নতুন অর্থবছরেও অনলাইনে দিতে হবে আয়কর রিটার্ন

নতুন অর্থবছরেও অনলাইনে দিতে হবে আয়কর রিটার্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও সব করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বুধবার (১ জুলাই) থেকে এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে।
রবিবার (২৮ জুন) এ বিষয়ে বিশেষ আদেশ জারি করেছে এনবিআর।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নও অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। বর্তমান সোয়া ১ কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। তাদের মধ্যে প্রতি বছর মাত্র ৪০–৪২ লাখের মতো রিটার্ন দেন।
যাদের রিটার্ন না দিলেও চলবে
- ৫ শ্রেণির করদাতাদের অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ায় ছাড় পাবেন। তারা হলেন–
- ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা
- সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা
- বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা
- মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি
- বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক
চাইলে তারা অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারবেন।
যেভাবে কর দেবেন
করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা দিবেন।
সারা বছর রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ
আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। আগে দিলে করদাতারা বেশি করছাড় পাবেন। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম, তা-ই ছাড় পাবেন। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে রিটার্ন দিলে যা কর, তা দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।
আর জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এপ্রিল থেকে জুনে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ৫ হাজার টাকা, যেটি বেশি, সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও সব করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বুধবার (১ জুলাই) থেকে এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে।
রবিবার (২৮ জুন) এ বিষয়ে বিশেষ আদেশ জারি করেছে এনবিআর।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নও অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। বর্তমান সোয়া ১ কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। তাদের মধ্যে প্রতি বছর মাত্র ৪০–৪২ লাখের মতো রিটার্ন দেন।
যাদের রিটার্ন না দিলেও চলবে
- ৫ শ্রেণির করদাতাদের অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ায় ছাড় পাবেন। তারা হলেন–
- ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা
- সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা
- বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা
- মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি
- বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক
চাইলে তারা অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারবেন।
যেভাবে কর দেবেন
করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা দিবেন।
সারা বছর রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ
আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। আগে দিলে করদাতারা বেশি করছাড় পাবেন। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম, তা-ই ছাড় পাবেন। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে রিটার্ন দিলে যা কর, তা দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।
আর জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এপ্রিল থেকে জুনে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ৫ হাজার টাকা, যেটি বেশি, সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

নতুন অর্থবছরেও অনলাইনে দিতে হবে আয়কর রিটার্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও সব করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বুধবার (১ জুলাই) থেকে এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে।
রবিবার (২৮ জুন) এ বিষয়ে বিশেষ আদেশ জারি করেছে এনবিআর।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নও অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। বর্তমান সোয়া ১ কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। তাদের মধ্যে প্রতি বছর মাত্র ৪০–৪২ লাখের মতো রিটার্ন দেন।
যাদের রিটার্ন না দিলেও চলবে
- ৫ শ্রেণির করদাতাদের অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ায় ছাড় পাবেন। তারা হলেন–
- ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা
- সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা
- বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা
- মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি
- বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক
চাইলে তারা অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারবেন।
যেভাবে কর দেবেন
করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা দিবেন।
সারা বছর রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ
আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। আগে দিলে করদাতারা বেশি করছাড় পাবেন। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম, তা-ই ছাড় পাবেন। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে রিটার্ন দিলে যা কর, তা দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।
আর জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এপ্রিল থেকে জুনে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ৫ হাজার টাকা, যেটি বেশি, সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে সংশোধিত অর্থ বিল-২০২৬ পাস


