ইরান পুরোপুরি ধসে পড়ছে: ট্রাম্প

ইরান পুরোপুরি ধসে পড়ছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘ইরান পুরোপুরি ধসে পড়ছে’। সোমবার (২৪ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্ষিপ্ত বার্তা দেন তিনি।
এর আগে রবিবার (২৩ আগস্ট) মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন মূলত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’তে প্রবেশ করেছে। তিনি দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বের কারণেই ইরানের প্রায় ১০০ শতাংশ সামরিক কারখানা ও সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকেও পুরোপুরি শেষ করা গেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে চায়, কিন্তু আমার মতে তারা সঠিক চুক্তির জন্য প্রস্তুত নয়।’ তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভেঙে পড়েছে এবং সেখানে মূল্যস্ফীতি ৩৫০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। অর্থাভাব এতটাই তীব্র যে তারা সেনাসদস্য ও পুলিশ বাহিনীর নিয়মিত বেতন দিতে পারছে না। একইসঙ্গে দেশটির নৌ ও বিমানবাহিনী এখন পুরোপুরি অকার্যকর।
চলমান সংঘাত এড়াতে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরান এক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। যার মূল লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় সুরক্ষিত করা। কিন্তু পরবর্তীতে চুক্তি বাস্তবায়নের বিভিন্ন শর্ত এবং আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের দ্বিমতে সেই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।
সূত্র: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘ইরান পুরোপুরি ধসে পড়ছে’। সোমবার (২৪ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্ষিপ্ত বার্তা দেন তিনি।
এর আগে রবিবার (২৩ আগস্ট) মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন মূলত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’তে প্রবেশ করেছে। তিনি দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বের কারণেই ইরানের প্রায় ১০০ শতাংশ সামরিক কারখানা ও সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকেও পুরোপুরি শেষ করা গেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে চায়, কিন্তু আমার মতে তারা সঠিক চুক্তির জন্য প্রস্তুত নয়।’ তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভেঙে পড়েছে এবং সেখানে মূল্যস্ফীতি ৩৫০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। অর্থাভাব এতটাই তীব্র যে তারা সেনাসদস্য ও পুলিশ বাহিনীর নিয়মিত বেতন দিতে পারছে না। একইসঙ্গে দেশটির নৌ ও বিমানবাহিনী এখন পুরোপুরি অকার্যকর।
চলমান সংঘাত এড়াতে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরান এক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। যার মূল লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় সুরক্ষিত করা। কিন্তু পরবর্তীতে চুক্তি বাস্তবায়নের বিভিন্ন শর্ত এবং আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের দ্বিমতে সেই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান পুরোপুরি ধসে পড়ছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘ইরান পুরোপুরি ধসে পড়ছে’। সোমবার (২৪ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্ষিপ্ত বার্তা দেন তিনি।
এর আগে রবিবার (২৩ আগস্ট) মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক মাধ্যম এক্সে জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন মূলত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’তে প্রবেশ করেছে। তিনি দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বের কারণেই ইরানের প্রায় ১০০ শতাংশ সামরিক কারখানা ও সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকেও পুরোপুরি শেষ করা গেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে চায়, কিন্তু আমার মতে তারা সঠিক চুক্তির জন্য প্রস্তুত নয়।’ তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভেঙে পড়েছে এবং সেখানে মূল্যস্ফীতি ৩৫০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। অর্থাভাব এতটাই তীব্র যে তারা সেনাসদস্য ও পুলিশ বাহিনীর নিয়মিত বেতন দিতে পারছে না। একইসঙ্গে দেশটির নৌ ও বিমানবাহিনী এখন পুরোপুরি অকার্যকর।
চলমান সংঘাত এড়াতে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরান এক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। যার মূল লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় সুরক্ষিত করা। কিন্তু পরবর্তীতে চুক্তি বাস্তবায়নের বিভিন্ন শর্ত এবং আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের দ্বিমতে সেই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।
সূত্র: আল জাজিরা

‘ইরানের ওপর চাপানো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ব্যর্থ হবে’




