খরা ও মরুকরণ মোকাবিলায় চীন-আরব দেশগুলোর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা

খরা ও মরুকরণ মোকাবিলায় চীন-আরব দেশগুলোর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা
সিজেডএন ডেস্ক

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও মরুকরণের মতো বৈশ্বিক সংকট যৌথভাবে মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে চীন এবং আরব বিশ্ব। খরা, মরুকরণ ও ভূমিক্ষয় রোধে নিজেদের মধ্যকার সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে ৫ বছর মেয়াদী একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মপরিকল্পনা করেছে তারা। এতে যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনবল তৈরির বিষয়টিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরে আয়োজিত জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) ১৭তম সম্মেলনের ফাঁকে গুরুত্বপূর্ণ এ পরিকল্পনাটি প্রকাশ করা হয়। রবিবার (২৩ আগস্ট) চীনের জাতীয় বন ও তৃণভূমি প্রশাসন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত বা মরুভূমিতে পরিণত হওয়া জমি উদ্ধার, বালু ও ধূলিঝড় পর্যবেক্ষণ এবং আগাম সতর্কসংকেত ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। একই সঙ্গে তৃণভূমির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলাভূমির সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। চীন-আরব মরুকরণ নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় এ অংশীদারিত্বের ব্যাপ্তি বাড়ানো হবে। কেবল সরকারি পর্যায়েই নয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও এ উদ্যোগে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রযুক্তিগত সমন্বয় বাড়াতে ডেটা, প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল আদান-প্রদানের জন্য একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে। সেখানে আধুনিক রিমোট-সেন্সিং প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত সরঞ্জামের মাধ্যমে ভূমিক্ষয় মূল্যায়নের কাজ চলবে। পাশাপাশি তরুণ বিশেষজ্ঞদের মাঠপর্যায়ে যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই অঞ্চলের কর্মীদের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
আরব লীগ সচিবালয় ও চীনের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ বৈঠকে চীন ও আরব দেশগুলোর প্রতিনিধির পাশাপাশি জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি), বিশ্বব্যাংক এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের চীন-আরব শীর্ষ সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের আগস্টে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক খরা ও মরুকরণ গবেষণা কেন্দ্রটি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করছে।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও মরুকরণের মতো বৈশ্বিক সংকট যৌথভাবে মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে চীন এবং আরব বিশ্ব। খরা, মরুকরণ ও ভূমিক্ষয় রোধে নিজেদের মধ্যকার সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে ৫ বছর মেয়াদী একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মপরিকল্পনা করেছে তারা। এতে যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনবল তৈরির বিষয়টিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরে আয়োজিত জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) ১৭তম সম্মেলনের ফাঁকে গুরুত্বপূর্ণ এ পরিকল্পনাটি প্রকাশ করা হয়। রবিবার (২৩ আগস্ট) চীনের জাতীয় বন ও তৃণভূমি প্রশাসন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত বা মরুভূমিতে পরিণত হওয়া জমি উদ্ধার, বালু ও ধূলিঝড় পর্যবেক্ষণ এবং আগাম সতর্কসংকেত ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। একই সঙ্গে তৃণভূমির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলাভূমির সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। চীন-আরব মরুকরণ নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় এ অংশীদারিত্বের ব্যাপ্তি বাড়ানো হবে। কেবল সরকারি পর্যায়েই নয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও এ উদ্যোগে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রযুক্তিগত সমন্বয় বাড়াতে ডেটা, প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল আদান-প্রদানের জন্য একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে। সেখানে আধুনিক রিমোট-সেন্সিং প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত সরঞ্জামের মাধ্যমে ভূমিক্ষয় মূল্যায়নের কাজ চলবে। পাশাপাশি তরুণ বিশেষজ্ঞদের মাঠপর্যায়ে যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই অঞ্চলের কর্মীদের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
আরব লীগ সচিবালয় ও চীনের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ বৈঠকে চীন ও আরব দেশগুলোর প্রতিনিধির পাশাপাশি জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি), বিশ্বব্যাংক এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের চীন-আরব শীর্ষ সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের আগস্টে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক খরা ও মরুকরণ গবেষণা কেন্দ্রটি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করছে।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস

খরা ও মরুকরণ মোকাবিলায় চীন-আরব দেশগুলোর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা
সিজেডএন ডেস্ক

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও মরুকরণের মতো বৈশ্বিক সংকট যৌথভাবে মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে চীন এবং আরব বিশ্ব। খরা, মরুকরণ ও ভূমিক্ষয় রোধে নিজেদের মধ্যকার সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করতে ৫ বছর মেয়াদী একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মপরিকল্পনা করেছে তারা। এতে যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনবল তৈরির বিষয়টিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরে আয়োজিত জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) ১৭তম সম্মেলনের ফাঁকে গুরুত্বপূর্ণ এ পরিকল্পনাটি প্রকাশ করা হয়। রবিবার (২৩ আগস্ট) চীনের জাতীয় বন ও তৃণভূমি প্রশাসন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত বা মরুভূমিতে পরিণত হওয়া জমি উদ্ধার, বালু ও ধূলিঝড় পর্যবেক্ষণ এবং আগাম সতর্কসংকেত ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। একই সঙ্গে তৃণভূমির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলাভূমির সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। চীন-আরব মরুকরণ নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় এ অংশীদারিত্বের ব্যাপ্তি বাড়ানো হবে। কেবল সরকারি পর্যায়েই নয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও এ উদ্যোগে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রযুক্তিগত সমন্বয় বাড়াতে ডেটা, প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল আদান-প্রদানের জন্য একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে। সেখানে আধুনিক রিমোট-সেন্সিং প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত সরঞ্জামের মাধ্যমে ভূমিক্ষয় মূল্যায়নের কাজ চলবে। পাশাপাশি তরুণ বিশেষজ্ঞদের মাঠপর্যায়ে যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই অঞ্চলের কর্মীদের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
আরব লীগ সচিবালয় ও চীনের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ বৈঠকে চীন ও আরব দেশগুলোর প্রতিনিধির পাশাপাশি জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি), বিশ্বব্যাংক এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের চীন-আরব শীর্ষ সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের আগস্টে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক খরা ও মরুকরণ গবেষণা কেন্দ্রটি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করছে।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস

মরুভূমিতে মহাসাগর! সাহারায় কৃত্রিম সমুদ্র তৈরির বিস্মৃত ইতিহাস






-CznNewsLab-64cbef.jpg)