দুই বোনের দোকান ভাঙচুর, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

দুই বোনের দোকান ভাঙচুর, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকান ভাঙচুর ও দুই নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে ব্রজমোহন কলেজ (বিএম) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন-সহ তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এ সময় দোকান থেকে টাকা ছিনতাইয়েরও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
সোমবার (২৯ জুন) রাতে নগরীর নতুন বাজার মরকখোলার পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দোকানি রেনু বেগম ও মালা আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার শিকার রেনু বেগম অভিযোগ করেন, দুপুরে কাউনিয়ার বাগানবাড়ি এলাকায় ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়েছিল। যাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে তারা নাকি আমার দোকানে খাওয়া দাওয়া করে, এমন অভিযোগ তুলে দোকানে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনসহ তার অনুসারীরা হামলা চালিয়েছে। ২৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেলে করে অর্ধশত লোক এসে হামলা করে। আমার এবং বোনের শাড়ি ধরে টেনে হিঁচড়ে মারধর করেছে। দোকানের খাবার রাস্তায় ফেলে দিয়েছে তারা। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
রেনুর বোন মালা আক্তারের অভিযোগ, নারী হওয়া সত্ত্বেও আমাদের মারধর করাসহ যা যা করেছে তা বলার মতো না। আমাদের ক্যাশ বাক্স থেকে ৬ হাজার টাকা ছিনতাই করেছে। জানতে পেরেছি বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম রাতুল, ওয়ালিউল ইসলাম তামিম ও গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদলের সভাপতি তাসনিমুল ফেরদৌস হাসান হামলার নেতৃত্বে দিয়েছেন।
এ ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী বিক্ষোভ শুরু করে। তারা নতুন বাজার সড়ক আটকে হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে। পরে পুলিশ বিচারের আশ্বাস দিয়ে সরিয়ে দিলেও স্থানীয়রা হামলাকারী বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে।
অভিযোগের বিষয়ে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের। আমরা কারও ওপর কোনো হামলা করিনি, মিথ্যা খবর রটানো হচ্ছে।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, যদি ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে কেউ নারীদের ওপর হামলা বা শ্লীলতাহানি করে থাকে তাহলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের কাছ থেকে দুই ধরনের ঘটনা শুনেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকান ভাঙচুর ও দুই নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে ব্রজমোহন কলেজ (বিএম) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন-সহ তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এ সময় দোকান থেকে টাকা ছিনতাইয়েরও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
সোমবার (২৯ জুন) রাতে নগরীর নতুন বাজার মরকখোলার পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দোকানি রেনু বেগম ও মালা আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার শিকার রেনু বেগম অভিযোগ করেন, দুপুরে কাউনিয়ার বাগানবাড়ি এলাকায় ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়েছিল। যাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে তারা নাকি আমার দোকানে খাওয়া দাওয়া করে, এমন অভিযোগ তুলে দোকানে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনসহ তার অনুসারীরা হামলা চালিয়েছে। ২৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেলে করে অর্ধশত লোক এসে হামলা করে। আমার এবং বোনের শাড়ি ধরে টেনে হিঁচড়ে মারধর করেছে। দোকানের খাবার রাস্তায় ফেলে দিয়েছে তারা। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
রেনুর বোন মালা আক্তারের অভিযোগ, নারী হওয়া সত্ত্বেও আমাদের মারধর করাসহ যা যা করেছে তা বলার মতো না। আমাদের ক্যাশ বাক্স থেকে ৬ হাজার টাকা ছিনতাই করেছে। জানতে পেরেছি বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম রাতুল, ওয়ালিউল ইসলাম তামিম ও গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদলের সভাপতি তাসনিমুল ফেরদৌস হাসান হামলার নেতৃত্বে দিয়েছেন।
এ ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী বিক্ষোভ শুরু করে। তারা নতুন বাজার সড়ক আটকে হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে। পরে পুলিশ বিচারের আশ্বাস দিয়ে সরিয়ে দিলেও স্থানীয়রা হামলাকারী বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে।
অভিযোগের বিষয়ে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের। আমরা কারও ওপর কোনো হামলা করিনি, মিথ্যা খবর রটানো হচ্ছে।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, যদি ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে কেউ নারীদের ওপর হামলা বা শ্লীলতাহানি করে থাকে তাহলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের কাছ থেকে দুই ধরনের ঘটনা শুনেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই বোনের দোকান ভাঙচুর, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোকান ভাঙচুর ও দুই নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে ব্রজমোহন কলেজ (বিএম) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন-সহ তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এ সময় দোকান থেকে টাকা ছিনতাইয়েরও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
সোমবার (২৯ জুন) রাতে নগরীর নতুন বাজার মরকখোলার পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দোকানি রেনু বেগম ও মালা আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার শিকার রেনু বেগম অভিযোগ করেন, দুপুরে কাউনিয়ার বাগানবাড়ি এলাকায় ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়েছিল। যাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে তারা নাকি আমার দোকানে খাওয়া দাওয়া করে, এমন অভিযোগ তুলে দোকানে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনসহ তার অনুসারীরা হামলা চালিয়েছে। ২৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেলে করে অর্ধশত লোক এসে হামলা করে। আমার এবং বোনের শাড়ি ধরে টেনে হিঁচড়ে মারধর করেছে। দোকানের খাবার রাস্তায় ফেলে দিয়েছে তারা। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
রেনুর বোন মালা আক্তারের অভিযোগ, নারী হওয়া সত্ত্বেও আমাদের মারধর করাসহ যা যা করেছে তা বলার মতো না। আমাদের ক্যাশ বাক্স থেকে ৬ হাজার টাকা ছিনতাই করেছে। জানতে পেরেছি বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম রাতুল, ওয়ালিউল ইসলাম তামিম ও গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদলের সভাপতি তাসনিমুল ফেরদৌস হাসান হামলার নেতৃত্বে দিয়েছেন।
এ ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী বিক্ষোভ শুরু করে। তারা নতুন বাজার সড়ক আটকে হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে। পরে পুলিশ বিচারের আশ্বাস দিয়ে সরিয়ে দিলেও স্থানীয়রা হামলাকারী বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে।
অভিযোগের বিষয়ে বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের। আমরা কারও ওপর কোনো হামলা করিনি, মিথ্যা খবর রটানো হচ্ছে।
বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, যদি ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে কেউ নারীদের ওপর হামলা বা শ্লীলতাহানি করে থাকে তাহলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের কাছ থেকে দুই ধরনের ঘটনা শুনেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




