কাতার যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধিদল, যে বিষয়ে আলোচনা

কাতার যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধিদল, যে বিষয়ে আলোচনা
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, তেহরানের বর্তমান অগ্রাধিকার হলো ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরছি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির বাস্তবায়ন তদারকি করতে বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল দোহায় যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বাঘাই বলেন, সমঝোতা স্মারকের ১০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর ছাড় দিয়েছে। আমরা এর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করছি। কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারকের ১১নং অনুচ্ছেদের অধীনে জব্দকৃত ইরানি তহবিল ছাড়ানোরও চেষ্টা করছেন।
এর আগে সাম্প্রতিক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে মঙ্গলবার দোহায় মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা হবে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা এখনো শুরু হয়নি।
বাঘাই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই আমাদের আলোচনা বা বৈঠক হবে না। আর মার্কিন প্রতিনিধিদের কাতার সফরের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদলের সফরের কোনো সম্পর্ক নেই।’
তেহরানের কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন, সমঝোতার আওতায় ওয়াশিংটন ৬ বিলিয়ন ডলারের দুটি কিস্তিতে ইরানের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড় করতে সম্মত হয়েছে। কাতারে আটক থাকা সেই কিস্তিগুলোর একটি ছেড়ে দিয়ে ফেরত পাঠানো হবে।
বাঘাই বলেছেন, ‘সমঝোতা স্মারকের ১৩নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু করা ১, ৪, ৫, ১০ এবং ১১নং অনুচ্ছেদের বাস্তবায়ন শুরু ও অব্যাহত রাখার ওপর শর্তাধীন।’
অনুচ্ছেদ ১-এ লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে অনুচ্ছেদ ৪-এ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নিতে এবং ইরানের ভূখণ্ডের ‘নিকটবর্তী’ এলাকা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করার কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ৫-এ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয় সম্পর্কিত। আর অনুচ্ছেদ ১০-এ ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ১১-তে জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার কথা উল্লেখ আছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, তেহরানের বর্তমান অগ্রাধিকার হলো ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরছি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির বাস্তবায়ন তদারকি করতে বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল দোহায় যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বাঘাই বলেন, সমঝোতা স্মারকের ১০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর ছাড় দিয়েছে। আমরা এর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করছি। কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারকের ১১নং অনুচ্ছেদের অধীনে জব্দকৃত ইরানি তহবিল ছাড়ানোরও চেষ্টা করছেন।
এর আগে সাম্প্রতিক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে মঙ্গলবার দোহায় মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা হবে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা এখনো শুরু হয়নি।
বাঘাই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই আমাদের আলোচনা বা বৈঠক হবে না। আর মার্কিন প্রতিনিধিদের কাতার সফরের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদলের সফরের কোনো সম্পর্ক নেই।’
তেহরানের কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন, সমঝোতার আওতায় ওয়াশিংটন ৬ বিলিয়ন ডলারের দুটি কিস্তিতে ইরানের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড় করতে সম্মত হয়েছে। কাতারে আটক থাকা সেই কিস্তিগুলোর একটি ছেড়ে দিয়ে ফেরত পাঠানো হবে।
বাঘাই বলেছেন, ‘সমঝোতা স্মারকের ১৩নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু করা ১, ৪, ৫, ১০ এবং ১১নং অনুচ্ছেদের বাস্তবায়ন শুরু ও অব্যাহত রাখার ওপর শর্তাধীন।’
অনুচ্ছেদ ১-এ লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে অনুচ্ছেদ ৪-এ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নিতে এবং ইরানের ভূখণ্ডের ‘নিকটবর্তী’ এলাকা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করার কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ৫-এ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয় সম্পর্কিত। আর অনুচ্ছেদ ১০-এ ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ১১-তে জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার কথা উল্লেখ আছে।
সূত্র: আল জাজিরা

কাতার যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধিদল, যে বিষয়ে আলোচনা
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, তেহরানের বর্তমান অগ্রাধিকার হলো ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরছি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির বাস্তবায়ন তদারকি করতে বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল দোহায় যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বাঘাই বলেন, সমঝোতা স্মারকের ১০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানির ওপর ছাড় দিয়েছে। আমরা এর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করছি। কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারকের ১১নং অনুচ্ছেদের অধীনে জব্দকৃত ইরানি তহবিল ছাড়ানোরও চেষ্টা করছেন।
এর আগে সাম্প্রতিক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে মঙ্গলবার দোহায় মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা হবে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা এখনো শুরু হয়নি।
বাঘাই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই আমাদের আলোচনা বা বৈঠক হবে না। আর মার্কিন প্রতিনিধিদের কাতার সফরের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদলের সফরের কোনো সম্পর্ক নেই।’
তেহরানের কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন, সমঝোতার আওতায় ওয়াশিংটন ৬ বিলিয়ন ডলারের দুটি কিস্তিতে ইরানের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড় করতে সম্মত হয়েছে। কাতারে আটক থাকা সেই কিস্তিগুলোর একটি ছেড়ে দিয়ে ফেরত পাঠানো হবে।
বাঘাই বলেছেন, ‘সমঝোতা স্মারকের ১৩নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু করা ১, ৪, ৫, ১০ এবং ১১নং অনুচ্ছেদের বাস্তবায়ন শুরু ও অব্যাহত রাখার ওপর শর্তাধীন।’
অনুচ্ছেদ ১-এ লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে অনুচ্ছেদ ৪-এ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নিতে এবং ইরানের ভূখণ্ডের ‘নিকটবর্তী’ এলাকা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করার কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ৫-এ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয় সম্পর্কিত। আর অনুচ্ছেদ ১০-এ ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ১১-তে জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার কথা উল্লেখ আছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পের দাবি নাকচ ইরানের
হামলা বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

