দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বাড়লেও বাড়েনি গবেষণার মান

দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বাড়লেও বাড়েনি গবেষণার মান
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পরিধি ও মান নিয়ে রয়েছে বড় প্রশ্ন। গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান ও গবেষণার মান এখনও অনেক পিছিয়ে বলে মনে করছেন শিক্ষা গবেষকরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৫৬টি পাবলিক ও ১১৫টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু রয়েছে। ফলে মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭১টি। কিন্তু এই বিস্তারের সঙ্গে গবেষণার সক্ষমতা ও মান কতটা বেড়েছে, সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।
সিমাগো জার্নাল অ্যান্ড কান্ট্রি র্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ১৯ হাজার ৫৫টি। একই সময়ে পাকিস্তানের প্রকাশনা ৪৫ হাজার ৫৭৬ এবং ভারতের ৩ লাখ ৮১ হাজার ৫২৪টি। অর্থাৎ গবেষণা প্রকাশনার দিক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ দুটির বড় ব্যবধান রয়েছে।
তবে দেশে গবেষণা প্রকাশনার প্রবৃদ্ধি হয়েছে। স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নাল, কনফারেন্স প্রসিডিংস ও বুক সিরিজে বাংলাদেশের প্রকাশনা ২০২৪ সালের ১৫ হাজার ৪১৩ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ১৮ হাজার ৬১৩টিতে দাঁড়িয়েছে। এক বছরে প্রকাশনা বেড়েছে ২০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু প্রকাশনার সংখ্যা বাড়লেই গবেষণার মান ও প্রভাব নিশ্চিত হয় না।
২০২৫ সালে গবেষণার বড় ক্ষেত্র ছিল প্রকৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স ও চিকিৎসাবিজ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৩১টি গবেষণা প্রকাশনা নিয়ে শীর্ষে ছিল। এরপর রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বুয়েট। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও শিক্ষকপ্রতি প্রকাশনার হার একের নিচে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। পর্যাপ্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টের ব্যবস্থা না থাকায় গবেষণার কাজের বড় একটি অংশও তাদের নিজেদেরই সামলাতে হয়। এর সঙ্গে বিভিন্ন কমিটির দায়িত্ব যুক্ত হওয়ায় গবেষণায় পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে গবেষণার মান ও সংখ্যা বাড়াতে শিক্ষকদের প্রশাসনিক দায়িত্বের চাপ কমানোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য ২২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য গবেষণা বরাদ্দ আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। তবে বরাদ্দ বাড়লেও তা গবেষণার মানোন্নয়নে অপ্রতুল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। এর সাথে গবেষণায় বরাদ্দের পরিমাণও বেড়েছে। তবে গবেষণার মান বৃদ্ধির জন্য শুধু বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো যথেষ্ট নয়। গবেষণার ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী যৌক্তিক বাজেট নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, গবেষণা মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মান যাচাই, মূল্যায়নকারীদের যথাযথ সম্মানী প্রদান এবং গবেষণাকে শিক্ষক পদোন্নতির সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা প্রয়োজন। শুধু গবেষণার সংখ্যা নয়, গুণগত মান, প্রভাব ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পরিধি ও মান নিয়ে রয়েছে বড় প্রশ্ন। গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান ও গবেষণার মান এখনও অনেক পিছিয়ে বলে মনে করছেন শিক্ষা গবেষকরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৫৬টি পাবলিক ও ১১৫টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু রয়েছে। ফলে মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭১টি। কিন্তু এই বিস্তারের সঙ্গে গবেষণার সক্ষমতা ও মান কতটা বেড়েছে, সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।
সিমাগো জার্নাল অ্যান্ড কান্ট্রি র্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ১৯ হাজার ৫৫টি। একই সময়ে পাকিস্তানের প্রকাশনা ৪৫ হাজার ৫৭৬ এবং ভারতের ৩ লাখ ৮১ হাজার ৫২৪টি। অর্থাৎ গবেষণা প্রকাশনার দিক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ দুটির বড় ব্যবধান রয়েছে।
তবে দেশে গবেষণা প্রকাশনার প্রবৃদ্ধি হয়েছে। স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নাল, কনফারেন্স প্রসিডিংস ও বুক সিরিজে বাংলাদেশের প্রকাশনা ২০২৪ সালের ১৫ হাজার ৪১৩ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ১৮ হাজার ৬১৩টিতে দাঁড়িয়েছে। এক বছরে প্রকাশনা বেড়েছে ২০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু প্রকাশনার সংখ্যা বাড়লেই গবেষণার মান ও প্রভাব নিশ্চিত হয় না।
