রংপুরে চার খুন: আসামিদের নমুনায় মাদকের প্রমাণ মেলেনি

রংপুরে চার খুন: আসামিদের নমুনায় মাদকের প্রমাণ মেলেনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অতিরিক্ত ইয়াবসেবনের পর হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করেছে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। কিন্তু তাদের ডোপ টেস্টে মাদকের প্রমাণ মেলেনি। গতকাল রবিবার (৩০ আগস্ট) কারাগারের মধ্যে তাদের মূত্রের নমুনা নেওয়া হয়। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করে দেখা যায় এই দুই আসামির নমুনায় মাদকের প্রমাণ নেই। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধর ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিয়ে বলেছেন, ‘প্রতিবেদনে তাদের শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।’ এর একটা কারণও জানিয়েছেন সনাতন চক্রবর্তী। তার মতে, ঘটনার আট দিন পর আসামিদের মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতদিন পর মূত্রে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
পুলিশের পক্ষ থেকে আগে বলা হয়েছিল, চারজনকে হত্যার আগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ ইয়াবা সেবন করেছিলেন। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও তারা হত্যার আগে দুজনে মিলে ৮–৯টি ইয়াবা সেবনের কথা বলেছেন।
পুলিশ যা বলেছে এবং সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে যা বলেছেন, সেটার সঙ্গে ডোপ টেস্টের এই ফল সাংঘর্ষিক কি না, এমন প্রশ্নে উপপুলিশ কমিশনার বলেছেন, ‘তদন্ত চলছে। আমরা বসে নেই। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস ওই চারজনকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা এখন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অতিরিক্ত ইয়াবসেবনের পর হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করেছে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। কিন্তু তাদের ডোপ টেস্টে মাদকের প্রমাণ মেলেনি। গতকাল রবিবার (৩০ আগস্ট) কারাগারের মধ্যে তাদের মূত্রের নমুনা নেওয়া হয়। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করে দেখা যায় এই দুই আসামির নমুনায় মাদকের প্রমাণ নেই। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধর ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিয়ে বলেছেন, ‘প্রতিবেদনে তাদের শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।’ এর একটা কারণও জানিয়েছেন সনাতন চক্রবর্তী। তার মতে, ঘটনার আট দিন পর আসামিদের মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতদিন পর মূত্রে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
পুলিশের পক্ষ থেকে আগে বলা হয়েছিল, চারজনকে হত্যার আগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ ইয়াবা সেবন করেছিলেন। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও তারা হত্যার আগে দুজনে মিলে ৮–৯টি ইয়াবা সেবনের কথা বলেছেন।
পুলিশ যা বলেছে এবং সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে যা বলেছেন, সেটার সঙ্গে ডোপ টেস্টের এই ফল সাংঘর্ষিক কি না, এমন প্রশ্নে উপপুলিশ কমিশনার বলেছেন, ‘তদন্ত চলছে। আমরা বসে নেই। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস ওই চারজনকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা এখন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রংপুরে চার খুন: আসামিদের নমুনায় মাদকের প্রমাণ মেলেনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অতিরিক্ত ইয়াবসেবনের পর হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করেছে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস। কিন্তু তাদের ডোপ টেস্টে মাদকের প্রমাণ মেলেনি। গতকাল রবিবার (৩০ আগস্ট) কারাগারের মধ্যে তাদের মূত্রের নমুনা নেওয়া হয়। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করে দেখা যায় এই দুই আসামির নমুনায় মাদকের প্রমাণ নেই। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধর ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
রংপুর মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিয়ে বলেছেন, ‘প্রতিবেদনে তাদের শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।’ এর একটা কারণও জানিয়েছেন সনাতন চক্রবর্তী। তার মতে, ঘটনার আট দিন পর আসামিদের মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতদিন পর মূত্রে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
পুলিশের পক্ষ থেকে আগে বলা হয়েছিল, চারজনকে হত্যার আগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ ইয়াবা সেবন করেছিলেন। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও তারা হত্যার আগে দুজনে মিলে ৮–৯টি ইয়াবা সেবনের কথা বলেছেন।
পুলিশ যা বলেছে এবং সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে যা বলেছেন, সেটার সঙ্গে ডোপ টেস্টের এই ফল সাংঘর্ষিক কি না, এমন প্রশ্নে উপপুলিশ কমিশনার বলেছেন, ‘তদন্ত চলছে। আমরা বসে নেই। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস ওই চারজনকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা এখন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।









