মাখোঁ-ট্রাম্প বাকযুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পার হলো ফ্রান্সের জাহাজ

মাখোঁ-ট্রাম্প বাকযুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পার হলো ফ্রান্সের জাহাজ
সিটিজেন ডেস্ক

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর তীব্র সমালোচনার একদিন পর ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে একটি ফরাসি মালিকানাধীন জাহাজকে পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
ফরাসি লজিস্টিক প্রতিষ্ঠান সিএমএ সিজিএমের মালিকানাধীন মাল্টার পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ ‘ক্রিবি’ ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর পারস্য উপসাগর ত্যাগকারী প্রথম পশ্চিমা জাহাজ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। তবে চীন, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের মতো কিছু দেশের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ‘ক্রিবি’ ইরানের অনুমোদিত একটি নির্দিষ্ট পথ ধরে উপকূল ঘেঁষে অগ্রসর হয়েছে। জাহাজটি কোনো ফি দিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরান প্রণালিটিকে কার্যত ‘টোল বুথে’ পরিণত করেছে, যেখানে জাহাজপ্রতি প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত আদায় করা হতে পারে। বিশ্ব জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।
এদিকে, এর কয়েক ঘণ্টা আগে মাখোঁ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তীব্র সমালোচনা করেন। হোয়াইট হাউসের এক মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, মাখোঁর স্ত্রী তার সঙ্গে ‘অত্যন্ত খারাপ’ আচরণ করেছেন এবং রসিকতা করে বলেন যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ‘এখনও চোয়ালে ঘুষির আঘাত থেকে সেরে উঠছেন’।
বৃহস্পতিবার মাখোঁ পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য ‘রুচিসম্মত নয়’। তিনি ইরানের বিষয়ে ট্রাম্পের চরম অসংলগ্ন বক্তব্যেরও অভিযোগ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এভাবে ‘নিজের কথার বিরোধিতা’ এবং ‘বারবার মত পরিবর্তন’ করতে পারেন না।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট প্রণালিটি পুনরায় খোলার জন্য মিত্রদের সামরিক প্রচেষ্টায় যোগ দেওয়ার ওয়াশিংটনের উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং এই ধরনের অভিযানকে ‘অবাস্তব’ বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের অভিযান নয়।’
‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ না করেই যুদ্ধ শুরু করেছিল এবং এখন সমর্থনের অভাব নিয়ে অভিযোগ করছে,’ যোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে অল্প সময়ের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য পুনরায় খুলে দিতে পারে। তাদের তেল তুলে নিতে পারি এবং বিপুল অর্থ উপার্জন করতে পারি। এটা কি বিশ্বের জন্য একটা ‘উচ্ছ্বাসের’ মতো হবে?
মাখোঁ একসময় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং মনে হতো দুজনের সম্পর্ক বেশ ভালো। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নটর-ডেম ক্যাথেড্রালের পুনঃউদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
কিন্তু তার এই প্রতিক্রিয়া প্যারিস এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রকাশ্য বিভেদকে উন্মোচিত করেছে।
এই ঘটনার পর মাখোঁর অভ্যন্তরীণ বিরোধীরাও তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। ফ্রান্স আনবাউডের সমন্বয়কারী ম্যানুয়েল বোম্পার্ড বলেছেন,ট্রাম্পের মন্তব্য ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অপমান নিয়ে গবেষণা করেন এমন একজন গবেষক মারি দুরিউ বলেছেন, ট্রাম্প আধিপত্য জাহির করার জন্য উপহাসকে একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তবে, তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধরনের কৌশল প্রায়শই হিতে বিপরীত হয় এবং অপমানিত পক্ষ পরিস্থিতি নিজেদের সুবিধার্থে পাল্টে দেয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর তীব্র সমালোচনার একদিন পর ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে একটি ফরাসি মালিকানাধীন জাহাজকে পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
ফরাসি লজিস্টিক প্রতিষ্ঠান সিএমএ সিজিএমের মালিকানাধীন মাল্টার পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ ‘ক্রিবি’ ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর পারস্য উপসাগর ত্যাগকারী প্রথম পশ্চিমা জাহাজ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। তবে চীন, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের মতো কিছু দেশের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ‘ক্রিবি’ ইরানের অনুমোদিত একটি নির্দিষ্ট পথ ধরে উপকূল ঘেঁষে অগ্রসর হয়েছে। জাহাজটি কোনো ফি দিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরান প্রণালিটিকে কার্যত ‘টোল বুথে’ পরিণত করেছে, যেখানে জাহাজপ্রতি প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত আদায় করা হতে পারে। বিশ্ব জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।
এদিকে, এর কয়েক ঘণ্টা আগে মাখোঁ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তীব্র সমালোচনা করেন। হোয়াইট হাউসের এক মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, মাখোঁর স্ত্রী তার সঙ্গে ‘অত্যন্ত খারাপ’ আচরণ করেছেন এবং রসিকতা করে বলেন যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ‘এখনও চোয়ালে ঘুষির আঘাত থেকে সেরে উঠছেন’।
বৃহস্পতিবার মাখোঁ পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য ‘রুচিসম্মত নয়’। তিনি ইরানের বিষয়ে ট্রাম্পের চরম অসংলগ্ন বক্তব্যেরও অভিযোগ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এভাবে ‘নিজের কথার বিরোধিতা’ এবং ‘বারবার মত পরিবর্তন’ করতে পারেন না।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট প্রণালিটি পুনরায় খোলার জন্য মিত্রদের সামরিক প্রচেষ্টায় যোগ দেওয়ার ওয়াশিংটনের উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং এই ধরনের অভিযানকে ‘অবাস্তব’ বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের অভিযান নয়।’
‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ না করেই যুদ্ধ শুরু করেছিল এবং এখন সমর্থনের অভাব নিয়ে অভিযোগ করছে,’ যোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে অল্প সময়ের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য পুনরায় খুলে দিতে পারে। তাদের তেল তুলে নিতে পারি এবং বিপুল অর্থ উপার্জন করতে পারি। এটা কি বিশ্বের জন্য একটা ‘উচ্ছ্বাসের’ মতো হবে?
মাখোঁ একসময় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং মনে হতো দুজনের সম্পর্ক বেশ ভালো। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নটর-ডেম ক্যাথেড্রালের পুনঃউদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
কিন্তু তার এই প্রতিক্রিয়া প্যারিস এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রকাশ্য বিভেদকে উন্মোচিত করেছে।
এই ঘটনার পর মাখোঁর অভ্যন্তরীণ বিরোধীরাও তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। ফ্রান্স আনবাউডের সমন্বয়কারী ম্যানুয়েল বোম্পার্ড বলেছেন,ট্রাম্পের মন্তব্য ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অপমান নিয়ে গবেষণা করেন এমন একজন গবেষক মারি দুরিউ বলেছেন, ট্রাম্প আধিপত্য জাহির করার জন্য উপহাসকে একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তবে, তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধরনের কৌশল প্রায়শই হিতে বিপরীত হয় এবং অপমানিত পক্ষ পরিস্থিতি নিজেদের সুবিধার্থে পাল্টে দেয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