২০২৫ সালে গবেষণার বড় ক্ষেত্র ছিল প্রকৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স ও চিকিৎসাবিজ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৩১টি গবেষণা প্রকাশনা নিয়ে শীর্ষে ছিল। এরপর রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বুয়েট। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও শিক্ষকপ্রতি প্রকাশনার হার একের নিচে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। পর্যাপ্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টের ব্যবস্থা না থাকায় গবেষণার কাজের বড় একটি অংশও তাদের নিজেদেরই সামলাতে হয়। এর সঙ্গে বিভিন্ন কমিটির দায়িত্ব যুক্ত হওয়ায় গবেষণায় পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে গবেষণার মান ও সংখ্যা বাড়াতে শিক্ষকদের প্রশাসনিক দায়িত্বের চাপ কমানোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য ২২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য গবেষণা বরাদ্দ আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। তবে বরাদ্দ বাড়লেও তা গবেষণার মানোন্নয়নে অপ্রতুল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। এর সাথে গবেষণায় বরাদ্দের পরিমাণও বেড়েছে। তবে গবেষণার মান বৃদ্ধির জন্য শুধু বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো যথেষ্ট নয়। গবেষণার ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী যৌক্তিক বাজেট নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, গবেষণা মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মান যাচাই, মূল্যায়নকারীদের যথাযথ সম্মানী প্রদান এবং গবেষণাকে শিক্ষক পদোন্নতির সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা প্রয়োজন। শুধু গবেষণার সংখ্যা নয়, গুণগত মান, প্রভাব ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বাড়লেও বাড়েনি গবেষণার মান
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পরিধি ও মান নিয়ে রয়েছে বড় প্রশ্ন। গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান ও গবেষণার মান এখনও অনেক পিছিয়ে বলে মনে করছেন শিক্ষা গবেষকরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৫৬টি পাবলিক ও ১১৫টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু রয়েছে। ফলে মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭১টি। কিন্তু এই বিস্তারের সঙ্গে গবেষণার সক্ষমতা ও মান কতটা বেড়েছে, সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।
সিমাগো জার্নাল অ্যান্ড কান্ট্রি র্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ১৯ হাজার ৫৫টি। একই সময়ে পাকিস্তানের প্রকাশনা ৪৫ হাজার ৫৭৬ এবং ভারতের ৩ লাখ ৮১ হাজার ৫২৪টি। অর্থাৎ গবেষণা প্রকাশনার দিক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ দুটির বড় ব্যবধান রয়েছে।
তবে দেশে গবেষণা প্রকাশনার প্রবৃদ্ধি হয়েছে। স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নাল, কনফারেন্স প্রসিডিংস ও বুক সিরিজে বাংলাদেশের প্রকাশনা ২০২৪ সালের ১৫ হাজার ৪১৩ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ১৮ হাজার ৬১৩টিতে দাঁড়িয়েছে। এক বছরে প্রকাশনা বেড়েছে ২০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু প্রকাশনার সংখ্যা বাড়লেই গবেষণার মান ও প্রভাব নিশ্চিত হয় না।
২০২৫ সালে গবেষণার বড় ক্ষেত্র ছিল প্রকৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স ও চিকিৎসাবিজ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৩১টি গবেষণা প্রকাশনা নিয়ে শীর্ষে ছিল। এরপর রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বুয়েট। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও শিক্ষকপ্রতি প্রকাশনার হার একের নিচে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। পর্যাপ্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টের ব্যবস্থা না থাকায় গবেষণার কাজের বড় একটি অংশও তাদের নিজেদেরই সামলাতে হয়। এর সঙ্গে বিভিন্ন কমিটির দায়িত্ব যুক্ত হওয়ায় গবেষণায় পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে গবেষণার মান ও সংখ্যা বাড়াতে শিক্ষকদের প্রশাসনিক দায়িত্বের চাপ কমানোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য ২২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য গবেষণা বরাদ্দ আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। তবে বরাদ্দ বাড়লেও তা গবেষণার মানোন্নয়নে অপ্রতুল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। এর সাথে গবেষণায় বরাদ্দের পরিমাণও বেড়েছে। তবে গবেষণার মান বৃদ্ধির জন্য শুধু বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো যথেষ্ট নয়। গবেষণার ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী যৌক্তিক বাজেট নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, গবেষণা মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মান যাচাই, মূল্যায়নকারীদের যথাযথ সম্মানী প্রদান এবং গবেষণাকে শিক্ষক পদোন্নতির সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা প্রয়োজন। শুধু গবেষণার সংখ্যা নয়, গুণগত মান, প্রভাব ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

সিজেডএন টোয়েন্টিফোরে সংবাদ প্রকাশ, শনিবার থেকে অবসরসুবিধার টাকা পাবেন শিক্ষকরা






