তেহরান না পারলে কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না: গালিবাফ

তেহরান না পারলে কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না: গালিবাফ
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানকে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে না দেওয়া হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরবে না। পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা নির্ভর করছে সেখান থেকে মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ সরে যাওয়ার ওপর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বর্তমান সংকটকে ‘হয় সব, নয় কিছুই না’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো দেশের অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান কোনো জাহাজে রকেট বা ড্রোন হামলা চালালেই তার জবাবে মার্কিন বাহিনী তেহরান বা এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সেতু কিংবা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেবে।
মার্কিন হামলার জবাবে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ও পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে কুয়েতে ইরানি ড্রোন হামলার পর দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির অধীনে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবেন। কূটনৈতিক সমাধানের কোনো পথ না থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম বিশৃঙ্খলা ও বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।

ইরানকে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে না দেওয়া হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরবে না। পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা নির্ভর করছে সেখান থেকে মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ সরে যাওয়ার ওপর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বর্তমান সংকটকে ‘হয় সব, নয় কিছুই না’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো দেশের অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান কোনো জাহাজে রকেট বা ড্রোন হামলা চালালেই তার জবাবে মার্কিন বাহিনী তেহরান বা এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সেতু কিংবা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেবে।
মার্কিন হামলার জবাবে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ও পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে কুয়েতে ইরানি ড্রোন হামলার পর দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির অধীনে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবেন। কূটনৈতিক সমাধানের কোনো পথ না থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম বিশৃঙ্খলা ও বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।

তেহরান না পারলে কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না: গালিবাফ
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানকে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে না দেওয়া হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরবে না। পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা নির্ভর করছে সেখান থেকে মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ সরে যাওয়ার ওপর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বর্তমান সংকটকে ‘হয় সব, নয় কিছুই না’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো দেশের অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান কোনো জাহাজে রকেট বা ড্রোন হামলা চালালেই তার জবাবে মার্কিন বাহিনী তেহরান বা এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সেতু কিংবা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেবে।
মার্কিন হামলার জবাবে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ও পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে কুয়েতে ইরানি ড্রোন হামলার পর দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির অধীনে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবেন। কূটনৈতিক সমাধানের কোনো পথ না থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম বিশৃঙ্খলা ও বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।

মার্কিন-সৌদি পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর, ইসরায়েলের উদ্বেগ




