আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট-হরতাল করা যাবে না: হাইকোর্ট

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট-হরতাল করা যাবে না: হাইকোর্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ধর্মঘট ও হরতাল ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ধরনের কোনো কর্মসূচি ডাকলে বাস মালিক সমিতি বা শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিটের রুল যথাযথ ঘোষণা করে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এই রায় দেন।
জানা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং এটিএন নিউজের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনীরসহ পাঁচজনের প্রাণহানির ঘটনায় করা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ের পর পরিবহনশ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের প্রেক্ষাপটে নয় বছর আগে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ এ রায় দেওয়া হয়।
এর আগে, জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে ২০১৭ সালে রিটটি করে।
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুসারে আদালতের রায় সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। কিন্তু আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলেও রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আহসান হাবীব। বিআরটিএ’র পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় নুতন চলচ্চিত্রের দৃশ্যায়নের নির্ধারিত স্থান দেখে মাইক্রোবাসে ঢাকায় ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন ঘটনাস্থলে নিহত হন। প্রাণহানির এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রায় দেন মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। রায়ে বাসচালক জামির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের পর ওই জেলায় পরিবহনশ্রমিকেরা পরিবহন ধর্মঘট ডাকেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে এ নিয়ে এইচআরপিবি রিটটি করে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ১ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন।

আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ধর্মঘট ও হরতাল ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ধরনের কোনো কর্মসূচি ডাকলে বাস মালিক সমিতি বা শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিটের রুল যথাযথ ঘোষণা করে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এই রায় দেন।
জানা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং এটিএন নিউজের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনীরসহ পাঁচজনের প্রাণহানির ঘটনায় করা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ের পর পরিবহনশ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের প্রেক্ষাপটে নয় বছর আগে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ এ রায় দেওয়া হয়।
এর আগে, জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে ২০১৭ সালে রিটটি করে।
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুসারে আদালতের রায় সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। কিন্তু আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলেও রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আহসান হাবীব। বিআরটিএ’র পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় নুতন চলচ্চিত্রের দৃশ্যায়নের নির্ধারিত স্থান দেখে মাইক্রোবাসে ঢাকায় ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন ঘটনাস্থলে নিহত হন। প্রাণহানির এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রায় দেন মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। রায়ে বাসচালক জামির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের পর ওই জেলায় পরিবহনশ্রমিকেরা পরিবহন ধর্মঘট ডাকেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে এ নিয়ে এইচআরপিবি রিটটি করে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ১ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন।

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট-হরতাল করা যাবে না: হাইকোর্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ধর্মঘট ও হরতাল ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ধরনের কোনো কর্মসূচি ডাকলে বাস মালিক সমিতি বা শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিটের রুল যথাযথ ঘোষণা করে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এই রায় দেন।
জানা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং এটিএন নিউজের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনীরসহ পাঁচজনের প্রাণহানির ঘটনায় করা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ের পর পরিবহনশ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের প্রেক্ষাপটে নয় বছর আগে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ এ রায় দেওয়া হয়।
এর আগে, জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে ২০১৭ সালে রিটটি করে।
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুসারে আদালতের রায় সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। কিন্তু আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলেও রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আহসান হাবীব। বিআরটিএ’র পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় নুতন চলচ্চিত্রের দৃশ্যায়নের নির্ধারিত স্থান দেখে মাইক্রোবাসে ঢাকায় ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন ঘটনাস্থলে নিহত হন। প্রাণহানির এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রায় দেন মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। রায়ে বাসচালক জামির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের পর ওই জেলায় পরিবহনশ্রমিকেরা পরিবহন ধর্মঘট ডাকেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে এ নিয়ে এইচআরপিবি রিটটি করে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ১ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন।

এবার ‘রোমান্টিক’ নাটক-সিনেমা নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টে রিট