মাখোঁ-ট্রাম্প বাকযুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পার হলো ফ্রান্সের জাহাজ
সিটিজেন ডেস্ক

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর তীব্র সমালোচনার একদিন পর ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে একটি ফরাসি মালিকানাধীন জাহাজকে পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
ফরাসি লজিস্টিক প্রতিষ্ঠান সিএমএ সিজিএমের মালিকানাধীন মাল্টার পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ ‘ক্রিবি’ ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর পারস্য উপসাগর ত্যাগকারী প্রথম পশ্চিমা জাহাজ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। তবে চীন, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের মতো কিছু দেশের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ‘ক্রিবি’ ইরানের অনুমোদিত একটি নির্দিষ্ট পথ ধরে উপকূল ঘেঁষে অগ্রসর হয়েছে। জাহাজটি কোনো ফি দিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরান প্রণালিটিকে কার্যত ‘টোল বুথে’ পরিণত করেছে, যেখানে জাহাজপ্রতি প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত আদায় করা হতে পারে। বিশ্ব জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।
এদিকে, এর কয়েক ঘণ্টা আগে মাখোঁ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তীব্র সমালোচনা করেন। হোয়াইট হাউসের এক মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, মাখোঁর স্ত্রী তার সঙ্গে ‘অত্যন্ত খারাপ’ আচরণ করেছেন এবং রসিকতা করে বলেন যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ‘এখনও চোয়ালে ঘুষির আঘাত থেকে সেরে উঠছেন’।
বৃহস্পতিবার মাখোঁ পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য ‘রুচিসম্মত নয়’। তিনি ইরানের বিষয়ে ট্রাম্পের চরম অসংলগ্ন বক্তব্যেরও অভিযোগ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এভাবে ‘নিজের কথার বিরোধিতা’ এবং ‘বারবার মত পরিবর্তন’ করতে পারেন না।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট প্রণালিটি পুনরায় খোলার জন্য মিত্রদের সামরিক প্রচেষ্টায় যোগ দেওয়ার ওয়াশিংটনের উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং এই ধরনের অভিযানকে ‘অবাস্তব’ বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের অভিযান নয়।’
‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ না করেই যুদ্ধ শুরু করেছিল এবং এখন সমর্থনের অভাব নিয়ে অভিযোগ করছে,’ যোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে অল্প সময়ের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য পুনরায় খুলে দিতে পারে। তাদের তেল তুলে নিতে পারি এবং বিপুল অর্থ উপার্জন করতে পারি। এটা কি বিশ্বের জন্য একটা ‘উচ্ছ্বাসের’ মতো হবে?
মাখোঁ একসময় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং মনে হতো দুজনের সম্পর্ক বেশ ভালো। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নটর-ডেম ক্যাথেড্রালের পুনঃউদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
কিন্তু তার এই প্রতিক্রিয়া প্যারিস এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রকাশ্য বিভেদকে উন্মোচিত করেছে।
এই ঘটনার পর মাখোঁর অভ্যন্তরীণ বিরোধীরাও তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। ফ্রান্স আনবাউডের সমন্বয়কারী ম্যানুয়েল বোম্পার্ড বলেছেন,ট্রাম্পের মন্তব্য ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অপমান নিয়ে গবেষণা করেন এমন একজন গবেষক মারি দুরিউ বলেছেন, ট্রাম্প আধিপত্য জাহির করার জন্য উপহাসকে একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তবে, তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধরনের কৌশল প্রায়শই হিতে বিপরীত হয় এবং অপমানিত পক্ষ পরিস্থিতি নিজেদের সুবিধার্থে পাল্টে দেয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ




