যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলায় বাড়লো তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলায় বাড়লো তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তেহরান। সেইসঙ্গে বিনা অনুমতিতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকালে ২টি জাহাজের ওপর হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর ফলে বিশ্বব্যাপী আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গ্রিনিচ সময় অনুযায়ী রাত ২টা ৪৩ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১.৪৮ ডলার বা ১.৫৯% বেড়ে ৯৪.৫৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেল ১.৭১ ডলার বা ১.৯০% বেড়ে ৯১.৭৪ ডলারে পৌঁছেছে। দিনের শুরুতে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের ফিউচার্স ৩ ডলারের বেশি বেড়েছিল।
ইরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। যার মধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজও অন্তর্ভুক্ত। তারা বলেছে, এই পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো জাহাজকে গুলি করা হবে।
আইএনজির বিশ্লেষকরা গ্রাহকদের কাছে পাঠানো এক নোটে বলেছেন, ‘এটি আবারও ইঙ্গিত দেয় যে একটি চুক্তি হতে এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি এবং পারস্য উপসাগর থেকে জ্বালানি সরবরাহ সীমিত থাকবে।’
তারা বলেন, নতুন করে লড়াই তীব্র হওয়ায় সকালের লেনদেনে তেলের দাম বেড়েছে।
মার্কিন বাহিনী স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা শুরু করে। ক্রমবর্ধমান এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধটি শুরু হওয়ার পর এপ্রিলের শুরুতে উভয় পক্ষের একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এরপর উভয় পক্ষই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচনা করছে। এর মধ্যেই নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটলো।
ট্রাম্প বুধবার সন্ধ্যায় ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হামলা শীঘ্রই বন্ধ হবে, কিন্তু ইরানের নেতারা অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে তিনি তাদের ওপর বোমা বর্ষণ করে সবকিছু ধ্বংস করে দেবেন।
বিশ্ব জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। প্রণালিটির ওপর ইরানের মাসব্যাপী অবরোধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।
এদিকে বুধবার ইআইএ জানিয়েছে, ৫ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭২ লাখ ব্যারেল কমে ৪২ লাখ ৬৫ কোটি ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। রয়টার্সের এক জরিপে বিশ্লেষকরা ৪০ লাখ ব্যারেল মজুত কমার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কৌশলগত মজুদসহ মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল কমে গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে সরবরাহ ঘাটতি পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে মজুত থেকে তেল ছাড়তে হয়েছে। কারণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক চাপে পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তেহরান। সেইসঙ্গে বিনা অনুমতিতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকালে ২টি জাহাজের ওপর হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর ফলে বিশ্বব্যাপী আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গ্রিনিচ সময় অনুযায়ী রাত ২টা ৪৩ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১.৪৮ ডলার বা ১.৫৯% বেড়ে ৯৪.৫৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেল ১.৭১ ডলার বা ১.৯০% বেড়ে ৯১.৭৪ ডলারে পৌঁছেছে। দিনের শুরুতে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের ফিউচার্স ৩ ডলারের বেশি বেড়েছিল।
ইরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। যার মধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজও অন্তর্ভুক্ত। তারা বলেছে, এই পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো জাহাজকে গুলি করা হবে।
আইএনজির বিশ্লেষকরা গ্রাহকদের কাছে পাঠানো এক নোটে বলেছেন, ‘এটি আবারও ইঙ্গিত দেয় যে একটি চুক্তি হতে এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি এবং পারস্য উপসাগর থেকে জ্বালানি সরবরাহ সীমিত থাকবে।’
তারা বলেন, নতুন করে লড়াই তীব্র হওয়ায় সকালের লেনদেনে তেলের দাম বেড়েছে।
মার্কিন বাহিনী স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা শুরু করে। ক্রমবর্ধমান এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধটি শুরু হওয়ার পর এপ্রিলের শুরুতে উভয় পক্ষের একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এরপর উভয় পক্ষই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচনা করছে। এর মধ্যেই নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটলো।
ট্রাম্প বুধবার সন্ধ্যায় ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হামলা শীঘ্রই বন্ধ হবে, কিন্তু ইরানের নেতারা অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে তিনি তাদের ওপর বোমা বর্ষণ করে সবকিছু ধ্বংস করে দেবেন।
বিশ্ব জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। প্রণালিটির ওপর ইরানের মাসব্যাপী অবরোধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।
এদিকে বুধবার ইআইএ জানিয়েছে, ৫ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭২ লাখ ব্যারেল কমে ৪২ লাখ ৬৫ কোটি ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। রয়টার্সের এক জরিপে বিশ্লেষকরা ৪০ লাখ ব্যারেল মজুত কমার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কৌশলগত মজুদসহ মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল কমে গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে সরবরাহ ঘাটতি পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে মজুত থেকে তেল ছাড়তে হয়েছে। কারণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক চাপে পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলায় বাড়লো তেলের দাম
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তেহরান। সেইসঙ্গে বিনা অনুমতিতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকালে ২টি জাহাজের ওপর হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর ফলে বিশ্বব্যাপী আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গ্রিনিচ সময় অনুযায়ী রাত ২টা ৪৩ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১.৪৮ ডলার বা ১.৫৯% বেড়ে ৯৪.৫৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেল ১.৭১ ডলার বা ১.৯০% বেড়ে ৯১.৭৪ ডলারে পৌঁছেছে। দিনের শুরুতে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের ফিউচার্স ৩ ডলারের বেশি বেড়েছিল।
ইরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। যার মধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজও অন্তর্ভুক্ত। তারা বলেছে, এই পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো জাহাজকে গুলি করা হবে।
আইএনজির বিশ্লেষকরা গ্রাহকদের কাছে পাঠানো এক নোটে বলেছেন, ‘এটি আবারও ইঙ্গিত দেয় যে একটি চুক্তি হতে এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি এবং পারস্য উপসাগর থেকে জ্বালানি সরবরাহ সীমিত থাকবে।’
তারা বলেন, নতুন করে লড়াই তীব্র হওয়ায় সকালের লেনদেনে তেলের দাম বেড়েছে।
মার্কিন বাহিনী স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা শুরু করে। ক্রমবর্ধমান এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধটি শুরু হওয়ার পর এপ্রিলের শুরুতে উভয় পক্ষের একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এরপর উভয় পক্ষই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচনা করছে। এর মধ্যেই নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটলো।
ট্রাম্প বুধবার সন্ধ্যায় ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হামলা শীঘ্রই বন্ধ হবে, কিন্তু ইরানের নেতারা অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে তিনি তাদের ওপর বোমা বর্ষণ করে সবকিছু ধ্বংস করে দেবেন।
বিশ্ব জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। প্রণালিটির ওপর ইরানের মাসব্যাপী অবরোধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।
এদিকে বুধবার ইআইএ জানিয়েছে, ৫ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭২ লাখ ব্যারেল কমে ৪২ লাখ ৬৫ কোটি ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। রয়টার্সের এক জরিপে বিশ্লেষকরা ৪০ লাখ ব্যারেল মজুত কমার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কৌশলগত মজুদসহ মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল কমে গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে সরবরাহ ঘাটতি পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে মজুত থেকে তেল ছাড়তে হয়েছে। কারণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক চাপে পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা ইরানের
মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা ইরানের
