ন্যাটো ও ইইউ ভাঙতে গোপন ছক রাশিয়ার

ন্যাটো ও ইইউ ভাঙতে গোপন ছক রাশিয়ার
সিজেডএন ডেস্ক

সামরিক জোট ন্যাটো আর ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) ভেতর থেকেই ধসিয়ে দেওয়ার গোপন ছক কষছে রাশিয়া। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাকে জোটের ভেতরে বিশৃঙ্খলা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।
পশ্চিমা গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে মস্কোয় এক গোপন বৈঠকে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। রাশিয়ার চালটি মূলত দুই দিকে কাজ করবে। এক, কোনো জটিলতা তৈরি হলে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যৌথভাবে তা মোকাবিলা করতে কতটা প্রস্তুত, তা পরখ করে দেখা। আর দুই, ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ মলদোভাকে রাজনৈতিক ও ভৌগোলিকভাবে অস্থিতিশীল করে তোলা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ন্যাটো এই নতুন সংকটের মুখোমুখি হতে পারে। সরাসরি সেনা না পাঠিয়ে সাইবার হামলা, জরুরি অবকাঠামোতে নাশকতা কিংবা সীমান্তে পরিচয়হীন সশস্ত্র দলের অনুপ্রবেশের মতো পথ বেছে নিতে পারে মস্কো।
গোয়েন্দারা বলছেন, পুতিনের মূল লক্ষ্য ইউক্রেন হলেও দ্বিতীয় লক্ষ্য মলদোভা। কৌশলগতভাবে দক্ষিণ ইউক্রেন দখল করে রুশ-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে মলদোভা পর্যন্ত একটি সরাসরি করিডোর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে ক্রেমলিনের। যদি রাশিয়া এতে সফল হয়, তবে রোমানিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে থাকা ২৪ লাখ মানুষের ছোট দেশ মলদোভা পুরোপুরি অরক্ষিত হয়ে পড়বে। তা ছাড়া, মলদোভার বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকা ট্রান্সনিস্ট্রিয়াতে এমনিতেই রুশ সেনা মোতায়েন রয়েছে।
বর্তমানে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মলদোভা বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে। মার্চে ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুশ হামলায় নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ায় মলদোভার একটি বড় শহরের পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের জাতীয় বিদ্যুৎ লাইনও। জার্মানির প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল কারস্টেন ব্রেউয়ার সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপের পূর্ব সীমান্তে এ ধরনের ‘হাইব্রিড হামলা’ এখন প্রতিদিনের ঘটনা। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে পোল্যান্ড ও বাল্টিক দেশগুলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। বাল্টিক অঞ্চলের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার মতে, এসব পরোক্ষ হামলার আসল উদ্দেশ্য বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানো নয়, বরং ন্যাটোর ভেতরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংশয় তৈরি করা।
সূত্র: এনডিটিভি

সামরিক জোট ন্যাটো আর ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) ভেতর থেকেই ধসিয়ে দেওয়ার গোপন ছক কষছে রাশিয়া। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাকে জোটের ভেতরে বিশৃঙ্খলা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।
পশ্চিমা গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে মস্কোয় এক গোপন বৈঠকে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। রাশিয়ার চালটি মূলত দুই দিকে কাজ করবে। এক, কোনো জটিলতা তৈরি হলে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যৌথভাবে তা মোকাবিলা করতে কতটা প্রস্তুত, তা পরখ করে দেখা। আর দুই, ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ মলদোভাকে রাজনৈতিক ও ভৌগোলিকভাবে অস্থিতিশীল করে তোলা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ন্যাটো এই নতুন সংকটের মুখোমুখি হতে পারে। সরাসরি সেনা না পাঠিয়ে সাইবার হামলা, জরুরি অবকাঠামোতে নাশকতা কিংবা সীমান্তে পরিচয়হীন সশস্ত্র দলের অনুপ্রবেশের মতো পথ বেছে নিতে পারে মস্কো।
গোয়েন্দারা বলছেন, পুতিনের মূল লক্ষ্য ইউক্রেন হলেও দ্বিতীয় লক্ষ্য মলদোভা। কৌশলগতভাবে দক্ষিণ ইউক্রেন দখল করে রুশ-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে মলদোভা পর্যন্ত একটি সরাসরি করিডোর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে ক্রেমলিনের। যদি রাশিয়া এতে সফল হয়, তবে রোমানিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে থাকা ২৪ লাখ মানুষের ছোট দেশ মলদোভা পুরোপুরি অরক্ষিত হয়ে পড়বে। তা ছাড়া, মলদোভার বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকা ট্রান্সনিস্ট্রিয়াতে এমনিতেই রুশ সেনা মোতায়েন রয়েছে।
বর্তমানে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মলদোভা বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে। মার্চে ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুশ হামলায় নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ায় মলদোভার একটি বড় শহরের পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের জাতীয় বিদ্যুৎ লাইনও। জার্মানির প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল কারস্টেন ব্রেউয়ার সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপের পূর্ব সীমান্তে এ ধরনের ‘হাইব্রিড হামলা’ এখন প্রতিদিনের ঘটনা। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে পোল্যান্ড ও বাল্টিক দেশগুলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। বাল্টিক অঞ্চলের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার মতে, এসব পরোক্ষ হামলার আসল উদ্দেশ্য বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানো নয়, বরং ন্যাটোর ভেতরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংশয় তৈরি করা।
সূত্র: এনডিটিভি

ন্যাটো ও ইইউ ভাঙতে গোপন ছক রাশিয়ার
সিজেডএন ডেস্ক

সামরিক জোট ন্যাটো আর ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) ভেতর থেকেই ধসিয়ে দেওয়ার গোপন ছক কষছে রাশিয়া। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাকে জোটের ভেতরে বিশৃঙ্খলা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।
পশ্চিমা গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে মস্কোয় এক গোপন বৈঠকে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। রাশিয়ার চালটি মূলত দুই দিকে কাজ করবে। এক, কোনো জটিলতা তৈরি হলে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যৌথভাবে তা মোকাবিলা করতে কতটা প্রস্তুত, তা পরখ করে দেখা। আর দুই, ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ মলদোভাকে রাজনৈতিক ও ভৌগোলিকভাবে অস্থিতিশীল করে তোলা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ন্যাটো এই নতুন সংকটের মুখোমুখি হতে পারে। সরাসরি সেনা না পাঠিয়ে সাইবার হামলা, জরুরি অবকাঠামোতে নাশকতা কিংবা সীমান্তে পরিচয়হীন সশস্ত্র দলের অনুপ্রবেশের মতো পথ বেছে নিতে পারে মস্কো।
গোয়েন্দারা বলছেন, পুতিনের মূল লক্ষ্য ইউক্রেন হলেও দ্বিতীয় লক্ষ্য মলদোভা। কৌশলগতভাবে দক্ষিণ ইউক্রেন দখল করে রুশ-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে মলদোভা পর্যন্ত একটি সরাসরি করিডোর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে ক্রেমলিনের। যদি রাশিয়া এতে সফল হয়, তবে রোমানিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে থাকা ২৪ লাখ মানুষের ছোট দেশ মলদোভা পুরোপুরি অরক্ষিত হয়ে পড়বে। তা ছাড়া, মলদোভার বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকা ট্রান্সনিস্ট্রিয়াতে এমনিতেই রুশ সেনা মোতায়েন রয়েছে।
বর্তমানে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মলদোভা বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে। মার্চে ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুশ হামলায় নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ায় মলদোভার একটি বড় শহরের পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের জাতীয় বিদ্যুৎ লাইনও। জার্মানির প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল কারস্টেন ব্রেউয়ার সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপের পূর্ব সীমান্তে এ ধরনের ‘হাইব্রিড হামলা’ এখন প্রতিদিনের ঘটনা। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে পোল্যান্ড ও বাল্টিক দেশগুলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। বাল্টিক অঞ্চলের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার মতে, এসব পরোক্ষ হামলার আসল উদ্দেশ্য বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানো নয়, বরং ন্যাটোর ভেতরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংশয় তৈরি করা।
সূত্র: এনডিটিভি

রাশিয়ার কৌশলেই যুক্তরাষ্ট্রকে কোণঠাসা করছে ইরান







