পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা নেতানিয়াহুর

পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা নেতানিয়াহুর
সিজেডএন ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন করে তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। একের পর এক গ্রামে ঢুকে ঘরবাড়ি ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে হামলা চালানো হয়। এ সময় ফিলিস্তিনিদের উদ্ধার করতে আসা অ্যাম্বুলেন্স এবং ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপরেও চড়াও হয় হামলাকারীরা। এ সময় ইসরায়েলি পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে থাকলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
এ সহিংসতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে মুখ খোলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে তিনি বিষয়টিকে ‘কয়েকজন বিশৃঙ্খলাকারীর কাজ’ বলে অভিহিত করেন এবং তাদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর এ প্রতিশ্রুতি কেবল কথাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মুখ ঢাকা হামলাকারীদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি স্থানীয় পুলিশ।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এ নিন্দা মূল সত্যকে আড়াল করার একটি রাজনৈতিক কৌশল মাত্র। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি প্রমাণ করতে চান হাজার হাজার সাধারণ ইসরায়েলি ভালো, আর কেবল গুটি কয়েক লোক এমন ঝামেলা করছে। এতে করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ফিলিস্তিনিদের জমি দখলের মূল অপরাধের ওপর থেকে সহজেই নজর সরিয়ে নেওয়া যায়।
বাস্তবতা হলো, মুখে যাই বলা হোক না কেন, পশ্চিম তীরে বসতি বাড়ানোর নীতিতে ইসরায়েল সরকার সবসময়ই অবিচল। ১৯৯৩ সালে এ অঞ্চলে প্রায় আড়াই লাখ ইসরায়েলি বসবাস করত। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখে। একের পর এক নতুন এলাকা অনুমোদন দিয়ে সেখানে বিশাল সরকারি বাজেট পাঠাচ্ছে তেল আবিব। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, পুরো পশ্চিম তীর নিজেদের দখলে নিয়ে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন চিরতরে মুছে দেওয়া।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলিদের আক্রমণের ঘটনা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এত কিছুর পরও আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো কেবল বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করেই দায় সারছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ না আসায়, ইসরায়েল সেনাবাহিনী ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ফিলিস্তিনের জমি দখল অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন করে তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। একের পর এক গ্রামে ঢুকে ঘরবাড়ি ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে হামলা চালানো হয়। এ সময় ফিলিস্তিনিদের উদ্ধার করতে আসা অ্যাম্বুলেন্স এবং ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপরেও চড়াও হয় হামলাকারীরা। এ সময় ইসরায়েলি পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে থাকলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
এ সহিংসতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে মুখ খোলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে তিনি বিষয়টিকে ‘কয়েকজন বিশৃঙ্খলাকারীর কাজ’ বলে অভিহিত করেন এবং তাদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর এ প্রতিশ্রুতি কেবল কথাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মুখ ঢাকা হামলাকারীদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি স্থানীয় পুলিশ।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এ নিন্দা মূল সত্যকে আড়াল করার একটি রাজনৈতিক কৌশল মাত্র। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি প্রমাণ করতে চান হাজার হাজার সাধারণ ইসরায়েলি ভালো, আর কেবল গুটি কয়েক লোক এমন ঝামেলা করছে। এতে করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ফিলিস্তিনিদের জমি দখলের মূল অপরাধের ওপর থেকে সহজেই নজর সরিয়ে নেওয়া যায়।
বাস্তবতা হলো, মুখে যাই বলা হোক না কেন, পশ্চিম তীরে বসতি বাড়ানোর নীতিতে ইসরায়েল সরকার সবসময়ই অবিচল। ১৯৯৩ সালে এ অঞ্চলে প্রায় আড়াই লাখ ইসরায়েলি বসবাস করত। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখে। একের পর এক নতুন এলাকা অনুমোদন দিয়ে সেখানে বিশাল সরকারি বাজেট পাঠাচ্ছে তেল আবিব। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, পুরো পশ্চিম তীর নিজেদের দখলে নিয়ে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন চিরতরে মুছে দেওয়া।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলিদের আক্রমণের ঘটনা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এত কিছুর পরও আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো কেবল বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করেই দায় সারছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ না আসায়, ইসরায়েল সেনাবাহিনী ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ফিলিস্তিনের জমি দখল অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা নেতানিয়াহুর
সিজেডএন ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর নতুন করে তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। একের পর এক গ্রামে ঢুকে ঘরবাড়ি ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে হামলা চালানো হয়। এ সময় ফিলিস্তিনিদের উদ্ধার করতে আসা অ্যাম্বুলেন্স এবং ঘটনার সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপরেও চড়াও হয় হামলাকারীরা। এ সময় ইসরায়েলি পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে থাকলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
এ সহিংসতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে মুখ খোলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে তিনি বিষয়টিকে ‘কয়েকজন বিশৃঙ্খলাকারীর কাজ’ বলে অভিহিত করেন এবং তাদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর এ প্রতিশ্রুতি কেবল কথাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মুখ ঢাকা হামলাকারীদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি স্থানীয় পুলিশ।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এ নিন্দা মূল সত্যকে আড়াল করার একটি রাজনৈতিক কৌশল মাত্র। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি প্রমাণ করতে চান হাজার হাজার সাধারণ ইসরায়েলি ভালো, আর কেবল গুটি কয়েক লোক এমন ঝামেলা করছে। এতে করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ফিলিস্তিনিদের জমি দখলের মূল অপরাধের ওপর থেকে সহজেই নজর সরিয়ে নেওয়া যায়।
বাস্তবতা হলো, মুখে যাই বলা হোক না কেন, পশ্চিম তীরে বসতি বাড়ানোর নীতিতে ইসরায়েল সরকার সবসময়ই অবিচল। ১৯৯৩ সালে এ অঞ্চলে প্রায় আড়াই লাখ ইসরায়েলি বসবাস করত। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখে। একের পর এক নতুন এলাকা অনুমোদন দিয়ে সেখানে বিশাল সরকারি বাজেট পাঠাচ্ছে তেল আবিব। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, পুরো পশ্চিম তীর নিজেদের দখলে নিয়ে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন চিরতরে মুছে দেওয়া।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলিদের আক্রমণের ঘটনা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এত কিছুর পরও আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো কেবল বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করেই দায় সারছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ না আসায়, ইসরায়েল সেনাবাহিনী ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ফিলিস্তিনের জমি দখল অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ফিলিস্তিনি নারী বন্দিদের খাবার, পানি ও চিকিৎসা দিচ্ছে না ইসরায়েল






