কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাসে মার্কিন বিমান হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তেহরান। এর জবাবে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরে কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, এ পদক্ষেপ শত্রুদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। যেকোনো আগ্রাসনের জবাব নিশ্চিতভাবে দেওয়া হবে এবং এর পুনরাবৃত্তি ঘটলে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে আরও চূড়ান্ত। তবে এ হামলার বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে ওয়াশিংটনের এক কর্মকর্তা জানান, হরমুজ প্রণালিতে হুমকি তৈরি করা ৪টি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে মার্কিন বাহিনী। একই সঙ্গে বন্দর আব্বাসে পঞ্চম ড্রোন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিতে থাকা একটি ইরানি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনেও হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতেই সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলকভাবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) হামলাকে যুদ্ধবিরতির গুরুতর লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছিল ইরান।
এদিকে ২ দেশের চলমান উত্তেজনা ও শান্তি আলোচনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থা সন্তুোষজনক নয়, তবে একটি সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। এর জবাবে ইরানও ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী চুক্তি করা সম্ভব হয়নি। ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ালেও ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ বহাল রেখেছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাসে মার্কিন বিমান হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তেহরান। এর জবাবে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরে কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, এ পদক্ষেপ শত্রুদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। যেকোনো আগ্রাসনের জবাব নিশ্চিতভাবে দেওয়া হবে এবং এর পুনরাবৃত্তি ঘটলে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে আরও চূড়ান্ত। তবে এ হামলার বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে ওয়াশিংটনের এক কর্মকর্তা জানান, হরমুজ প্রণালিতে হুমকি তৈরি করা ৪টি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে মার্কিন বাহিনী। একই সঙ্গে বন্দর আব্বাসে পঞ্চম ড্রোন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিতে থাকা একটি ইরানি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনেও হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতেই সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলকভাবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) হামলাকে যুদ্ধবিরতির গুরুতর লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছিল ইরান।
এদিকে ২ দেশের চলমান উত্তেজনা ও শান্তি আলোচনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থা সন্তুোষজনক নয়, তবে একটি সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। এর জবাবে ইরানও ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী চুক্তি করা সম্ভব হয়নি। ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ালেও ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ বহাল রেখেছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাসে মার্কিন বিমান হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তেহরান। এর জবাবে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরে কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, এ পদক্ষেপ শত্রুদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। যেকোনো আগ্রাসনের জবাব নিশ্চিতভাবে দেওয়া হবে এবং এর পুনরাবৃত্তি ঘটলে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপ হবে আরও চূড়ান্ত। তবে এ হামলার বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে ওয়াশিংটনের এক কর্মকর্তা জানান, হরমুজ প্রণালিতে হুমকি তৈরি করা ৪টি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে মার্কিন বাহিনী। একই সঙ্গে বন্দর আব্বাসে পঞ্চম ড্রোন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিতে থাকা একটি ইরানি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনেও হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতেই সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলকভাবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) হামলাকে যুদ্ধবিরতির গুরুতর লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছিল ইরান।
এদিকে ২ দেশের চলমান উত্তেজনা ও শান্তি আলোচনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থা সন্তুোষজনক নয়, তবে একটি সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। এর জবাবে ইরানও ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী চুক্তি করা সম্ভব হয়নি। ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ালেও ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ বহাল রেখেছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন হামলায় আইআরজিসির নৌ-প্রধানের মৃত্যুর গুঞ্জন

