যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সাড়ে ৩ লাখ নাগরিকের মামলা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সাড়ে ৩ লাখ নাগরিকের মামলা
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো ১২ দিনের যুদ্ধের ঘটনায় সর্বস্ব হারানো ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৮৩ জন ইরানি নাগরিক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। দেশটিতে এ বিশাল সংখ্যক মানুষের করা ১১০টিরও বেশি মামলার প্রথম শুনানি রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে তেহরানের ইমাম খোমেনি জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র সরকার, ইসরায়েলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এ হামলার সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলোর কাছ থেকে বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্যই এই আইনি লড়াই শুরু হয়েছে।
শুনানির শুরুতে বিচারক হোসেইনজাদেহ জানান য, বাদীরা ‘১২ দিনের আগ্রাসী যুদ্ধ এবং পরবর্তী কর্মকাণ্ডের সময়’ ইরানের ভূখণ্ডে চালানো হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষতি, অনিষ্ট ও নৈতিক লোকসানের জন্য এসব মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক ইরানির জন্য একটি ‘সুনিশ্চিত, মৌলিক ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার’। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে।
এ মামলার শুনানির আইনি ভিত্তি সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে বিচারক ইরানের বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট আইনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ‘বিদেশি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা শুনানির ক্ষেত্রে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আদালতের এখতিয়ার সংক্রান্ত আইন’-এর ১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, পারস্পরিক আচরণের ভিত্তিতে ইরানি আদালত বিদেশি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।
মার্কিন আদালতগুলোর মাধ্যমে ইরানি সরকার ও কর্মকর্তাদের বিচারিক দায়মুক্তি বারবার লঙ্ঘিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পারস্পরিক আচরণের মাধ্যমেই স্থানীয় আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগের যৌক্তিকতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ২০১৬ সালের একটি আইনের মাধ্যমে মার্কিন কর্মকাণ্ডের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুযোগ এবং ১৯৮৯ সালের একটি আইনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের আইনি এখতিয়ার বিচার বিভাগের রয়েছে।
মামলার পরিসরে শুধু আর্থিক বা বস্তুগত ক্ষতি নয়, বরং মানসিক ও নৈতিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিচারক ‘সিভিল লায়াবিলিটি ল’ বা দেওয়ানি দায়বদ্ধতা আইনের কথা উল্লেখ করে জানান, দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর চালানো এ আগ্রাসনের কারণে সৃষ্ট মানসিক ও নৈতিক ক্ষতির জন্যও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবি তোলার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, ২০১৭ সালের একটি আইনের আওতায় মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সন্ত্রাসী সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই আইনের বিধান মেনেই হামলাগুলোকে আমলে নেওয়া হচ্ছে।
আদালতে এসব ঘটনার সার্বিক প্রমাণ ও নথিপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিচারক হোসেইনজাদেহ স্পষ্ট করেন, আদালতের সামনে মূল বিচার্য বিষয় হলো ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং পরবর্তী সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বেআইনি কার্যক্রম। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন সমর্থনে ইসরায়েল ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানের মতো সংবেদনশীল পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছিল, যার জবাবে ইরানও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
সূত্র: প্রেস টিভি

২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো ১২ দিনের যুদ্ধের ঘটনায় সর্বস্ব হারানো ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৮৩ জন ইরানি নাগরিক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। দেশটিতে এ বিশাল সংখ্যক মানুষের করা ১১০টিরও বেশি মামলার প্রথম শুনানি রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে তেহরানের ইমাম খোমেনি জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র সরকার, ইসরায়েলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এ হামলার সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলোর কাছ থেকে বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্যই এই আইনি লড়াই শুরু হয়েছে।
শুনানির শুরুতে বিচারক হোসেইনজাদেহ জানান য, বাদীরা ‘১২ দিনের আগ্রাসী যুদ্ধ এবং পরবর্তী কর্মকাণ্ডের সময়’ ইরানের ভূখণ্ডে চালানো হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষতি, অনিষ্ট ও নৈতিক লোকসানের জন্য এসব মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক ইরানির জন্য একটি ‘সুনিশ্চিত, মৌলিক ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার’। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে।
এ মামলার শুনানির আইনি ভিত্তি সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে বিচারক ইরানের বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট আইনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ‘বিদেশি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা শুনানির ক্ষেত্রে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আদালতের এখতিয়ার সংক্রান্ত আইন’-এর ১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, পারস্পরিক আচরণের ভিত্তিতে ইরানি আদালত বিদেশি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।
মার্কিন আদালতগুলোর মাধ্যমে ইরানি সরকার ও কর্মকর্তাদের বিচারিক দায়মুক্তি বারবার লঙ্ঘিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পারস্পরিক আচরণের মাধ্যমেই স্থানীয় আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগের যৌক্তিকতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ২০১৬ সালের একটি আইনের মাধ্যমে মার্কিন কর্মকাণ্ডের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুযোগ এবং ১৯৮৯ সালের একটি আইনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের আইনি এখতিয়ার বিচার বিভাগের রয়েছে।
মামলার পরিসরে শুধু আর্থিক বা বস্তুগত ক্ষতি নয়, বরং মানসিক ও নৈতিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিচারক ‘সিভিল লায়াবিলিটি ল’ বা দেওয়ানি দায়বদ্ধতা আইনের কথা উল্লেখ করে জানান, দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর চালানো এ আগ্রাসনের কারণে সৃষ্ট মানসিক ও নৈতিক ক্ষতির জন্যও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবি তোলার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, ২০১৭ সালের একটি আইনের আওতায় মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সন্ত্রাসী সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই আইনের বিধান মেনেই হামলাগুলোকে আমলে নেওয়া হচ্ছে।
আদালতে এসব ঘটনার সার্বিক প্রমাণ ও নথিপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিচারক হোসেইনজাদেহ স্পষ্ট করেন, আদালতের সামনে মূল বিচার্য বিষয় হলো ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং পরবর্তী সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বেআইনি কার্যক্রম। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন সমর্থনে ইসরায়েল ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানের মতো সংবেদনশীল পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছিল, যার জবাবে ইরানও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
সূত্র: প্রেস টিভি

