের ওপর একযোগে একটি বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসি দাবি, এই হামলায় অন্তত দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকটির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভোরে দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী ১০টি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাজ্যের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচলিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা অনুযায়ী এই অভিযানটি চালানো হয়েছে।
এই প্রতিরোধ অভিযানগুলোতে কোনো হতাহত বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। রয়্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিটগুলো ইতোমধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানগুলো থেকে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ ও সুরক্ষিত করার কাজ শুরু করেছে বলেও জানানো হয়েছে।
এছাড়া কুয়েতে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে তেহরান। কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের সর্বশেষ হামলার পর একটি বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রের যন্ত্রাংশে আগুন লেগে যায়।
এর ফলে প্ল্যান্ট ও এর কর্মীদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং বিদ্যুৎ গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েকটি জেনারেটিং ইউনিট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে দফায় দফায় হামলা ইরানের
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অভিযানের জবাবে বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
বাহরাইনে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলায় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি ট্যাঙ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘বিশ্ব মোড়লদের অপরাধের জবাবে তারা শেখ ইসা বিমানঘাঁটির বিমান হ্যাঙ্গার ও পার্কিং লট, জ্বালানি ট্যাঙ্কার এবং বাহরাইনের বেশ কয়েকটি যোগাযোগ সেতুকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
ঘাঁটিটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তু, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা জর্ডানের আল-আজরাকে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমানের আশ্রয়স্থল এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র্যাম্পের ওপর একযোগে একটি বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসি দাবি, এই হামলায় অন্তত দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকটির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভোরে দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী ১০টি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাজ্যের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচলিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা অনুযায়ী এই অভিযানটি চালানো হয়েছে।
এই প্রতিরোধ অভিযানগুলোতে কোনো হতাহত বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। রয়্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিটগুলো ইতোমধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানগুলো থেকে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ ও সুরক্ষিত করার কাজ শুরু করেছে বলেও জানানো হয়েছে।
এছাড়া কুয়েতে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে তেহরান। কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের সর্বশেষ হামলার পর একটি বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রের যন্ত্রাংশে আগুন লেগে যায়।
এর ফলে প্ল্যান্ট ও এর কর্মীদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং বিদ্যুৎ গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েকটি জেনারেটিং ইউনিট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আল জাজিরা

সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা ইরানের
টানা সপ্তম রাতে ইরানে হামলা, দুই সেতু ক্ষতিগ্রস্ত




