মার্কিন হামলায় আইআরজিসির নৌ-প্রধানের মৃত্যুর গুঞ্জন

মার্কিন হামলায় আইআরজিসির নৌ-প্রধানের মৃত্যুর গুঞ্জন
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে মার্কিন বিমান হামলার পর দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নবনিযুক্ত নৌ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আজমাই নিহত হয়েছেন বলে জোরালো গুঞ্জন উঠেছে। সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘দ্য ইরান ওয়াচার’ এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অসমর্থিত কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে সংস্থাটি ইঙ্গিত করেছে, বন্দর আব্বাসে মার্কিন হামলার সময় আলী আজমাই সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন এবং সম্ভবত তিনি মারা গেছেন। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিতকরণ বা মন্তব্য করা হয়নি।
আলী আজমাইকে আইআরজিসি নৌবাহিনীর অন্যতম অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘৫ম নৌ অঞ্চল’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ বিশেষ কমান্ডটি মূলত পারস্য উপসাগর এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান মহাসড়ক ‘হরমুজ প্রণালি’তে ইরানের সমস্ত সামরিক ও নৌ অপারেশন তদারকি করে। উল্লেখ্য, এর আগে চলমান সংঘাতের মধ্যেই আইআরজিসির সাবেক নৌপ্রধান আলী রেজা তাংসিরি নিহত হওয়ার পর গভীর নেতৃত্বসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল ইরানি নৌবাহিনী। সেই শূন্যতা পূরণ করতেই গত কয়েক সপ্তাহে আজমাইকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের প্রধান নৌঘাঁটি ‘বন্দর আব্বাস’ মার্কিন-ইরান সরাসরি সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ আন্তর্জাতিক জলপথটি বিশ্বের সবচেয়ে সংবেদনশীল এবং কৌশলগত মেরিটাইম চেকপয়েন্ট বা নৌ-অবরোধ অঞ্চলগুলোর একটি। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন হামলায় আজমাইয়ের মৃত্যুর খবরটি যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে তা চলমান ওয়াশিংটন-তেহরান সংঘাতকে এক নজিরবিহীন ও বিপজ্জনক মাত্রায় নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে পরপর দুজন শীর্ষ নৌকমান্ডারকে হারানো ইরানের সামগ্রিক সামরিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।
সূত্র: গালফ নিইজ

ইরানের কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে মার্কিন বিমান হামলার পর দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নবনিযুক্ত নৌ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আজমাই নিহত হয়েছেন বলে জোরালো গুঞ্জন উঠেছে। সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘দ্য ইরান ওয়াচার’ এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অসমর্থিত কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে সংস্থাটি ইঙ্গিত করেছে, বন্দর আব্বাসে মার্কিন হামলার সময় আলী আজমাই সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন এবং সম্ভবত তিনি মারা গেছেন। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিতকরণ বা মন্তব্য করা হয়নি।
আলী আজমাইকে আইআরজিসি নৌবাহিনীর অন্যতম অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘৫ম নৌ অঞ্চল’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ বিশেষ কমান্ডটি মূলত পারস্য উপসাগর এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান মহাসড়ক ‘হরমুজ প্রণালি’তে ইরানের সমস্ত সামরিক ও নৌ অপারেশন তদারকি করে। উল্লেখ্য, এর আগে চলমান সংঘাতের মধ্যেই আইআরজিসির সাবেক নৌপ্রধান আলী রেজা তাংসিরি নিহত হওয়ার পর গভীর নেতৃত্বসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল ইরানি নৌবাহিনী। সেই শূন্যতা পূরণ করতেই গত কয়েক সপ্তাহে আজমাইকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের প্রধান নৌঘাঁটি ‘বন্দর আব্বাস’ মার্কিন-ইরান সরাসরি সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ আন্তর্জাতিক জলপথটি বিশ্বের সবচেয়ে সংবেদনশীল এবং কৌশলগত মেরিটাইম চেকপয়েন্ট বা নৌ-অবরোধ অঞ্চলগুলোর একটি। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন হামলায় আজমাইয়ের মৃত্যুর খবরটি যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে তা চলমান ওয়াশিংটন-তেহরান সংঘাতকে এক নজিরবিহীন ও বিপজ্জনক মাত্রায় নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে পরপর দুজন শীর্ষ নৌকমান্ডারকে হারানো ইরানের সামগ্রিক সামরিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।
সূত্র: গালফ নিইজ

মার্কিন হামলায় আইআরজিসির নৌ-প্রধানের মৃত্যুর গুঞ্জন
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে মার্কিন বিমান হামলার পর দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নবনিযুক্ত নৌ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আজমাই নিহত হয়েছেন বলে জোরালো গুঞ্জন উঠেছে। সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘দ্য ইরান ওয়াচার’ এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অসমর্থিত কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে সংস্থাটি ইঙ্গিত করেছে, বন্দর আব্বাসে মার্কিন হামলার সময় আলী আজমাই সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন এবং সম্ভবত তিনি মারা গেছেন। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিতকরণ বা মন্তব্য করা হয়নি।
আলী আজমাইকে আইআরজিসি নৌবাহিনীর অন্যতম অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘৫ম নৌ অঞ্চল’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ বিশেষ কমান্ডটি মূলত পারস্য উপসাগর এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান মহাসড়ক ‘হরমুজ প্রণালি’তে ইরানের সমস্ত সামরিক ও নৌ অপারেশন তদারকি করে। উল্লেখ্য, এর আগে চলমান সংঘাতের মধ্যেই আইআরজিসির সাবেক নৌপ্রধান আলী রেজা তাংসিরি নিহত হওয়ার পর গভীর নেতৃত্বসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল ইরানি নৌবাহিনী। সেই শূন্যতা পূরণ করতেই গত কয়েক সপ্তাহে আজমাইকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের প্রধান নৌঘাঁটি ‘বন্দর আব্বাস’ মার্কিন-ইরান সরাসরি সংঘাতের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ আন্তর্জাতিক জলপথটি বিশ্বের সবচেয়ে সংবেদনশীল এবং কৌশলগত মেরিটাইম চেকপয়েন্ট বা নৌ-অবরোধ অঞ্চলগুলোর একটি। যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সংস্থা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন হামলায় আজমাইয়ের মৃত্যুর খবরটি যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে তা চলমান ওয়াশিংটন-তেহরান সংঘাতকে এক নজিরবিহীন ও বিপজ্জনক মাত্রায় নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে পরপর দুজন শীর্ষ নৌকমান্ডারকে হারানো ইরানের সামগ্রিক সামরিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।
সূত্র: গালফ নিইজ

ওমানকে উড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