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সাড়ে ৩ লাখ নাগরিকের মামলা
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো ১২ দিনের যুদ্ধের ঘটনায় সর্বস্ব হারানো ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৮৩ জন ইরানি নাগরিক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। দেশটিতে এ বিশাল সংখ্যক মানুষের করা ১১০টিরও বেশি মামলার প্রথম শুনানি রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে তেহরানের ইমাম খোমেনি জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র সরকার, ইসরায়েলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এ হামলার সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলোর কাছ থেকে বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্যই এই আইনি লড়াই শুরু হয়েছে।
শুনানির শুরুতে বিচারক হোসেইনজাদেহ জানান য, বাদীরা ‘১২ দিনের আগ্রাসী যুদ্ধ এবং পরবর্তী কর্মকাণ্ডের সময়’ ইরানের ভূখণ্ডে চালানো হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষতি, অনিষ্ট ও নৈতিক লোকসানের জন্য এসব মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক ইরানির জন্য একটি ‘সুনিশ্চিত, মৌলিক ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার’। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে।
এ মামলার শুনানির আইনি ভিত্তি সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে বিচারক ইরানের বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট আইনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ‘বিদেশি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা শুনানির ক্ষেত্রে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আদালতের এখতিয়ার সংক্রান্ত আইন’-এর ১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, পারস্পরিক আচরণের ভিত্তিতে ইরানি আদালত বিদেশি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।
মার্কিন আদালতগুলোর মাধ্যমে ইরানি সরকার ও কর্মকর্তাদের বিচারিক দায়মুক্তি বারবার লঙ্ঘিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পারস্পরিক আচরণের মাধ্যমেই স্থানীয় আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগের যৌক্তিকতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ২০১৬ সালের একটি আইনের মাধ্যমে মার্কিন কর্মকাণ্ডের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুযোগ এবং ১৯৮৯ সালের একটি আইনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের আইনি এখতিয়ার বিচার বিভাগের রয়েছে।
মামলার পরিসরে শুধু আর্থিক বা বস্তুগত ক্ষতি নয়, বরং মানসিক ও নৈতিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিচারক ‘সিভিল লায়াবিলিটি ল’ বা দেওয়ানি দায়বদ্ধতা আইনের কথা উল্লেখ করে জানান, দেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর চালানো এ আগ্রাসনের কারণে সৃষ্ট মানসিক ও নৈতিক ক্ষতির জন্যও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবি তোলার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, ২০১৭ সালের একটি আইনের আওতায় মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সন্ত্রাসী সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই আইনের বিধান মেনেই হামলাগুলোকে আমলে নেওয়া হচ্ছে।
আদালতে এসব ঘটনার সার্বিক প্রমাণ ও নথিপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিচারক হোসেইনজাদেহ স্পষ্ট করেন, আদালতের সামনে মূল বিচার্য বিষয় হলো ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং পরবর্তী সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বেআইনি কার্যক্রম। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন সমর্থনে ইসরায়েল ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানের মতো সংবেদনশীল পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছিল, যার জবাবে ইরানও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
সূত্র: প্রেস টিভি

হুথিদের অগ্রযাত্রা ইরান যুদ্ধে কী প্রভাব ফেলবে







