শিরোনাম

লারাক দ্বীপে হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
লারাক দ্বীপে হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটির স্যাটেলাইট চিত্র

ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপের সরাসরি জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সোমবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জর্ডানের কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে আঘাত হানার বিষয়টি নিশ্চিত করে তারা।

আইআরজিসির দাবি, তাদের এ হামলায় ঘাঁটি দুটির প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ও পুনর্গঠন সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে সেখানে শত্রুপক্ষের বিমান পরিচালনার মূল পরিকাঠামোও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানায় তারা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আগেই জানিয়েছিল, লারাক দ্বীপে হামলার জন্য দায়ীদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার সংকল্প করেছিল আইআরজিসি।

অভিযানের পর দেওয়া বিবৃতিতে বাহিনীটি বলে, ইরানের বিরুদ্ধে চালানো প্রতিটি হামলার জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার যেকোনো ধরনের প্রয়াস প্রতিহত করার বার্তাও দিয়েছে তেহরান।

এর আগে রবিবার ইরানের লারাক দ্বীপে আইআরজিসির দুটি রকেট উৎক্ষেপণকারী স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে মার্কিন যুদ্ধবিমান। তেহরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তাদের কয়েকজন সেনা সদস্যের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন ভিন্ন কথা। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মাইনবাহী দুটি জাহাজে হামলা চালানোর জন্য রকেট উৎক্ষেপণকারী কেন্দ্র দুটি প্রস্তুত করা হচ্ছিল। মূলত সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকাতেই আগাম ওই আঘাত হানা হয়। তিনি আরও জানান, লারাক দ্বীপ ও তার চারপাশের সীমান্ত এলাকায় মার্কিন বাহিনী এখন কড়া নজরদারি রাখছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌযান চলাচল নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

/এমএকে/