সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিজেডএন ডেস্ক

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের আমলের সাবেক প্রধান ধর্মীয় নেতা (গ্র্যান্ড মুফতি) আহমদ বদরুদ্দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে সহিংসতায় ইন্ধন জোগানো এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকে ধর্মীয় অজুহাতে বৈধতা দেওয়ার অপরাধে দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশটির গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বদরুদ্দিন হাসুনকে গত বছরের মার্চে দামেস্ক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর চলতি বছরের জুনে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
রায়ে বিচারক ফখরুদ্দিন আল-আরিয়ান উল্লেখ করেন, আসাদ সরকারের সামরিক অভিযানগুলোকে জায়েজ করতে হাসুন এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বিচারে তার বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষের ওপর প্রাণঘাতী বোমা হামলা চালানো, ইদলিবের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া এবং পূর্ব আলেপ্পো থেকে সাধারণ মানুষদের উচ্ছেদে সামরিক বাহিনীকে উসকানি দেওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে।
আদালতের দেওয়া দণ্ড অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার অপরাধে ২০ বছর এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত করার দায়ে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে হাসুনকে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধের ভয়াবহতার কারণে তিনি কোনো ধরনের সাধারণ বা বিশেষ রাষ্ট্রীয় ক্ষমার সুযোগ পাবেন না। এছাড়া তার যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে তাদের অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আসাদ শাসনের পতনের পর সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন বিচার প্রক্রিয়ায় আসাদ পরিবারের বাইরে শীর্ষপর্যায়ের কোনো সুন্নি ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের দণ্ড পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।
সূত্র: আল জাজিরা

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের আমলের সাবেক প্রধান ধর্মীয় নেতা (গ্র্যান্ড মুফতি) আহমদ বদরুদ্দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে সহিংসতায় ইন্ধন জোগানো এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকে ধর্মীয় অজুহাতে বৈধতা দেওয়ার অপরাধে দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশটির গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বদরুদ্দিন হাসুনকে গত বছরের মার্চে দামেস্ক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর চলতি বছরের জুনে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
রায়ে বিচারক ফখরুদ্দিন আল-আরিয়ান উল্লেখ করেন, আসাদ সরকারের সামরিক অভিযানগুলোকে জায়েজ করতে হাসুন এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বিচারে তার বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষের ওপর প্রাণঘাতী বোমা হামলা চালানো, ইদলিবের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া এবং পূর্ব আলেপ্পো থেকে সাধারণ মানুষদের উচ্ছেদে সামরিক বাহিনীকে উসকানি দেওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে।
আদালতের দেওয়া দণ্ড অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার অপরাধে ২০ বছর এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত করার দায়ে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে হাসুনকে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধের ভয়াবহতার কারণে তিনি কোনো ধরনের সাধারণ বা বিশেষ রাষ্ট্রীয় ক্ষমার সুযোগ পাবেন না। এছাড়া তার যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে তাদের অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আসাদ শাসনের পতনের পর সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন বিচার প্রক্রিয়ায় আসাদ পরিবারের বাইরে শীর্ষপর্যায়ের কোনো সুন্নি ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের দণ্ড পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।
সূত্র: আল জাজিরা

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিজেডএন ডেস্ক

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের আমলের সাবেক প্রধান ধর্মীয় নেতা (গ্র্যান্ড মুফতি) আহমদ বদরুদ্দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ১৪ বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে সহিংসতায় ইন্ধন জোগানো এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকে ধর্মীয় অজুহাতে বৈধতা দেওয়ার অপরাধে দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশটির গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বদরুদ্দিন হাসুনকে গত বছরের মার্চে দামেস্ক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর চলতি বছরের জুনে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
রায়ে বিচারক ফখরুদ্দিন আল-আরিয়ান উল্লেখ করেন, আসাদ সরকারের সামরিক অভিযানগুলোকে জায়েজ করতে হাসুন এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বিচারে তার বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষের ওপর প্রাণঘাতী বোমা হামলা চালানো, ইদলিবের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া এবং পূর্ব আলেপ্পো থেকে সাধারণ মানুষদের উচ্ছেদে সামরিক বাহিনীকে উসকানি দেওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে।
আদালতের দেওয়া দণ্ড অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার অপরাধে ২০ বছর এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত করার দায়ে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে হাসুনকে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধের ভয়াবহতার কারণে তিনি কোনো ধরনের সাধারণ বা বিশেষ রাষ্ট্রীয় ক্ষমার সুযোগ পাবেন না। এছাড়া তার যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে তাদের অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আসাদ শাসনের পতনের পর সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন বিচার প্রক্রিয়ায় আসাদ পরিবারের বাইরে শীর্ষপর্যায়ের কোনো সুন্নি ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের দণ্ড পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।
সূত্র: আল জাজিরা

সিরিয়ায় বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলের হামলা





