আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ যুক্তরাজ্যের

আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ যুক্তরাজ্যের
সিজেডএন ডেস্ক

আশ্রয়প্রার্থীদের (অ্যাসাইলাম) জন্য দুঃসংবাদ দিলো যুক্তরাজ্য। অবৈধ অভিবাসনের জোয়ার নিয়ন্ত্রণ করতে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
অবৈধ অভিবাসন রোধে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ করেছে যুক্তরাজ্য। এখন থেকে ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করার যোগ্য হওয়ার আগে বাসস্থান এবং মৌলিক জীবনধারণ সহায়তার জন্য রাষ্ট্রকে প্রায় ১০,০০০ পাউন্ড (১৩,২২২ ডলার) পরিশোধ করতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমান দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৩০ হাজার ৮৪৪ টাকা।
সোমবার (২৯ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আশ্রয়প্রার্থীর বাসস্থান ও জীবনধারণের জন্য মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ খাতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম বিতর্কিত একটি বিষয় হলো অভিবাসন, যা জনমত জরিপে ধারাবাহিকভাবে ভোটারদের শীর্ষ উদ্বেগের তালিকায় থাকে এবং সময়ে সময়ে বিক্ষোভ ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার জন্ম দেয়।
মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি বৈধ ও অবৈধ উভয়ভাবেই অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এর মাধ্যমে তারা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থানকে প্রতিহত করতে চাইছে। দলটি ৬ লাখ পর্যন্ত আশ্রয়প্রার্থীকে নির্বাসিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেছেন, তাদের সর্বশেষ সংস্কারগুলো করদাতাদের ওপর বোঝা কমানোর লক্ষ্যেই প্রণীত হয়েছে। আশ্রয় সহায়তা পাওয়া একটি অধিকার তবে একইসঙ্গে এটি দায়িত্বও বটে। যারা ব্রিটেনের জনগণের উদারতার প্রতিদান দিতে প্রস্তুত, তারাই এ দেশে আশ্রয় পাবেন।
এই ফি শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর প্রযোজ্য হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: রয়টার্স

আশ্রয়প্রার্থীদের (অ্যাসাইলাম) জন্য দুঃসংবাদ দিলো যুক্তরাজ্য। অবৈধ অভিবাসনের জোয়ার নিয়ন্ত্রণ করতে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
অবৈধ অভিবাসন রোধে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ করেছে যুক্তরাজ্য। এখন থেকে ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করার যোগ্য হওয়ার আগে বাসস্থান এবং মৌলিক জীবনধারণ সহায়তার জন্য রাষ্ট্রকে প্রায় ১০,০০০ পাউন্ড (১৩,২২২ ডলার) পরিশোধ করতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমান দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৩০ হাজার ৮৪৪ টাকা।
সোমবার (২৯ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আশ্রয়প্রার্থীর বাসস্থান ও জীবনধারণের জন্য মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ খাতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম বিতর্কিত একটি বিষয় হলো অভিবাসন, যা জনমত জরিপে ধারাবাহিকভাবে ভোটারদের শীর্ষ উদ্বেগের তালিকায় থাকে এবং সময়ে সময়ে বিক্ষোভ ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার জন্ম দেয়।
মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি বৈধ ও অবৈধ উভয়ভাবেই অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এর মাধ্যমে তারা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থানকে প্রতিহত করতে চাইছে। দলটি ৬ লাখ পর্যন্ত আশ্রয়প্রার্থীকে নির্বাসিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেছেন, তাদের সর্বশেষ সংস্কারগুলো করদাতাদের ওপর বোঝা কমানোর লক্ষ্যেই প্রণীত হয়েছে। আশ্রয় সহায়তা পাওয়া একটি অধিকার তবে একইসঙ্গে এটি দায়িত্বও বটে। যারা ব্রিটেনের জনগণের উদারতার প্রতিদান দিতে প্রস্তুত, তারাই এ দেশে আশ্রয় পাবেন।
এই ফি শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর প্রযোজ্য হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: রয়টার্স

আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ যুক্তরাজ্যের
সিজেডএন ডেস্ক

আশ্রয়প্রার্থীদের (অ্যাসাইলাম) জন্য দুঃসংবাদ দিলো যুক্তরাজ্য। অবৈধ অভিবাসনের জোয়ার নিয়ন্ত্রণ করতে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
অবৈধ অভিবাসন রোধে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর ফি নির্ধারণ করেছে যুক্তরাজ্য। এখন থেকে ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করার যোগ্য হওয়ার আগে বাসস্থান এবং মৌলিক জীবনধারণ সহায়তার জন্য রাষ্ট্রকে প্রায় ১০,০০০ পাউন্ড (১৩,২২২ ডলার) পরিশোধ করতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমান দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৩০ হাজার ৮৪৪ টাকা।
সোমবার (২৯ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আশ্রয়প্রার্থীর বাসস্থান ও জীবনধারণের জন্য মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ খাতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম বিতর্কিত একটি বিষয় হলো অভিবাসন, যা জনমত জরিপে ধারাবাহিকভাবে ভোটারদের শীর্ষ উদ্বেগের তালিকায় থাকে এবং সময়ে সময়ে বিক্ষোভ ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার জন্ম দেয়।
মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি বৈধ ও অবৈধ উভয়ভাবেই অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এর মাধ্যমে তারা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থানকে প্রতিহত করতে চাইছে। দলটি ৬ লাখ পর্যন্ত আশ্রয়প্রার্থীকে নির্বাসিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেছেন, তাদের সর্বশেষ সংস্কারগুলো করদাতাদের ওপর বোঝা কমানোর লক্ষ্যেই প্রণীত হয়েছে। আশ্রয় সহায়তা পাওয়া একটি অধিকার তবে একইসঙ্গে এটি দায়িত্বও বটে। যারা ব্রিটেনের জনগণের উদারতার প্রতিদান দিতে প্রস্তুত, তারাই এ দেশে আশ্রয় পাবেন।
এই ফি শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর প্রযোজ্য হবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: রয়টার্স

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী


