দাবদাহে ইউরোপে মৃত্যুর মিছিল

দাবদাহে ইউরোপে মৃত্যুর মিছিল
সিজেডএন ডেস্ক

তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন, জার্মানি, বেলজিয়ামসহ অধিকাংশ দেশই এখন চরম গরমের কবলে। কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে, আবার কোথাও তা সেই সীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এতে মহাদেশজুড়ে ১৪ হাজারের অধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর বড় প্রভাব পড়েছে বেলজিয়ামে। জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ১৫ দিনে দেশটিতে প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বেলজিয়ামের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সিয়েনসানো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ১৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ওয়ালোনিয়াতে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে রাজধানী ব্রাসেলস এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফ্ল্যান্ডার্স।
২০০০ সাল থেকে বেলজিয়ামে তাপপ্রবাহ-জনিত মৃত্যুর রেকর্ড রাখছে সংস্থাটি। সেসব রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরই প্রথম তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট হিটস্ট্রোক ও শারীরিক জটিলতায় বেলজিয়ামে এত বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে বেলজিয়ামে গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহের কারণে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ২০২০ সলে। সে বছর ১ হাজার ৫৫৭ জনের প্রাণহানি হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, তিনটি কারণ ২০২৬ সালের জুনের তাপপ্রবাহকে ব্যতিক্রমী করে তুলেছে। এর স্থায়িত্বকাল, তাপমাত্রার তীব্রতা এবং ওজোন স্তরের উচ্চ ঘনত্ব।
শুধু বেলজিয়ামে নয়, ইউরোপজুড়েই বেড়েছে তাপপ্রবাহ।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন, ইউকে মেট অফিস এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের গবেষকদের একটি সমীক্ষায় অনুমান করা হয়েছে, মে ও জুন মাসের তাপপ্রবাহে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ২,৭০০ জন মারা গেছেন। যার মধ্যে ৪২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য জলবায়ু পরিবর্তন দায়ী।
জার্মানির রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র রবার্ট কচ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এই বছর জুলাই মাসের শুরু পর্যন্ত তাপপ্রবাহের কারণে সরাসরি ৬,৮৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬,৪৭০ জনই ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী।
পাবলিক হেলথ ফ্রান্সের ২২ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী দেওয়া মৃত্যুর হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওই সময় পর্যন্ত দেশটিতে ৮,৯৭৩ জনের মৃত্যু গণনা করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি এখনও অসম্পূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়। ২৪ ও ২৫ জুন ফ্রান্সে এযাবৎকালের উষ্ণতম দিন রেকর্ড করা হয়। মধ্য ফ্রান্সের পোয়াতিয়ে শহরে তাপমাত্রা ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ১৯৪৭ সালের পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে স্পেনে তাপজনিত কারণে ১ হাজার ২৮ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
জুন মাসের ১৮ তারিখের দিকে শুরু হয়ে জুলাই মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত স্থায়ী হওয়া এই তাপপ্রবাহ বেশ কয়েকটি দেশে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ফলে এই তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, পলিটিকো, এপি, এবিসি নিউজ

তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন, জার্মানি, বেলজিয়ামসহ অধিকাংশ দেশই এখন চরম গরমের কবলে। কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে, আবার কোথাও তা সেই সীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এতে মহাদেশজুড়ে ১৪ হাজারের অধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর বড় প্রভাব পড়েছে বেলজিয়ামে। জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ১৫ দিনে দেশটিতে প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বেলজিয়ামের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সিয়েনসানো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ১৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ওয়ালোনিয়াতে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে রাজধানী ব্রাসেলস এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফ্ল্যান্ডার্স।
২০০০ সাল থেকে বেলজিয়ামে তাপপ্রবাহ-জনিত মৃত্যুর রেকর্ড রাখছে সংস্থাটি। সেসব রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরই প্রথম তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট হিটস্ট্রোক ও শারীরিক জটিলতায় বেলজিয়ামে এত বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে বেলজিয়ামে গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহের কারণে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ২০২০ সলে। সে বছর ১ হাজার ৫৫৭ জনের প্রাণহানি হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, তিনটি কারণ ২০২৬ সালের জুনের তাপপ্রবাহকে ব্যতিক্রমী করে তুলেছে। এর স্থায়িত্বকাল, তাপমাত্রার তীব্রতা এবং ওজোন স্তরের উচ্চ ঘনত্ব।
শুধু বেলজিয়ামে নয়, ইউরোপজুড়েই বেড়েছে তাপপ্রবাহ।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন, ইউকে মেট অফিস এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের গবেষকদের একটি সমীক্ষায় অনুমান করা হয়েছে, মে ও জুন মাসের তাপপ্রবাহে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ২,৭০০ জন মারা গেছেন। যার মধ্যে ৪২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য জলবায়ু পরিবর্তন দায়ী।
জার্মানির রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র রবার্ট কচ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এই বছর জুলাই মাসের শুরু পর্যন্ত তাপপ্রবাহের কারণে সরাসরি ৬,৮৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬,৪৭০ জনই ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী।
পাবলিক হেলথ ফ্রান্সের ২২ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী দেওয়া মৃত্যুর হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওই সময় পর্যন্ত দেশটিতে ৮,৯৭৩ জনের মৃত্যু গণনা করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি এখনও অসম্পূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়। ২৪ ও ২৫ জুন ফ্রান্সে এযাবৎকালের উষ্ণতম দিন রেকর্ড করা হয়। মধ্য ফ্রান্সের পোয়াতিয়ে শহরে তাপমাত্রা ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ১৯৪৭ সালের পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে স্পেনে তাপজনিত কারণে ১ হাজার ২৮ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
জুন মাসের ১৮ তারিখের দিকে শুরু হয়ে জুলাই মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত স্থায়ী হওয়া এই তাপপ্রবাহ বেশ কয়েকটি দেশে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ফলে এই তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, পলিটিকো, এপি, এবিসি নিউজ

দাবদাহে ইউরোপে মৃত্যুর মিছিল
সিজেডএন ডেস্ক

তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন, জার্মানি, বেলজিয়ামসহ অধিকাংশ দেশই এখন চরম গরমের কবলে। কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে, আবার কোথাও তা সেই সীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এতে মহাদেশজুড়ে ১৪ হাজারের অধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর বড় প্রভাব পড়েছে বেলজিয়ামে। জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত ১৫ দিনে দেশটিতে প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বেলজিয়ামের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সিয়েনসানো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ১৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ওয়ালোনিয়াতে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে রাজধানী ব্রাসেলস এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফ্ল্যান্ডার্স।
২০০০ সাল থেকে বেলজিয়ামে তাপপ্রবাহ-জনিত মৃত্যুর রেকর্ড রাখছে সংস্থাটি। সেসব রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরই প্রথম তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট হিটস্ট্রোক ও শারীরিক জটিলতায় বেলজিয়ামে এত বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে বেলজিয়ামে গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহের কারণে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ২০২০ সলে। সে বছর ১ হাজার ৫৫৭ জনের প্রাণহানি হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, তিনটি কারণ ২০২৬ সালের জুনের তাপপ্রবাহকে ব্যতিক্রমী করে তুলেছে। এর স্থায়িত্বকাল, তাপমাত্রার তীব্রতা এবং ওজোন স্তরের উচ্চ ঘনত্ব।
শুধু বেলজিয়ামে নয়, ইউরোপজুড়েই বেড়েছে তাপপ্রবাহ।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন, ইউকে মেট অফিস এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের গবেষকদের একটি সমীক্ষায় অনুমান করা হয়েছে, মে ও জুন মাসের তাপপ্রবাহে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ২,৭০০ জন মারা গেছেন। যার মধ্যে ৪২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য জলবায়ু পরিবর্তন দায়ী।
জার্মানির রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র রবার্ট কচ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এই বছর জুলাই মাসের শুরু পর্যন্ত তাপপ্রবাহের কারণে সরাসরি ৬,৮৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬,৪৭০ জনই ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী।
পাবলিক হেলথ ফ্রান্সের ২২ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী দেওয়া মৃত্যুর হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওই সময় পর্যন্ত দেশটিতে ৮,৯৭৩ জনের মৃত্যু গণনা করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি এখনও অসম্পূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়। ২৪ ও ২৫ জুন ফ্রান্সে এযাবৎকালের উষ্ণতম দিন রেকর্ড করা হয়। মধ্য ফ্রান্সের পোয়াতিয়ে শহরে তাপমাত্রা ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ১৯৪৭ সালের পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে স্পেনে তাপজনিত কারণে ১ হাজার ২৮ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
জুন মাসের ১৮ তারিখের দিকে শুরু হয়ে জুলাই মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত স্থায়ী হওয়া এই তাপপ্রবাহ বেশ কয়েকটি দেশে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ফলে এই তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, পলিটিকো, এপি, এবিসি নিউজ

দাবানলে পুড়ছে কানাডা, ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র







